SomoyNews.TV

ভ্রমণ

আপডেট- ২৮-০৬-২০১৯ ১৪:৪৪:৩৩

বর্ষাতেও কক্সবাজারে পর্যটকদের ভিড়

cox-holiday

বর্ষা মৌসুমেও কক্সবাজারে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়। সাপ্তাহিক ছুটিতে ভ্রমণে আসা পর্যটকরা সাগর জলে মাতোয়ারা। তবে পর্যটকদের অভিযোগ, অফ সিজনেও হোটেল, গাড়ি ভাড়াসহ নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা। আর গতানুগতিকভাবে জেলা প্রশাসন, পর্যটকদের হয়রানি রোধে সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

বর্ষা মৌসুম যেখানে বৃষ্টি হওয়ার কথা, সেখানে রৌদ্রকরোজ্জ্বল আবহাওয়া। তাই দেশের নানাপ্রান্ত থেকে বিশ্বের দীর্ঘতম সৈকত কক্সবাজারে ছুটে এসেছেন বিপুল সংখ্যক পর্যটক। পর্যটকরা সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী ও সী-গাল পয়েন্টে মেতে উঠেছেন সাগর জলে। কর্মব্যস্ত জীবনকে একটু প্রশান্তি দিতে সাপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজার ছুটে আসা বলে জানালেন ভ্রমণ পিপাসুরা।

বর্ষা মৌসুমকে অফ সিজন হিসেবে গণ্য করেন পর্যটকরা। তাই এই মৌসুমে স্বল্প খরচে ঘুরতে পর্যটকরা ছুটে আসেন সৈকতের এই শহরে। কিন্তু এবার নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ পর্যটকদের।

তারা বলেন, বর্ষায় সাধারণত ভাড়া কম থাকে। এ বছর মনে হয় ভাড়াটা একটু বেশি। গাড়ি ভাড়া, খাওয়াতেও খরচ বেড়েছে।

হকার ও ভিক্ষুকের উপদ্রব থেকে পর্যটকদের রক্ষায় সৈকতে নিয়োজিত রয়েছে বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ফোর্স। তারা সৈকতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানালেন সুপার ভাইজার খোরশেদ আলম।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন আশ্বাস দিয়ে জানালেন, পর্যটকদের হয়রানি রোধে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, যদি কোন হোটেল বা পরিবহন যদি বেশি ভাড়া আদায় করে, আমাদের কাছে কমপ্লেন করলে আমরা ব্যবস্থা নেবো। 

কক্সবাজারে চার শতাধিক ছোট-বড় হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটিতে প্রতিদিন রাত্রিযাপন করতে পারেন অর্ধ-লক্ষাধিক পর্যটক।