SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাণিজ্য সময়

আপডেট- ২৯-০৫-২০১৮ ০৯:২১:১২

ঈদ কেনাকাটায় চামড়ার ব্যাগ ও বেল্টের বাজারও জমজমাট

eid-bag-belt

পছন্দের পোশাকের সাথে মিল রেখে ব্যবহারের ব্যাগটিও হবে আকর্ষণীয়। ঈদ সামনে রেখে তাই ভিড় বাড়ছে ব্যাগের দোকানে। দেশীয় পণ্যের মান নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ট থাকলেও ফ্যাশন নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। ছেলেদের বেল্ট আর ওয়ালেটের দোকানেও বাড়ছে ক্রেতা সমাগম। ১৫ রোজার পর থেকে বিক্রি আরো বাড়ার প্রত্যাশা বিক্রেতাদের। 

 


ফ্যাশন সচেতন তরুনীদের কাছে এ সময়ের অন্যতম আকর্ষণ ব্যাগ। নিজস্ব স্বত্বা আর পছন্দের ওপর নির্ভর করে এক একজনের ঝোক একেক ধরনের ব্যাগের প্রতি। তবে ঈদকে সামনে রেখে লাল, সাদা, মেরুন, গোলাপি, আকাশী, কালো সহ নানা রঙের ব্যাগের দিকে নজর রাখছেন ক্রেতারা। দাম আর মানের সাথে মিল রেখে অনেকে আবার ঈদের পোশাকের রঙের সাথে মিলিয়ে নিচ্ছেন প্রিয় ব্যাগটিকে।

এক কিশোরি জানায়, ‘গোলাপি রঙের পার্স পছন্দ হয়েছে, ওটা জামার সঙ্গে ম্যাচ হয়েছে। ওটা আমি নিয়ে যাব।’

এক তরুণী ক্রেতা বলেন, ‘কোয়ালিটি যদি ভালো হয়, তাহলে একবার কিনলেই অনেক বছর ব্যাগ টেকে।’ 

আরেক তরুণী জানান, ‘হালকা রং, যেমন অফ-হোয়াইট ও কালো রঙের ব্যাগ ভালো লাগে।’

সাত থেকে শুরু করে পনেরশ টাকার মধ্যেই মিলছে দেশীয় উপকরণ আর বুননে তৈরী দেশীয় ব্যাগগুলো কিনতে পারছেন ক্রেতার। আবার থাইল্যান্ড বা চীন থেকে আনা ব্যাগগুলো কিনতে গুনতে হচ্ছে পনের'শ থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত।

এক বিক্রেতা জানান, ‘এইবার বিজরেনসের অবস্থা খুব ভালো। পনেরশ থেকে ৩ হাজার টাকায় আপনি থাইল্যান্ডের ব্যাগগুলো পাবেন।  আমাদের লোকাল ব্যাগগুলোও মানসম্পন্ন।’

আরেক বিক্রেতা জানান, ‘কাস্টমস আমাদের মালগুলো কাটতে গিয়ে অনেকগুলেঅ মাল নষ্ট করে ফেলে।’ 

শুধু মেয়েরাই নয়, ছেলেদের ফ্যাশনে ঘড়ি, বেল্ট আর মানিব্যাগ ঈদ আনন্দে যোগ করে ভিন্নমাত্রা। তাই রুচির সাথে মিল রেখে ছেলেদের কেনাকাটাও কম-কিসে।

এক ক্রেতা বলেন, ‘একটা ওয়ালেট কিনলাম, এবার ঘড়ি কিনবো, এরপর বেল্ট, শার্ট কেনার আছে।’

এক বিক্রেতা জানান, ‘বাংলাদেশি যে চামড়ার বেল্টগুলো আছে, সেগুলি চলে। এছাড়াও চৌধুরী চামড়া আছে, সিটি চামড়া আছে, সেগুলোও চলে।’ 

বিদেশী পণ্যের চেয়ে দেশীয় পণ্যের মান নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্টির কথা জানালেও, পণ্যের নিখুত ডিজাইনের দিকে দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোকে নজর দেয়ার পরামর্শ তাদের।