SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon আন্তর্জাতিক সময়

আপডেট- ১১-০৯-২০১৯ ১৭:০৯:৩৯

নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বহিষ্কার করলেন ট্রাম্প, বোল্টনের দাবি পদত্যাগ

index

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনকে বহিষ্কার করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মতের সাথে মিল না হওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বোল্টনের বরখাস্ত আদেশ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট নেতৃবৃন্দ। তবে, বোল্টন দাবি করেছেন, তিনি নিজেই ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন।

সাবেক আইনজীবী ও কূটনৈতিক জন বোল্টনকে ২০১৮ সালের এপ্রিলে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ২৭তম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বোল্টন এর আগে সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রশাসনেও কাজ করেছেন।

তবে, দেড় বছরের মাথায় সেই পদ থেকে ট্রাম্প নিজেই বরখাস্ত করলেন বোল্টনকে। এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প জানান, হোয়াইট হাউসে তাকে আর প্রয়োজন নেই। আগামী সপ্তাহে নতুন নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, ইরান, ভেনেজুয়েলা, উত্তর কোরিয়া ও আফগানিস্তান ইস্যুতে পরষ্পরবিরোধী মত পোষণ করতেন ট্রাম্প ও বোল্টন। কারণ হিসেবে তারা বলছে, ট্রাম্প বড় কোনো সামরিক সংঘাতের বিরুদ্ধে থাকলেও বোল্টন চাইতেন যুদ্ধ বাধাতে। সবশেষ তালেবানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার তীব্র বিরোধী ছিলেন বোল্টন। সিএনএন বলছে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গেও মতবিরোধ ছিল বোল্টনের। তবে, দ্বন্দ্বের বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য না করলেও এমন খবরে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সিরিয়াস কিছু না। প্রেসিডেন্টের যে কাউকে সরিয়ে দেয়ার ক্ষমতা আছে এবং তিনি তাই করেছেন।

বিষয়টি উদ্বেগের বলে মন্তব্য ডেমোক্র্যাটদের।

ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস কন্স বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক তৃতীয় উপদেষ্টা ছিলেন বোল্টন। আমাদের অনেক কিছু জানার আছে, কি এমন হলো যে টুইট বার্তার মাধ্যমে তাকে বরখাস্ত করতে হবে।

এক টুইট বার্তায় বরখাস্তের কথা অস্বীকার করে বোল্টন বলেছেন, তিনি নিজেই ঐ পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। আফগানিস্তান, ইরানসহ কয়েকটি বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে একমত হতে না পারায় এই সিদ্ধান্ত নেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে, বিভিন্ন দেশকে নানা ধরনের হুমকি দেয়ার জন্য বিভিন্ন মহলে বেশ সমালোচিত ছিলেন বোল্টন। তার বরখাস্তের খবর প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা হাসিঠাট্টা শুরু হয়েছে। পুতিনের চাপে ট্রাম্প তাকে বরখাস্ত করেছেন বলেও তামাশা করা হয়েছে।