SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon আন্তর্জাতিক সময়

আপডেট- ১৭-০৮-২০১৯ ১৮:২৪:৪১

গণতন্ত্রের দাবিতে হংকংয়ে অব্যাহত বিক্ষোভ

hk-chin1

অপরাধী প্রত্যর্পণ বিল বাতিল ও গণতন্ত্রের দাবিতে হংকংয়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। শনিবারও (১৭ আগস্ট) হংকংয়ের বিভিন্ন স্থানে বিল বিরোধীদের বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। আন্দোলনকারীদের দমাতে হংকং সীমান্তে অবস্থান নেয়া আধা সামরিক বাহিনীকে চীন যে কোন মুহূর্তে ব্যবহার করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে, বিল বিরোধী আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্রের হাত থাকতে পারে বলে দাবি করেছেন হংকংয়ের আইনজীবীরা। হংকং ও চীনের পক্ষে- বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ হয়েছে অস্ট্রেলিয়াতেও।

মূল চীনের কাছে অপরাধীদের হস্তান্তরের বিধান রেখে পাস করা আইন বাতিলের প্রতিবাদ বিক্ষোভ এখন রূপ নিয়েছে গণতন্ত্রের আন্দোলনে। দশ সপ্তাহ পেরিয়ে ১১তম সপ্তাহে গড়িয়েছে অপরাধী প্রত্যর্পণ বিল বিরোধী বিক্ষোভ। গত সপ্তাহে হংকং এয়ারপোর্টে ব্যাপক বিক্ষোভের পর শনিবারও হংকংয়ের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হয় হাজার হাজার মানুষ। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয় তারা।

তবে আন্দোলনকারীদের ওপর চীন যে কোন মুহূর্তে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে হংকং সীমান্তে ভারী অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত সাঁজোয়া যানসহ আধা সামরিক বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করেছে বেইজিং। শনিবার হংকং সীমান্তবর্তী চীনের শেনজেন স্টেডিয়ামের পাশে তাদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। একইসঙ্গে, স্টেডিয়ামের আশে পাশে বেশ কিছু মহড়াতেও অংশ নেয় তারা।

এদিকে, হংকংয়ের অস্থিতিশীলতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের হাত থাকতে পারে বলে অভিযোগ করেছেন অঞ্চলটির আইনজীবীরা। অপরাধী প্রত্যর্পণ বিল বিরোধী আন্দোলন উস্কে দেয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ধন থাকতে পারে জানিয়ে এর তদন্তে জাতিসংঘকে আহ্বান জানান তারা।

হংকংয়ের আইনজীবী লরেন্স মা বলেন, বিল বিরোধী আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, এ ধরনের প্রাথমিক তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। সম্প্রতি বিক্ষোভকারীরা যে ধরনের সহিংসতা চালিয়েছে তাতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ধন আছে কি না তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।

এরমধ্যেই হংকংয়ের গণতন্ত্রের আন্দোলন ছড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়াতেও। হংকংবাসীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে শুক্রবার (১৬ আগস্ট) মেলবোর্নে বিল বিরোধী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে চীনপন্থিরাও পালটা বিক্ষোভ করলে তাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। তবে যে কোন সহিংসতার ব্যাপারে সতর্ক করে তা কঠোর হাতে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া পুলিশ।