SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ৩০-০১-২০১৯ ০১:০৩:৪৪

জনপ্রতিনিধি আসে আর যায় তবুও নিশ্চিত হয়না সরকারি সেবা

poor-people

যাদের শ্রমে ঘামে অর্থনীতির চাকা গতি পায় সেই প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষক মজুরদের বেলায় উদাসীন সরকারি দফতরগুলো। ফলে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রায় সব ধরণের সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। অভিযোগ আছে, ভোটের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে অতিথি পাখির মতো উড়াল দেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও।  

ফুলছড়ি উপজেলার রতনপুরের নদী সিকস্তি সাকা মিয়া। এবার একখণ্ড জমিতে মরিচের আবাদ করেছেন এই কৃষক। চাষাবাদের উপর ভর করেই তার মতো এলাকার অধিকাংশ মানুষের জীবন জীবিকা টিকে আছে। কিন্তু চাষিদের অভিযোগ, তাদের অগ্রগতিতে বড় বাধা কৃষি বিভাগের অবহেলা।

দফায় দফায় ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে বদলে গেছে রতনপুরের মানচিত্র। সর্বস্বান্ত হয়েছে গৃহস্থরা।এই মানুষগুলোর ভাগ্য পরিবর্তনে সরকারের বিভিন্ন দফতর থাকলেও তাদের তৎপরতা নেই বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। বিপদ আপদে পাশে পান না স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও।

পিছিয়ে পড়া এই জনপদের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে বেসরকারি সংগঠন গণ উন্নয়ন কেন্দ্র। উন্নয়নকর্মীরা বলছেন, বঞ্চিত, অবহেলিত এসব মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকারের সেবাদানকারী দফতরগুলোর তৎপরতা বাড়াতে হবে। তবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়ার আশ্বাস জেলার শীর্ষ এই কর্মকর্তার।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন বলেন, 'এখানে এসে এসব জানলাম, গতকালকেও একটা মিটিং করেছি, আমি নিজেও এসব এলাকায় যাবো, কি কি সমস্যা আছে তার খোঁজ নেব এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দিব যেন তারা একটিভলি কাজ করে।'

জেলায় ২৩ লাখ ৭৯ হাজার মানুষের বসবাস। তাদের মধ্যে অধিকাংশই গ্রাম ও প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের বাসিন্দা।