SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ০৮-০৮-২০১৯ ২২:৫০:১২

নামের মতোই বিলাসী জীবন যুবরাজের

juboraj-somoy

নাম তার যুবরাজ। আচার-আচারণেও অনেকটা রাজার মতো। নামের মতোই বিলাসী জীবন যুবরাজের। ফ্যান, এয়ারকুলার ছাড়া তার ঘুম হয়না। রোদে যেতে পারেনা একেবারেই!  নিয়ম করে শ্যাম্পু দিয়ে গোসল দিতে হয় তিন বেলা।  খাওয়া-দাওয়াতেও মিলে রুচির পরিচয়। স্বাভাবিক খাবারের সাথে সাথে অরুচি নেই মুড়ি, কিংবা চায়ে।

বলছিলাম, কিশোরগঞ্জে কোরবানির জন্য প্রস্তুত বিশালাকৃতির ষাঁড় যুবরাজের কথা। বলা হচ্ছে, এটি জেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড়। দাম হাঁকা হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। নজরকাড়া রং আর বিশালাকৃতির যুবরাজকে পরম মমতায় বড় করে তুলেছেন সৌখিন খামারি আশিকুল ইসলাম শ্যামল।

কিশোরগঞ্জ শহরের হয়বতনগর বটতলা এলাকার মো. আব্দুল কদ্দুসের ছেলে সৌখিন খামারি আশিকুল ইসলাম শ্যামলের খামারে ২টি ষাঁড় আর দু’টি গাভী রয়েছে। তবে সবার নজর কাড়ে যুবরাজ।

তিন বছর আগে আশিকুল ইসলাম শ্যামলের খামারে একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গাবীর পেট থেকে জন্ম নেয় ব্রাহমা জাতের ষাঁড়টি। যার নাম রাখা হয় যুবরাজ। এরই মধ্যে যুবরাজের ওজন দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৫০ কেজি। এবার ঈদকে সামনে রেখে কদর বেড়েছে যুব রাজের। তার বিশাল উচ্চতা, ত্যাজিভাব আর  নজরকাড়া রঙঙের কদর ছড়িয়ে পড়েছে চারপাশে।

নামরে সাথে মিল রয়েছে যুবরাজের খাবার আর সৌখিনতা। খামারে তাকে ঘিরে সারাক্ষণ চালু রাখতে হয় চারটি বৈদ্যুতিক ফ্যান ছাড়াও দু’টি ইয়ারকুলার। নিয়ম করে শ্যাম্পু দিয়ে গোসল দিতে হয় তিন বেলা। ঘাস, কুড়া, খৈল,ভূষিসহ স্বাভাবিক খাবারই প্রিয় যুবরাজের। সেই সাথে ভাত-চা, মুড়িসহ অন্যান্য খাবারেও অরুচি নেই যুবরাজের।

প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে যুবরাজকে দেখতে কিশোরগঞ্জে আসছেন অনেকে। কেনার আগ্রহ দেখিয়ে, করছের দরদাম। এটি জেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড় বলেও বলছেন কেউ কেউ।

প্রার্ণী সম্পদ বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় যুবরাজকে কোরবানীর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি উন্নত প্রজাতির দেশি ষাড়। প্রতিদিন প্রায় চার কেজি করে এর ওজন বৃদ্ধি পায় বলে জানালেন, কিশোরগঞ্জ জেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. বাহাদুর আলী।

যুবরাজের দৈঘ্য ৬ ফুট দুই ইঞ্চি আর বুকের বেড় প্রায় আট ফুট। কালো রঙ্গের দৃষ্টিনন্দন যুবরাজের দাম হাঁকা হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। এরই মধ্যে বাজারে দাম উঠেছে ১৪ লাখ। তবে যুবরাজকে বিক্রির জন্য হাঁটে তোলা হচ্ছেনা বলে জানান, এর মালিক।