SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১০-০২-২০১৮ ০৭:১৯:১৫

রায়ের পর খালেদা জিয়া ও বিএনপির জনপ্রিয়তা বেড়েছে?

khale

বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডে বিএনপি মর্মাহত হলেও সাংগঠনিকভাবে মোটেই দুর্বল হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন শীর্ষ নেতারা। তারা বলছেন, এ ঘটনায় বেগম জিয়া ও বিএনপি'র জনপ্রিয়তা বেড়ে গেছে বহুগুণ।

জনসমর্থনকে কাজে লাগিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনেই আশার আলো দেখছেন দায়িত্বশীল নেতারা।

সব জল্পনা-কল্পনা শেষে বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। এ মামলায় অর্থআত্মসাতের দায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ৬ জনকেই সাজা দেয়া হয়।

ঘোষণার পর থেকেই এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করছেন বিএনপি'র শীর্ষ নেতারা। তাদের অভিযোগ, বেগম জিয়া ও বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্যই দেয়া হয়েছে এমন রায়।

শীর্ষ-ব্যক্তি কারাগারে যাওয়ায় মর্মাহত দলের নেতাকর্মীরা। প্রশ্ন উঠেছে, এতে কি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হলো বিএনপি?

মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, তারা ভেবেছেন খালেদা জিয়া জেলে ঢুকলেই বিএনপি দুর্বল হয়ে যাবে। তাদের এই ধারণা ঠিক নয়। খালেদা জিয়া ও বিএনপির জনপ্রিয়তা আরো বেড়েছে।

বেগম জিয়ার অনুপস্থিতিতে দলে নেতৃত্ব সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই বলেও জানালেন শীর্ষ-নেতারা। এখন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই দেবেন প্রয়োজনীয় নির্দেশনা।

মেজর (অব) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ করেই তিনি লন্ডন থেকে নির্দেশনা দেবেন। দল সেটি পালন করবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটা একটা রাজনৈতিক দল। এখানে স্তরে স্তরে নেতৃবৃন্দ আছে। যখন যাদের যে ভূমিকা রাখার তারা সে ভূমিকা রাখবে। উনার অনুপস্থিতিতে তারেক রহমান সেই ভূমিকা পালন করবে।

রায় ঘোষণার পর শুক্রবার রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করে বিএনপি। নির্বাচনকে সামনে রেখে সহিংসতা নয়, এমন শান্তিপূর্ণ আন্দোলনেই থাকতে চায় দলটি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথে আমরা চলছি। সেই পথেই আমরা চলবো।

শুধু আন্দোলন নয়, মামলা মোকাবিলায় আইনি লড়াইও সমানতালে চালিয়ে যাওয়ার কথাই জানালেন শীর্ষ নেতারা।