SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২৩-০৫-২০১৯ ০৬:২০:০৪

দুর্ভোগের আরেক নাম রেলের ই-টিকিটিং সেবা

eid-ticket

মানুষের হাতের মুঠোয় রেল টিকিট পৌঁছে দেবার কথা থাকলেও দুর্ভোগের আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে রেলের ই-টিকিটিং সেবা। সার্ভার সমস্যাসহ নানা জটিলতায় যাত্রীরা টিকিট না পেলেও, বরাদ্দকৃত ৫০ ভাগ টিকিটই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেনি রেলের ই-টিকিটিং নিয়ন্ত্রক সংস্থা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সার্ভিস লিমিটেড- সিএনএস। যদিও অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি না হলে, বরাদ্দকৃত টিকিট পরে কাউন্টারে ফেরানোর আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী।

এবার ঈদ যাত্রার ৫০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে বিক্রির লক্ষ্য নিয়ে গত ২৮ এপ্রিল "রেলসেবা" অ্যাপ চালু করে রেলপথ মন্ত্রণালয়। উদ্বোধনের পরপরই শুরু হয় অ্যাপের কার্যকারিতা নিয়ে সমালোচনা।

এ বিষয়ে টিকিট বিক্রি শুরুর এক সপ্তাহ আগে একটি সংবাদ প্রচার করে সময় সংবাদ। যেখানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব অ্যাপটি কার্যকরের উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দেন।

এরপরও টনক নড়েনি রেলওয়ের। এমন অকার্যকর অ্যাপ দিয়েই শুরু হয় ঈদের আগাম টিকিট বিক্রি। এতে অনলাইনে টিকিট প্রত্যাশীদের দুর্ভোগ বেড়ে যায় বহুগুণ।

এক নারী জানান, অনলাইনে টিকেট কেনার জন্য চেষ্টা করেছি, দেখি সার্ভার বন্ধ। অনলাইনে কোনো টিকেট দেয়া হচ্ছে না।

অ্যাপে প্রবেশ করতে না পারা, পর্যাপ্ত টিকিট না থাকা, টিকিট না দেখানোসহ বিস্তর অভিযোগ অ্যাপ ব্যবহারকারীদের।

এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে, কমলাপুরে অনলাইন টিকিট নিয়ন্ত্রক সংস্থা, সিএনসের কক্ষে অভিযান চালায় দুদক। অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট কালোবাজারি বিষয়ে, কোন সদুত্তর দিতে পারেনি সিএনএস।

তবে, অ্যাপ কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে টিকিট বিক্রিতে ব্যর্থ হলে আবারো তা কাউন্টারে উন্মুক্ত করা হবে বল জানান রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, পাঁচদিনের মধ্যে অ্যাপ ঠিক না হলে সেগুলো কাউন্টারের মধ্যে নেয়া হবে।

যদিও মন্ত্রীর এমন আশ্বাসে ভরসা রাখতে পারছেন না যাত্রীরা। তারা বলছেন, এই পাঁচ দিনের মধ্যে এই টিকেটগুলো কালোবাজারিদের হাতে চলে যাবে।

তবে রেলমন্ত্রণালয়ের তাড়াহুড়োর কারণে অ্যাপটি উপযুক্ত করে বানানো সম্ভব হয়নি বলে সময় সংবাদকে গত সপ্তাহেই জানিয়েছিলেন সিএনএসের পরিচালক ইকরাম ইকবাল। তিনি বলেন, তাড়াহুড়া করে অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। তবে, আরেকটু সময় পেলে খুবই ভালো হতো।