SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাণিজ্য সময়

আপডেট- ২৩-০৩-২০১৮ ১১:৩৮:০৩

সবজিতে স্বস্তি, মাছের বাজার চড়া

bazar

রাজধানীর কাঁচাবাজারে দাম কমেছে সব ধরনের সবজির। গ্রীষ্মকালীন সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় দাম আরো কমার সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। সবজির দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি থাকলেও মাছের দামে অসন্তোষ ক্রেতাদের। তবে, বৃষ্টি হলে মাছের সরবরাহ বাড়বে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। মুরগির দাম কিছুটা বাড়লেও দাম কমেছে ডিমের। অপরিবর্তিত রয়েছে খাসি ও গরুর মাংসের দাম। 

 

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে একটু বাড়তি ভিড় কাঁচাবাজারে। সবুজ সবজির পশরা সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা। তাইতো পছন্দের পণ্যটি কিনতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটেন ক্রেতারা। বরাবর দামে নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকলেও এবার চিত্র ভিন্ন। স্বস্তি ফিরেছে সবধরনের সবজির দামে।

এক ক্রেতা জানান, ‘অন্য সময়ে যে অবস্থা থাকে, সেই তুলনায় বর্তমানে সহনীয় পর্যায়ে আছে সবজির দাম।’

আরেক ক্রেতা বলেন, ‘করলা কিনলাম, টমো কিনলাম। দাম ঠিকই আছে।’

একজন বলেন, ‘আমি শিম কিনেছি ৪০ টাকা কেজি। আগে ৬০ টাকা ছিলো।’

প্রতিটা গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। সরবরাহ বাড়ার সাথে সাথে দাম আরো কমবে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা।

এক বিক্রেতা বলেন, ‘সবজিরেএখন ভালোই সরবরাহ আছে। এজন্য দামটাও অনেকটাই কমের দিকে।’

আরেক বিক্রেতা জানান, ‘পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়শ ৫০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে ৬০ টাকা ছিলো। করলা এই সপ্তাহে ৫০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে ৬০ টাকা ছিলো।’ 

মাছের বাজারের চিত্র ভিন্ন। সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে নদী ও চাষের মাছের। তবে বৃষ্টি হলে সরবরাহ বাড়বে বলে আশাবাদ বিক্রেতাদের।

এক বিক্রেতা জানান, ‘কাল যে দাম ছিলো, বর্তমানে ১০০-১৫০ টাকা বেশি।’

আরেকজন বলেন, ‘এখন মাছের পেটে ডিম। বৃষ্টি হলে ডিমটা ছেড়ে দেবে।’

তবে জাটকা ধরা নিষিদ্ধ থাকায় বড় ইলিশের সরবরাহ বেড়ছে বাজারে। দাম কম থাকলেও ক্রেতা না থাকায় হতাশ বিক্রেতারা।

এক বিক্রেতা জানান, ‘ইলিশ মাছ ছোট নেই। বড় বড় মাছ অনেক বেশি। কিন্তু ক্রেতা নেই। এই বড় বড় মাছ ৪০০ টাকা পিস বেচি।’

গরু ৪শ' ৮০ ও খাসি ৭শ' ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও দাম বেড়েছে মুরগির মাংসের। তবে ৭ টাকা কমে ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়।