SomoyNews.TV

ভোটের হাওয়া

আপডেট- ০২-১১-২০১৮ ০৫:০৬:০২

নির্বাচনে বিষয়ে খাগড়াছড়ির জনগণ যা বলছেন

khagracori-elec-somoy

পাল্টে গেছে সকল নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির জীবনমানের চিত্র। পাহাড়ের গায়ে আকাশ ছোঁয়া আঁকাবাঁকা সড়ক আর অসংখ্য পাকা সেতু নির্মাণের ফলে প্রত্যন্ত গ্রামেও পৌঁছে গেছে সকল নাগরিক সুবিধা।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, শিক্ষা ও চিকিৎসার মত মৌলিক চাহিদা পূরণের পর এখন যারা পাহাড়ী বাঙালিদের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে তারাই আগামী নির্বাচনে এগিয়ে থাকবে। স্থানীয় সাংসদ বলছেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা থাকলে খুব দ্রুতই তা সম্ভব হবে।

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য আর ক্ষণে ক্ষণে মেঘের রুপ বদলানো পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। প্রায় ২ হাজার সাতশ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পাহাড় বেষ্টিতে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ী ও বাঙালি মিলে বসবাস করে প্রায় সোয়া ৫ লাখ মানুষ।

একসময় সব ধরনের মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত খাগড়াছড়িতে গত কয়েক বছরে সব কিছুতেই আমুল পরিবর্তন এসেছে। শান্তিচুক্তির পর এখন পর্যন্ত খাগড়াছড়িতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তৈরি হয়েছে প্রায় ১০৮ কিলোমিটার সড়ক।

পাশাপাশি পানছড়ি ও সাজেক সড়কে নির্মিত হয়েছে ৫১টি পাকা সেতু ও কালভার্ট। যার ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রত্যন্ত পাহাড়ী এলাকাতেও পৌছে গেছে প্রায় সব নাগরিক সুবিধা।

জেলা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বলছেন, পর্যটন কেন্দ্র হওয়ায় গত ৫ বছর খাগড়াছড়িকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন করেছে সরকার। আগামী দিনেও এ ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পুনরায় নির্বাচিত হতে পারলে বাঙালি-পাহাড়ি সম্পর্ক জোরালো করার দিকেও নজর দেয়ার কথা বললেন খাগড়াছড়ি সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

সাধারনত সমতল এলাকার যে কোনো নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও পাহাড়ি এলাকায় আঞ্চলিক দলগুলোরও ব্যাপক প্রভাব থাকে। তাই আগামী সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভোটাররা বলছেন শিক্ষা ও চিকিৎসার মত মৌলিক চাহিদা পূরণের পর এখন যারা পাহাড়ী বাঙালিদের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে তারাই আগামী নির্বাচনে এগিয়ে থাকবেন।