SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২৬-১১-২০১৮ ০৫:১৮:০৮

কুড়িগ্রামে বাড়ছে শীতের প্রকোপ, জেলা প্রশাসন মোকাবেলায় প্রস্তুত

kuri-winter

হিমেল হাওয়া। সন্ধ্যা থেকে পরদিন ভোর পর্যন্ত হালকা কুয়াশার আস্তরণ। পাতায় জমে থাকা ভোরের শিশির বিন্দু। ভাপা পিঠার ভাসমান দোকান। আর গরম কাপড়ের পসরা জানান দিচ্ছে কুড়িগ্রামে শীত এসেছে। এ অবস্থায় হতদরিদ্র মানুষ শীত নিয়ে দুঃচিন্তায় আছে। তবে জেলা প্রশাসনের দাবি, তাদের কষ্ট লাঘবে শীতবস্ত্র এবং শুকনা খাবার মজুদ আছে।  

 দেশের উত্তরের দারিদ্র পীড়িত জেলা কুড়িগ্রামে এবার অগ্রহায়নের প্রথম দিক থেকেই শীত পড়তে শুরু করেছে। কমছে সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান। উত্তর-পূর্ব দিক থেকে বইতে শুরু করেছে হিমেল হাওয়া। সন্ধ্যার পর থেকে পরদিন ভোর পর্যন্ত হালকা কুয়াশার আস্তরণে ঢাকা পড়ে থাকছে চারদিক। ফলে দিনে গরম লাগলেও রাতে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অতি দরিদ্রদের পাশাপাশি চরাঞ্চলের মানুষ শীতবস্ত্র নিয়ে দু:চিন্তায় রয়েছেন।

এ অবস্হায় অসহায়-দু:স্থ মানুষের কষ্ট লাঘবে আগাম শীতবস্ত্র দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধি। শীত নিবারণে অতিদরিদ্র মানুষের সহায়তায় সাড়ে ১৬ হাজার কম্বল এবং চাল-ডাল-তেল-চিনির পাশাপাশি শুকনা খাবারের ২ হাজার প্যাকেট উপজেলা পর্যায়ে মজুদ রাখা হয়েছে বলে জানালেন জেলার এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

  মোছাঃ সুলতানা পারভীন/ জেলা প্রশাসক, কুড়িগ্রাম বলেন, যথেষ্ট শীতবস্ত্র আমরা পেয়েছি। সেগুলো উপজেলা পর্যায়ে আমরা বিতরণ করেছি। একই সাথে শীতের সময় যেন মানুষ খাবারের কষ্ট না পায় সে জন্য যথেষ্ট শুকনো খাবারের মজুদ আছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, জেলার ২০ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মধ্যে ৭০ দশমিক ৮ ভাগ হচ্ছেন দরিদ্র।