SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২৪-০৯-২০১৯ ১৮:০২:২৬

মিন্নি-নয়নের কথিত ‘নগ্ন ভিডিও’ ছড়িয়েছে পর্নসাইটে!

371897-177

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার বাদি থেকে আসামী হয়ে যাও আয়শা সিদ্দিকা ওরফে মিন্নি ও তার কথিত প্রেমিক নয়ন বন্ডের নামে একটি আপত্তিকর ভিডিও বিভিন্ন পর্নসাইটে ছড়িয়ে পড়েছে।

পর্নসাইট ছাড়াও ওই ভিডিওটির অংশবিশেষ (কাটপিস) সামাজিকমাধ্যম ইউটিউব ও ফেসবুকেও শেয়ার করা হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন নামিদামি পর্নসাইটে ভিডিওটি আপলোড করা হয়েছে বেশ কয়েকদিন আগে। এসব সাইটে ভিন্ন ভিন্ন শিরোনাম ব্যবহার করা হয়েছে।

২ মিনিট ২২ সেকেন্ডের ভিডিওটির শিরোনামে প্রায় সবাই বাংলাদেশি মিন্নি ও নয়ন বন্ডের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ভিডিওটি মিন্নি এবং নয়নের কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইন্টারনেটভিত্তিক কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের সহায়তায় দেখা যায়, শত শত পর্নসাইটে মিন্নি-নয়নের নাম যুক্ত করে শিরোনাম দিয়ে ভিডিও আপলোড করা হয়েছে।

এদিকে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় পুলিশ মিন্নির যে জবানবন্দি আদালতে জমা দিয়েছে সেখানে নয়নের সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্কের কথা রয়েছে।

গণমাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে, মিন্নি বলেছেন, নয়নের সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক ছিল এবং নয়ন মাঝে-মধ্যে দু’জনের একান্ত সময়ের ভিডিও ও ছবি ধারণ করতো।

উল্লেখ্য, রিফাত শরীফ হত্যাকান্ডের পর নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। আর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলায় মিন্নির ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে মিন্নির আইনজীবী জেড আই খান পান্নার সঙ্গে সময় নিউজের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ছড়িয়ে পড়া অশ্লীল ভিডিওর বিষয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে কিনা।

জবাবে জেড আই খান পান্না জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। এমন কিছু হলে তো অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এজন্য জেড আই খান পান্না এই প্রতিবেদকের কাছে ভিডিওর লিংক চান।

এ বিষয়ে পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ডিভিশনের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এডিসি নাজমুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যিনি ভিকটিম বা ক্ষতিগ্রস্ত তিনি বা তার পক্ষে যদি কেউ বিষয়টি আমাদের জানায় বা অভিযোগ দেয় তাহলে আমরা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

এদিকে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের আলোচিত ব্যক্তিদের নিয়ে ভুয়া ভিডিও প্রকাশের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবিনের নামে একটি অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল হয়। পরে প্রমাণিত হয়, ভিডিওটি মেহজাবিনের নয়।

এ বিষয়ে মেহজাবিন পুলিশের সাইবার ইউনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করেছেন।