SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২০-০৮-২০১৯ ১৩:৩৫:২২

জয়পুরহাটে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

rice-somoy

জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। চলতি বোরো সংগ্রহ মৌসুমে সরকারী নীতিমালা অমান্য করে ১০১ মিলারের মধ্যে মাত্র ২৬ জনকে বিশেষ বরাদ্দে দুর্নীতির এ অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ মিলাররা।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বেলা ১১টায় জয়পুরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মেসার্স শাহিন চাল কলের স্বত্তাধিকারী মো: আবুল হাসনাত।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জয়পুরহাট সদর উপজেলার ৮টি অটো রাইস মিল, ৫টি সেমি অটো রাইস মিল ও ১৩টি হাসকিং মিলের ক্যাপাসিটি ভ’য়া কাগজপত্র ও অফিসে বসে ফাইলওয়ার্কের মাধ্যমে ২ গুণ থেকে ৪ গুণ বাড়িয়ে ২৬ জন মিলারকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এতে ৭৫ মিলারকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

বিশেষভাবে বরাদ্দ দেওয়া ২৬ মিলারের কাছ থেকে ক্যাপাসিটি বাড়ানোর জন্য জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনিরুল ইসলাম ও উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার প্রতি কেজি চালের জন্য দেড় টাকা থেকে দুই টাকা পর্যন্ত উৎকোচ গ্রহণ করেছেন।

চলতি মৌসুমে এই দুই কর্মকর্তা ৬ হাজার মেট্রিকটন চাল বরাদ্দের মাধ্যমে দেড় থেকে দুই কোটি টাকা বাণিজ্যের বিষয়ে ইতোমধ্যেই খাদ্যমন্ত্রী ও দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিল মালিক আমান উল্লাহ আমান, হাম্মদ আলী প্রমূখ।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনিরুল ইসলামের সাথে দুপুরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা ক্যাপাসিটি অনুযায়ী সবাইকে সরকারী বিধিমালা মোতাবেক বরাদ্দ দিয়েছি। এখানে উৎকোচ গ্রহণের মাধ্যমে কাউকে বেশী বরাদ্দ দেওয়া হয়নি এবং এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।