SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১৭-০৭-২০১৮ ০১:৫১:০২

ওষুধ শিল্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে মোকাবেলা করতে হবে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ

untitled-3

২০১৮ সালকে ওষুধ বর্ষ ঘোষণা করা হলেও, এ খাতের উন্নয়নে মডেল ফার্মেসি তৈরিতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সব উদ্যোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনে শিল্প পার্ক নির্মাণ, ওষুধের বিশ্বমান ধরে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবহার বন্ধসহ এ খাতে রয়ে গেছে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ।

ব্যবসায়ীদের দাবি, কাঁচামালের পাশাপাশি প্রস্তুতকৃত ওষুধে নগদ সহায়তা দিলে বাড়বে এ খাতের প্রবৃদ্ধি।

যখন নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পাট, চা, চামড়া, কিংবা মৎস্য রফতানি, তখন আশার আলো দেখাচ্ছে দেশের ওষুধ শিল্প। স্বাধীনতার পর থেকেই ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে এ খাতের প্রবৃদ্ধি। এ খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৯ শতাংশের উপর। যার অভ্যন্তরীণ বাজার ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

সম্ভাবনা বিবেচনায় বছরের শুরুতেই এ খাতের উন্নয়নে ওষুধকে প্রডাক্ট অব দ্যা ইয়ার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কোনো পণ্যকে বছরের পণ্য হিসেবে ঘোষণা করলে স্বাভাবিকভাবেই সেই শিল্পের প্রতি দেয়া হয় বিশেষ গুরুত্ব।

বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি দূতাবাসের তৎপরতা আর ওষুধ রফতানিতে নগদ সহায়তা পেলে, দেশের ওষুধ দিয়ে বিশ্ব জয় সম্ভব বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের কারিগরি বিভাগের পরিচালক মাহবুবুল করিম বলেন, 'আমরা ডাব্লিউএইচও'র স্বীকৃতি পেয়েছি। এসব স্বীকৃতি কিন্তু অতটা সহজে আসে না।'

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্তমানে সরকারি তালিকাভুক্ত ওষুধ কারখানা প্রায় ২৭০টি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধের বিশ্বমান ধরে রাখাই এ খাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ওষুধ বিশেষজ্ঞ মুনিরউদ্দিন আহম্মদ বলেন, 'ওষুধের গুণগত মানের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে।'

ওষুধ বিশেষজ্ঞ আ ব ম ফারুক বলেন, 'বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড থেকে একচুল সরা যাবে না। অন্যথায় প্রধানমন্ত্রীর ওষুধ বর্ষ ঘোষণার যে লক্ষ্য তা বাস্তবায়ন হবে না।'

আশির দশকেও যেখানে আশি শতাংশ ওষুধ আমদানি করতো বাংলাদেশ সেখানে এখন দেশের ৯৭ ভাগ চাহিদা মিটিয়ে বিশ্ববাজারে প্রায় দেড়শ'টি দেশে রপ্তানি হয় বাংলাদেশের ওষুধ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে অবশ্যই ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।'