SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১৩-০৩-২০১৮ ১৮:৪৭:২৩

'পাইলটের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা দুঃখজনক'

abid

নেপালের কাঠমাণ্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। লাশ শনাক্তের পর যত দ্রুত সম্ভব নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে জানিয়েছে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স।

 

এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ বলছে, অবতরণে ক্ষেত্রে পাইলটের কোনো গাফিলতি ছিল না।

এদিকে নিহত পাইলট ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানের পরিবার জানান, দুর্ঘটনার পর তদন্ত চলাকালীন আবিদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা দুঃখজনক।

ঘরের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে পুরো ঘরজুড়ে এখন শুধুই হাহাকার, অপেক্ষা নিথর দেহের। আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ যেনো আরো কঠিন করে তুলছে এই সময়। সোমবার রাত পর্যন্তও স্বজনদের আশা ছিলো ফিরে আসবেন আবিদ সুলতান। কিন্তু সে অপেক্ষা শেষ হলো তার মৃত্যুর খবরে।

কিন্তু বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যা দুঃখজনক বলে জানান তার পরিবার।

পরিবারের এক সদস্য বলেন, 'কোন ঘটনা ঘটার পর সেটার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মিডিয়াতে এই ধরণের কথা আসা উচিৎ না যে, আবিদ একজন অদক্ষ পাইলট ছিলেন।'

ইউএস বাংলার তথ্য অনুযায়ী পাইলট ক্যাপ্টেন আবেদ সুলতানের ৫ হাজার ঘন্টার বেশি ফ্লাই করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া দুর্ঘটনাস্থল ত্রিভূবন বিমানবন্দরে শতাধিক বার অবতরণের অভিজ্ঞতা ছিল তার।

ইউএস বাংলার মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, 'ক্যাপ্টেন আবিদ খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন। উনি আর বেচে নেই। আমরা সেখানকার কন্টোলরুম এবং ক্যাপ্টেনের তিন মিনিটের কথোপকথনের যে রেকর্ড শুনেছি তাতে নিশ্চিতভাবে ক্যাপ্টেনের কোন ত্রুটি খুঁজে পাইনি। কারণ, উনি এই এয়ারক্রাফ্টে তিনি ১৭ হাজার ঘন্টা ফ্লাই করেছেন। একই সঙ্গে ৫ হাজার ঘন্টা বাংলাদেশের এভিয়েশনে কাজ করেছেন, ফ্লাই করেছেন।'

মঙ্গলবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ জানায়, জানান, যাত্রীদের পাশাপাশি যারা ইউএস বাংলার পাইলট- ক্রু এবং কর্মীরা ছিলেন এভিয়েশনে নীতি অনুযায়ী তাদের সহায়তার ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের নাম উল্লেখ করেন কামরুল ইসলাম। তারা হলেন- নরভিক হসপিটালে আছেন ইয়াকুব আলী, ওম হসপিটালে আছেন রেজোয়ানুল হক। আর কাঠমুন্ডু মেডিকেলে কলেজ হসপিটালে আছেন, শাহিন আহমেদ, শাহীন ব্যাপারী, মেহেদী হাসান, মিসে. ইমরান কবির হাসি, সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, শেখ রাশেদ রুবায়েদ, মিসে. আলিমুন্নাহার অনি এবং মো. কবির হোসেন।'

যাত্রীদের পাশাপাশি যারা ইউএস বাংলার পাইলট, ক্রু এবং কর্মীরা ছিলেন, এভিয়েশনের নীতি অনুযায়ী তাদের সহায়তায় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ।

 

জীবিত নয় এখন মৃত লাশের অপেক্ষায় ক্যাপ্টেন আবিদের পরিবার ! | Pilot Abid Sultan | Somoy Tv (ভিডিও)