SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২১-০৭-২০১৯ ১২:০২:৩৫

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিক-সচেতনতাও প্রয়োজন

dengue-survey

ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিলেও এখনো টনক নড়েনি রাজধানীবাসীর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বর্ষাকালীন জরিপে প্রথম দুই দিনে প্রায় সত্তর শতাংশ বাড়িতেই মিলছে এডিসের লার্ভা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নগর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে এডিসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় সম্ভব হবেনা। 

বর্ষার আগে ঢাকার দুই সিটিতে মশার ঘনত্ব নির্ণয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জরিপে উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪টি ওয়ার্ডকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। কথা ছিলো সে অনুসারে কাজ করবে সিটি করপোরেশন। কিন্তু সেই জরিপের ফলাফলের চেয়ে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে কয়েকগুণ।

রাজধানীর অনেক এলাকাতেই পৌঁছাইনি সিটি করপোরেশনের মশক নিধন টিম, বাড়েনি সচেতনতা। বর্ষাকালীন জরিপের প্রথম দিনেই মিলছে ভয়াবহতা। তবে বরাবরই দায় এড়ানো চেষ্টা নগরবাসীর। জমা পানি নিয়ে এখনও সচেতন নয় সাধারণ মানুষ। এতো কিছুর পরেও টনক নড়েনি কারোরই।

কীটতত্ত্ববিদ মো খলিলুর রহমান বলেন, এবার মশার পরিমাণ অনেক বেশি হবে বলে মনে হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কীটতত্ত্ববিদ পরিচালিত ১২টি টিম ১০ দিন ধরে এই জরিপ করবে, এরপরই ফলাফল সিটি করপোরেশনের হাতে তুলে দেয়া হবে।

প্রোগ্রাম ম্যানেজার এম এম আকতারুজ্জামান বলেন, এই রিপোর্টটা আমরা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে জানিয়ে দেবো, যাতে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে তারা ব্যবস্থা নিতে পারে। 

যদিও বাড়ির আঙ্গিনা কিংবা ছাদে অস্বাস্থ্যকর অবস্থার জন্য সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতার অভাবকেই দুষছেন বিশেষজ্ঞরা। 

তিন থেকে সাত দিন জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতেই বংশ বিস্তার করে ডেঙ্গুর বাহক এডিস।