x
সময় সংবাদ
আপডেট
২১-১১-২০১৭, ১১:২৭

করুন বেদানা চাষ, হন লাখপতি

করুন বেদানা চাষ, হন লাখপতি
বেদানার ইংরেজি নাম পমেগ্রেনেট (pomegranate)। সংস্কৃত এবং নেপালি ভাষায় বলা হয় দারিম। বেদানা গাছ গুল্ম জাতীয়, ৫-৮ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাকা ফল দেখতে লাল রঙের হয় । ফলের খোসার ভিতরে স্ফটিকের মত লাল রঙের দানা দানা থাকে । সেগুলি খাওয়া হয় ।

বেদানার আদি নিবাস ইরান এবং ইরাক। ককেশাস অঞ্চলে এর চাষ প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। সেখান থেকে তা ভারত উপমহাদেশে বিস্তার লাভ করেছে। [১] বর্তমানে এটি তুরস্ক, ইরান, সিরিয়া, স্পেন, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, আফগানিস্তান, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরাক, লেবানন, মিশর, চীন, বার্মা, সৌদি আরব, ইসরাইল, জর্ডান, ফিলিপাইন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শুস্ক অঞ্চল, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, দক্ষিণ ইউরোপ এবং ক্রান্তীয় আফ্রিকায় ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

বেদানা আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসায় পৈথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিউটেলিক এসিড, আরসোলিক এসিড এবং কিছু আ্যলকালীয় দ্রব্য যেমন- সিডোপেরেটাইরিন, পেপরেটাইরিন, আইসোপেরেটাইরিন, মিথাইলপেরেটাইরিন প্রভৃতি মূল উপাদান থাকায় ইহা বিভিন্ন রোগ উপশমে ব্যবহৃত হয়। কবিরাজী মতে ডালিম হচ্ছে হৃদয়ের শ্রেষ্ঠতম হিতকর ফল। এ ফল কোষ্ঠ রোগীদের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়। গাছের শিকড়, ছাল ও ফলের খোসা দিয়ে আমাশয় ও উদরাময় রোগের ওষুধ তৈরি হয়। ইহা ত্রিদোষ বিকারের উপশামক, শুক্রবর্ধক, দাহ-জ্বর পিপাসানাশক, মেধা ও বলকারক, অরুচিনাশক ও তৃপ্তিদায়ক।

আমাদের দেশেও বাণিজ্যিক ভাবে ভেদানার চাষ শুরু হয়েছে। অনেক কৃষক বেদানা চাষ করে ভাগ্য ফিরিয়েছেন।

বেদানা চাষ পদ্ধতি:

বেদানা গাছ বেশ সহনশীল বলে অনুর্বর মাটিতেও এটি সহজেই জন্মায়। নিয়মিত পরিচর্যা নিলে ডালিম গাছ থেকে সারা বছর ফল পাওয়া যায়। বাংলাদেশে বেদানার চাহিদা ও বাজার মূল্যও বেশ ভালো। আয়ের দিক থেকে বিবেচনা করলে অন্য যেকোন ফলের তুলনায় ডালিমের চাষাবাদ কোন অংশেই কম নয়। কেননা, ডালিমের মূল্য বেশি হওয়ায় মধ্যম আকৃতির একটি বেদানা গাছ থেকে বছরে ৩০০০-৪০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করা যেতে পারে। তাই বাংলাদেশে বেদানার চাষাবাদ বেশ লাভজনক ও সম্ভাবনাময়।


বংশবিস্তার:
 
