SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ৩১-০৮-২০১৮ ০৬:০২:৫০

গাইবান্ধায় প্রকল্প অনুমোদন দিলেও বাস্তবে অস্তিত্ব নেই

gai-zila-pori-jpg-somoy

কাজীর গরু কেতাবে আছে, গোয়ালে নেই। যার বাস্তব উদাহরণ গাইবান্ধা জেলা পরিষদ। যেখানে মসজিদ, মন্দিরের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে কাগজে কলমে লাখ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও বাস্তবে তা নেই। আর এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে নারাজ কর্তৃপক্ষ।

চলতি অর্থ বছরে সাঘাটা উপজেলার পন্ডিতপাড়া মসজিদের উন্নয়নে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় জেলা পরিষদ। একই উপজেলার ঝাড়াবর্ষা গ্রামে সিদ্দিক হাজীর বাড়ির মসজিদে দেয়া হয় দুই লাখ টাকা।

কিন্তু পুরো অর্থ পৌঁছেনি সংশ্লিষ্টদের হাতে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে সাঘাটার ঘুড়িদহ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বাড়ি মসজিদ, এতিমখানা, মক্তব ও বৃদ্ধাশ্রমের জন্য ১৪ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিলেও বৃদ্ধাশ্রম ও এতিম খানা’র অস্তিত্ব নেই।

এদিকে সদরের গোপালপুর মন্দিরের উন্নয়নে ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বরাদ্দ দেয়া হয় ৩ লাখ টাকা। একইভাবে দুই অর্থ বছরে ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় পলাশবাড়ির ভেলাকোপা মন্দিরে। কিন্ত ৩০ হাজার টাকার বেশি পায়নি তারা।

২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এডিবি সাধারণ বরাদ্দের আওতায় ৫ কোটি ২৫ লাখ এবং ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকার প্রকল্প দেয়া হয়। এসব প্রকল্পের অনিয়ম প্রসঙ্গে গাইবান্ধা পরিষদের জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও গাইবান্ধা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান কোন কথা বলতে রাজি নন। আর তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানালেন গাইবান্ধা-৪  সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ।

গাইবান্ধা জেলা পরিষদের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সময় সংবাদে খবর প্রচারের পর গত বছরের ৭ ডিসেম্বর তদন্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশন -দুদক কর্মকর্তারা। পরবর্তীতে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আর কিছু জানা যায়নি।