SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ০২-০৯-২০১৯ ১১:৩১:১৮

‘নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা জরুরি’

road-law

নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা জরুরি বলে মন্তব্য চালক-মালিক-যাত্রীদের। এতে সড়ক নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি শৃঙ্খলা আসতে পারে পরিবহন খাতে। আইনটি এখনো কার্যকর হয়নি উল্লেখ করে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানান। এদিকে, বিভ্রান্তি ছড়াতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সামাজিক মাধ্যমে আইনটি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে । যাত্রীরা বলছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে আইনের যথাযথ প্রয়োগই কাম্য। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন আইন (সংশোধনী) ২০১৯ সালের সংশোধিত মোটরযান আইনের কয়েকটি ধারা ইদানিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে পুরনো ও নতুন জরিমানা এবং দণ্ডের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের লোগো ব্যবহার করে দেয়া এ তথ্যগুলো অসত্য বলে দাবি সংস্থাটির।

ট্রাফিক পুলিশ জানায়, পুরনো আইন ও বিধি অনুযায়ীই বিভিন্ন অপরাধের জরিমানা ও দণ্ড দিচ্ছেন তারা। শুধু পরিবহনই নয়, পথচারী বা পরিবহন সংশ্লিষ্ট যেকোন বিধানই আগের মতই রয়েছে।

ট্রাফিক পুলিশ বলছেন, মোটরযান আইনে প্রথমবার হেলমেট না থাকার মামলা দেওয়া হয় দুইশ টাকার। আবার পরবর্তীতে যদি মামলা হয় তাহলে সেটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এছাড়াও ওভার স্পীডের কারণে চার-থেকে পাচঁশ টাকা মামলা করা হয়। নতুন আইন প্রসঙ্গে বলেন, নতুন আইন এখনো চালু হয়নি। তবে নির্দেশনা আসলে অবশ্যই কার্যক্রম চলবে। 

এদিকে, মিথ্যে তথ্যের কারণে বিভ্রান্তি তৈরি হবে বলে মন্তব্য গাড়ি চালক ও যাত্রীদের। পুরনো আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন সবক্ষেত্রে হয়নি দাবি করে তারা বলেন, আইনের চোখে সব অপরাধীরই সমান গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন। নতুন আইনটি দ্রুত কার্যকর করার দাবি তাদের।

সাধারাণ যাত্রীরা বলছেন, গুজবটা দরকার না, তবে আইনটা কার্যকর করা প্রয়োজন। লেগুনা চলে তার কোনও কাগজও নেই, ড্রাইভারের কোনও কাগজ নেই এগুলোর বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তাদেরকে পুলিশ ধরে না। 

বিআরটিএ জানায়, ফেসবুকের তথ্যে বিভিন্ন অপরাধের যে শাস্তি ও দণ্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এর সঙ্গে ২০১৮ সালের করা নতুন আইনের কোনও মিল নেই। কোনটিতে বেশি, কোনটিতে কম পরিমাণ আর্থিক জরিমানার হার উল্লেখ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

ভুয়া তথ্যে বিভ্রান্ত না হতে আহ্বান জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণলায়ও।

বিআরটিএর পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী বলেন, এখনও বিধিমালা প্রস্তুত করা হয়নি। এই কারণে এটা বাস্তবায়ন করা হয়নি। ১৯৮৪ সালের আইন আছে। বর্তমান ২০১৮ আইন আছে যেটাতে জেল জরিমানার অনেক বেশি ও এটা অনেক যুগোপযোগী।