SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ২২-০৩-২০১৮ ১৩:৩৬:০৬

১২০ কোটি টাকার বাজেট চাইলো ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

budget

আগামী অর্থবছরের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ১২০ কোটি টাকার বাজেট চেয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ৩৯টি ফেডারেশনের জন্য এই বিরাট অঙ্কের বাজেট দেয়া হয়েছে।

 

নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়নের কথা মাথায় রেখেই এই প্রস্তাব করা হয়েছে। এমনটাই দাবি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদারের।

তবে, ফেডারেশনগুলোর বড় অঙ্কের বাজেট প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

দেশের খেলাধুলার উন্নয়নের পথে বড় বাধা অর্থ সংকট। বিভিন্ন সময় সরকারের কাছে ধরনা দেয় ফেডারেশনগুলো। কখনো অর্থ মেলে, কখনো মেলে না। মিললেও অর্থের সদ্ব্যবহার কতোটুকু হয়, তা নিয়েও আছে প্রশ্ন। বরং সংশ্লিষ্ট ফেডারেশন কর্তাদের পকেট ভারী করার খবরও শোনা যায়।

তবে, এবার একটা উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ফেডারেশনগুলোর জন্য মোট ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহ উদ্দিন বলেন, 'খালি স্টেডিয়াম বানানো না, ট্রেনিং, কোচিং সবমিলিয়ে। অর্থমন্ত্রীও এটাতে সম্মত হয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমার যতটুকু করার আমি করবো।'

বিওএ মহাসচিব শাহেদ রেজা বলেন, 'আমরা একটা যুব গেমস দেখলাম। সেটা করতে আমাদের লাগলো বিশ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে আমি উনাদের অনুরোধ করেছি আলাদাভাবে বিবেচনা করার জন্য।'

বাজেট চেয়ে চিঠি দিলে যেন ফেডারেশন কর্তাদের ঘুম ভাঙে। কার্যক্রম থাকুক বা না থাকুক, বিরাট অঙ্কের বাজেট প্রস্তাব করেছে বেশিরভাগ ফেডারেশনই। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য ফুটবল ফেডারেশন চেয়েছে ২০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে আগামী ৫ বছরের জন্য ১১৯ কোটি। আগামী অর্থ বছরের জন্য হকি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে চাওয়া হয়েছে ৬ কোটি টাকা।

এছাড়া, হ্যান্ডবল পৌনে ৬ কোটি, রাগবি পৌনে ৫ কোটি এবং আর্চারি, টেবিল টেনিস ও কারাতে ৩ কোটি করে টাকা চেয়েছে। এমনকি সারা বছর সাড়া-শব্দহীন খো খো ফেডারেশনের চাওয়া সাড়ে ৩ কোটি।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বলেন, 'আমাদের মূল বাজেটের মধ্যেই আমাদের একটা বরাদ্দ থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ, অংশগ্রহণ এবং আয়োজন-এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আমরা চাচ্ছি যে, একটা রেগুলোর বাজেট বরাদ্দ করা হোক।'

ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য আগের বছর ৫০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেয়ার পর, নির্মাণ কাজে বেশ তৎপর হয়ে উঠেছিলো ফেডারেশনগুলো। খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ বাবদ অর্থ ব্যয়ে কোনো প্রকার আগ্রহই দেখানো হয়নি। তাই এবার সেই বরাদ্দের দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ প্রস্তাব কতোটুকু যৌক্তিক তা ভেবে দেখা উচিত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের।