SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২৮-০৯-২০১৮ ১০:৪৩:০২

সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে 'ঝুঁকিপূর্ণ' যানবাহনের দাপট

siraj-road

সিরাজগঞ্জে মহাসড়কে নিয়মিত অভিযান চালিয়েও বন্ধ করা যাচ্ছে না তিন চাকার যানবাহন চলাচল। এতে মহাসড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা। চালকদের দাবি, বিকল্প সড়ক না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করছেন তারা। হাইওয়ে পুলিশ বলছে, অবৈধ যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এক্ষেত্রে যাত্রীদের সচেতনতা জরুরি বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।


প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে দুরপাল্লার যানবাহনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলাচল করে অবৈধ তিন চাকার যানবাহন। সরকারের নিষেধাজ্ঞা জারি পর এই মহাসড়কে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এবং মামলা করে থামাতে পারছে না এই সব যানবাহন। মহাসড়ক দখল করে তারা দ্রুত গতির গাড়ির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে চলাচল করছে।


জেলা ঢাকা-পাবনা ও ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের উল্লাপাড়ার শাহজাদপুর, চানদাকুন্দাসহ বিভিন্ন সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এই সকল যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। দুরপাল্লার যানবাহনের চালকদের দাবি, এই সকল তিন চাকার যানবাহনের কারণে গাড়িতে সমস্যা হয়। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্খা বাড়ছে।

কয়েকজন বাস ও ট্রাক চালক বলেন, 'হঠাৎ তারা রাস্তায় উঠে পড়ে। হর্ন দিলেও সরে না। সিগন্যাল মানে না এবং তারা সিগন্যাল বুঝেও না।'

বিকল্প সড়ক না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করছেন তারা, এমনটাই দাবি করেছেন তিন চাকার যানবাহন চালকরা। তারা বলেন, 'মহাসড়কের পাশ দিয়ে যদি সিঙ্গেল রাস্তা থাকতো তাহলে আমাদের মহাসড়কে উঠা লাগতো না। সরকার যদি আমাদের মহাসড়কে না চলতে দেয় তাহলে না খেয়ে থাকতে হবে। পেটের দুঃখে আমরা রাস্তায় গাড়ি চালায়।

মহাসড়কে এই সব অবৈধ যানচলাচল বন্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা আব্দুল কাদের জিলানী। তিনি বলেন, 'সিরাজগঞ্জের মহাসড়কের সঙ্গে বিভিন্ন রাস্তার সংযোগ রয়েছে। পুলিশ যখন দুই-তিন কিলোমিটার দূরে চলে যায় তখনই তারা মহাসড়কে উঠে। চব্বিশ ঘণ্টা আমরা মহাসড়কে টহলে থাকি। আমরা চেষ্টা করি কোনো অবস্থাতেই যাতে তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে না উঠে।'

চলতি মাসে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে প্রায় শতাধিক অবৈধ যানবাহন আটক করা হয়েছে। আর মামলা হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক।