SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১১-০৯-২০১৯ ০৬:১২:২৬

পাট নিয়ে বিপাকে কুড়িগ্রামের কৃষকরা

kuri-jute1

ধানের পর এবার পাট নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কুড়িগ্রামের কৃষকেরা। বিজেএমসি'র জুট মিলগুলো ক্রয় কেন্দ্র খোলেনি। বাইরের এবং স্থানীয় ফড়িয়া-মহাজনরা পাট কিনছেন না। ফলে গত বছর চেয়ে মানভেদে প্রতি মণ পাটের দাম ৩০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকা কমেছে। এ অবস্থায় স্থানীয় কিছু মৌসুমি ফড়িয়া কম দামে পাট কিনে মজুদ করছেন বলে অভিযোগ কৃষকদের।

কুড়িগ্রামে বিজেএমসি'র আওতাভুক্ত প্লাটিনাম জুবলী জুট মিলস, ক্রিসেন্ট জুট মিলস ও করিম জুট মিলস এবার পাট কিনতে এখন পর্যন্ত ক্রয় কেন্দ্র খোলেনি। আর আকিজ গ্রুপসহ খুলনার খালিশপুর, দৌলতপুর, নারায়ণগঞ্জ, পিয়ারপুর এবং পাবনার কাশিনাথপুরের মহাজনরা এখনও পাট কিনতে আসেননি। স্থানীয় মহাজনরাও পাট কিনছেন না। ফলে পাটের দামে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

জেলার পাটের বাজার হিসেবে পরিচিত সদর উপজেলার যাত্রাপুর ও উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর হাট ঘুরে দেখা গেছে কিছু মৌসুমি ফড়িয়া মানভেদে প্রতিমণ পাট ১ হাজার ২শ টাকা থেকে ১ হাজার ৮শ টাকায় কিনছেন। অথচ গত বছর প্রতিমণ পাট ১ হাজার ৮শ টাকা থেকে ২ হাজার ১শ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ফলে উদ্বিগ্ন কৃষকেরা।

কোন প্রতিষ্ঠান এবং বাইরের বড় মহাজনরা না আসায় পাট কিনছেন না বলে জানালেন কুড়িগ্রামের স্থানীয় পাট ব্যবসায়ী বিশ্বজিত ভট্টাচার্য।

এ পরিস্থিতিতে কৃষকদের রক্ষায় বিজেএমসি'র আওতাধীন জুট মিলগুলোর ক্রয় কেন্দ্র দ্রুত খোলার দাবি জানালেন এই জনপ্রতিনিধি কুড়িগ্রাম সদর যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী সরকার।

এদিকে পাটের ক্রেতা স্থানীয় ফড়িয়া মহাজনদের তিন ভাগের দুই ভাগ এখন পর্যন্ত তাদের লাইসেন্স নবায়ন করেননি বলে জানালেন পাট অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তা।

কুড়িগ্রাম পাট অধিদপ্তরের মুখ্য পরিদর্শক মো. আব্দুল কাদের সরকার বলেন, চলতি অর্থবছরে ব্যবসায়ীরা টাকা না পাওয়াতে পাট থেকে তারা সরে যাচ্ছে।

জেলায় এবার সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে প্রায় ৩২ হাজার মেট্রিক টন পাট উৎপাদন হয়েছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ।