SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon অন্যান্য সময়

আপডেট- ১১-০৯-২০১৯ ০৭:৩৬:৪৩

মানুষের রক্ত খেয়ে বেঁচে আছেন যে দম্পতি (ভিডিও)

blood-couple

নিজেরাই নিজেদের রক্ত পান করে এবং নিজেদের ভ্যাম্পায়ার বা রক্ত চোষা বাদুড় বলেন এই ভয়ংকর দম্পতি। লিয়া বেনিংহোফের আর তার স্বামী আরো দ্রাবেন নামের এই দম্পতির বসবাস যুক্তরাজ্যের হ্যাভারহিলে।

তাদের বেশভূষাও বেশ অদ্ভুত। চোখের উপর বলতে গেলে ভ্রু নেই, চোখের মধ্যে চারদিকে কালো কালির শেপ, গায়ে ট্যাটু, হাতের নখগুলো কালো করা, নারীর চোখের পাশ, নাক, ঠোঁট ফুঁড়ে গহনা বসানো। সব মিলিয়ে এই দম্পতিকে দেখলেই খানিকটা অস্বাভাবিক লাগে। তাদের দাবি সপ্তাহে অন্তত চারবার একে অপরের রক্ত পান করেন তারা।

বেশ কয়েকবছর আগে তাদের পরিচয় ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় ডেটিং সাইট থেকে। কিন্তু লিয়া বুঝতে পারে প্রথমবারের চুমুতেই যে, এই মানুষটি সে যাকে সে খুঁজছিল এতদিন মনে মনে। লিয়া বলেন, যখন সে আমাকে বলে সে ভ্যাম্পায়ার, আমি অবাক হয়েছি। আমি কখনো ধারণা করিনি ভ্যাম্পায়ার আসলেই আছে, কিন্তু আশা করতাম ভ্যাম্পায়ার থাকবে।

তিন সপ্তাহ লিয়া ধুন্ধুমার ডেটিং করেন তার ভ্যাম্পায়ার প্রেমিকের সঙ্গে। তারপর প্রেমিক দ্রাবেন তাকে প্রস্তাব দেন ভ্যাম্পায়ার হয়ে যেতে। লিয়া রাজি হন। লিয়াকে বেশ আয়োজন করেই ভ্যাম্পায়ার বানিয়ে দেন দ্রাবেন। এই নারীকে ভ্যাম্পায়ার বানাতে ভয়ংকর রক্তের উৎসব করে, অনুষ্ঠান করে রক্ত অদলবদল করা হয়। দ্রাবেন লিয়াকে বোঝান, রক্ত অদলবদল করলে, একজন আরেকজনের রক্ত খেলে তারা আরো কাছাকাছি হতে পারবেন, তখন লিয়া রাজি হয়ে যান।

দ্রাবেন তার বাহুর একটা অংশ ক্ষুর দিয়ে কেটে লিয়াকে বলেন, তার রক্ত পান করতে। লিয়া রক্ত খেয়ে তারপর নিজের হাতও কাটেন এবং তাজা রক্ত পান করতে দেন দ্রাবেনকে। এই অদ্ভুত রীতি এখনো তারা পালন করে আসছেন। লিয়ার দাবি, রক্তপানের পর তিনি নিজের মধ্যে অন্যরকম একটা শক্তি, এনার্জি অনুভব করেন। তার নিজের মধ্যে একটা জাদুকরি অনুভূতি হয়। লিয়া এমনও দাবি করেন, যৌনক্রিয়ার চেয়েও রক্তপান তাকে বেশি আকর্ষণ করে।

সপ্তাহে চারবার তারা রক্ত পান করে থাকেন। আশ্চর্যের ব্যাপার, তারা এটাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছেন যে, এখন নাকি রক্ত না খেলে শরীর দূর্বল দূর্বল লাগে তাদের।

তবে লিয়া বলেন, এরকম কোনো অভ্যাস নেই তাদের। রাস্তায় বুড়ো লোক পেলে ধরে গিয়ে কামড়ে রক্ত চুষে নেবেন এই মতলব তাদের মাথায় থাকে না কখনোই। তারা কেবল একে অপরের রক্তই পান করেন, এই টেস্ট তাদের ভাল লাগে। তাই কারো ভয় পাওয়ার কারণ নেই বলে আশ্বাসও দিয়েছেন এই ভ্যাম্পায়ার পত্নী।

সূত্র: দি সান