SomoyNews.TV

পশ্চিমবঙ্গ

আপডেট- ১৮-০৯-২০১৯ ২০:৪৬:৩২

তিস্তা, এনআরসি নিয়ে কথা হয়নি: মমতা

mamata-meets-modi

প্রায় ৪০ মিনিটের বৈঠক শেষ করে দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে আলোচনার প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরের মমতা বলেন, এনআরসি কিংবা তিস্তা নিয়ে কোনও কথা হয়নি। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এটা রাজনৈতিক প্রশ্ন করার জায়গা নয়। কারণ এটা সরকার-সরকার কথা হয়েছে।

এ সময় মমতা জানান, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর সঙ্গে দেখা করতে চান তিনি। বৃহস্পতিবার যদি সময় দিতে পারেন অমিত শাহ তো দেখা হবে। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা থাকলেও সেটা এ যাত্রায় হয়ে উঠবে না বলেও স্বীকার করেন মমতা।

তিনি বলেন, রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে পাঠানো হবে বৈঠকের জন্য।

এর আগে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে চারটা থেকে প্রায় ৪০ মিনিট ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন  পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, বৈঠক খুব ভালো হয়েছে।

মমতা বলেন, সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা পাওয়া আছে কেন্দ্রের কাছে।

একই সঙ্গে রাজ্যের নাম বাংলা করা হয়েছে সেটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কয়লা খনি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের ঋণ-মকুব প্রসঙ্গেও কথা হয়েছে।

মমতা বলেন, দিল্লি এলে এর আগেও আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে যাই। এবারও আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে।
এনআরসি এবং তিস্তা প্রসঙ্গে কথা হয়নি বলে দাবি করেন।

প্রধানমন্ত্রীকে পশ্চিমবঙ্গে একটি কয়লা খনি উদ্বোধনের জন্য আমন্ত্রণও জানান মমতা। বলেন, কেন্দ্র আমাদের এই প্রকল্পটা দিয়েছে। আমরা নিজের যোগ্যতায় এটা পেয়েছি। সেখানে এক লক্ষ কর্মসংস্থান হবে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ছি।
দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম মোদীর সঙ্গে বৈঠক করলেন। সর্বশেষ বৈঠক হয়ছিল দু-বছর আগে।

বৈঠক নিয়ে যদিও বিজেপি, বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। মমতা ঘনিষ্ট একজন আইপিএস কর্মকর্তা রাজীব কুমারকে হন্যে হয়ে খুঁজছে সিবিআই। রাজীব কুমার মমতার অত্যন্ত ঘনিষ্ট।

বিরোধীরা বলছেন, আসলে রাজীব কুমারকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর দারস্থ হয়েছেন মমতা। কারণ রাজীব কুমারের কাছে চিটফান্ডের কান্ডের গুরুত্বপর্ণ তথ্য প্রমান হয়েছে। সেই প্রমান ফাঁস হয়ে গেলে মমতা সহ তার মন্ত্রীসভার বহু প্রভাবশালী মন্ত্রীরা বিপদে পড়বেন। সেই জন্য রাজীব কুমারকে গ্রেফতার না করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ছুটে গেয়েছেন মমতা।