SomoyNews.TV

ভোটের হাওয়া

আপডেট- ০৭-০৯-২০১৮ ১০:০১:৫৮

সিলেট-৪ ‘উন্নয়নের ধারা’ হাতিয়ার আঃ লীগের, বিএনপিও নেই পিছিয়ে

syl-four

পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান নিয়ে সিলেট-৪ আসন গঠিত। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন বেড়াতে আসেন হাজার পর্যটক। যত দিন গড়াচ্ছে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ছেই। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, পর্যটন এলাকায় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তাদের প্রার্থীকেই পুনরায় নির্বাচিত করা দরকার। অন্যদিকে, বিএনপি নেতাদের দাবি এ আসনে সব উন্নয়ন হয়েছে বিগত বিএনপি আমলে। 

 

জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল, পান্তুমাঈসহ দেশের উল্লেখযোগ্য পর্যটনকেন্দ্রের অবস্থান গুয়াইনঘাট উপজেলায়। এটি ছাড়াও জৈন্তাপুর ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৪ আসন।  

দশম সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত এই আসনে আওয়ামী লীগ ৪ এবং বিএনপি ও জাতীয় পার্টি প্রার্থী তিনবার করে জয় পায়।

পর্যটন শিল্প ছাড়াও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই আসনে সরকার তামাবিল স্থলবন্দর স্থাপন করে ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেছে। সিলেট-ভোলাগঞ্জ এবং সিলেট-জাফলং সড়কের উন্নয়নে নিয়েছে বড় দুটি প্রকল্প। 

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, দেশ স্বাধীনের পর এলকার এমন উন্নয়ন চোখে পড়েনি। উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে জনগণ আগামী নির্বাচনেও তাদের প্রার্থীকেই ভোট দেবে।   

বিএনপি নেতাদের দাবি, এই আসনে তাদের আমলে বেশি উন্নয়ন হয়েছে। কাজেই পুনিরায় জনগণ তাদেরকেই বেছে নেবে। 

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী দুলাল বলেন, ‘উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে জনগণ আওয়ামী লীগকেই বেছে নেবে। এরফলে আগামীতে নৌকামার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করতে, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রথানমন্ত্রী নির্বাচিত করবে।’

সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল হাকিম চৌধুরী বলেন, ‘যে কোনো সরকারই যখন ক্ষমতায় যায়, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ধারাবাহিকভাবে করে যায়। এ সরকারও করেছে। কিন্তু কাঙ্খত লক্ষ্যে পৌঁছেনি। আমাদের সরকারের আমলে গুয়াইনঘাট রাস্তা, ডিগ্রি কলেজসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে।’

এ আসনে ভোটার ৩ লাখ ৭২ হাজার ৭৮৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৯০ হাজার ৬০ এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৮২ হাজার ৭২৩ জন।