বীজ, শাখা কলম, গুটি কলম ও শেকড়-সাকারের সাহায্যে বেদানার বংশবিস্তার হয়ে থাকে। এছাড়া বীজ থেকে সহজেই বেদানার  চারা উৎপাদন করা যায়। তবে বীজ থেকে উৎপাদিত গাছে মাতৃগুণাগুণ ও ফলের গুণগতমান বজায় থাকে না।বেদানার চারা উৎপাদনের সবচেয়ে সহজ ও সাধারণ পদ্ধতি হচ্ছে শাখা কলম পদ্ধতি। এপদ্ধতিতে কলম তৈরির জন্য এক বছর পূর্ণ বয়সের শক্ত ডাল নির্বাচন করতে হবে যা দৈর্ঘ্যে ২৫-৩০ সেন্টিমিটার হতে হবে। গুটিকলম পদ্ধতিতেও ডালিমের চারা উৎপাদন করা যায়। কাটিং বা শাখা কলম এর নিচের অংশ ২০০০ পিপিএম ইনডোল অ্যাসেটিক অ্যাসিড (IBA) বা ৩০০০ পিপিএম ইনডোল বিউটিরিক অ্যাসিড (IBA)-এর পানির মিশ্রণে চুবিয়ে নিলে সবচেয়ে ভালো হয় কেননা, এতে শিকড় গজানোর হার ত্বরান্বিত হয়। গুটিকলম পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে শিকড় গজানোর হার ত্বরান্বিত করার জন্য ১০,০০০ পিপিএম (IBA) এর পানির মিশ্রণ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
 
জাত:
বাংলাদেশে বেদানার কোন নির্দিষ্ট অনুমোদিত জাত নেই। বাংলাদেশে যেসব বেদানার গাছ দেখা যায় তার অধিকাংশই বীজ থেকে উৎপাদিত গাছ। তবে ভারতে বেদানা বেশ কিছু জাত রয়েছে যেমন- ঢোল্‌কা, ভাদকি ও জিবিজিআই, পেপার শেল, মাসকেড রেড, বেদানা ও কান্ধারী। ঢোল্‌কা জাতের ফলের শাঁস সাদা ও বীজ নরম। অন্যদিকে ভাদকি ও জিবিজিআই জাতের শাঁস গোলাপি ও বীজ শক্ত। এছাড়া বিভিন্ন দেশে ডালিমের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ জাত হচ্ছে স্পেনিশ রুবী।


জমি নির্বাচন ও তৈরি:


বেদানা চাষের জন্য বর্ষা মৌসুমে পানি জমে থাকে না এমন উঁচু থেকে মাঝারি নিচু জমি নির্বাচন করতে হবে। বেদানা জন্য উন্মুক্ত জায়গা একান্ত প্রয়োজন। বেদানা স্থানে ডালিম গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং ফলন কম হয়। চারা রোপণের আগে জমি তে ভালোভাবে আড়াআড়ি চাষ দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে।

রোপণ পদ্ধতি ও রোপণের সময়:
বেদানা গাছ বর্গকার বা ষড়ভূজাকার পদ্ধতিতে রোপণ করা যেতে পারে। চারা রোপণের উপযুক্ত সময় হচ্ছে জুন-জুলাই মাস।

রোপণ দূরত্ব:
বাগান আকারে বেদানা চাষ করতে হলে ৫ মিটার দূরত্বে গাছ লাগাতে হবে।

মাদা তৈরি:

বর্গকার বা ষড়ভূজাকার পদ্ধতিতে জমির নকশা তৈরির পর নির্দিষ্ট দূরত্বে ৬০দ্ধ৬০দ্ধ৬০ সেন্টিমিটার মাপের মাদা বা গর্ত তৈরি করতে হবে। গর্ত তৈরির পর থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত গর্তটিকে রোদে শুকানোর পর গর্ত পিছু ১৫-২০ কেজি পচা গোবর বা আবর্জনা সার মাটির সাথে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করতে হবে। গর্ত ভরাটের অন্তত ১৫ দিন পর সেখানে গাছ লাগাতে হবে।

চারা/কলম রোপণ ও পরিচর্যা:

গর্তের মাঝখানে চারা বসিয়ে চারাটিকে সোজা রাখার জন্য একটি কাঠি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। তারপর গোড়ার মাটি হাতের সাহায্যে চাপ দিয়ে শক্ত করে চেপে দিতে হবে। রোপণের পর চারার গোড়ায় নিয়মিত পানির সেচ দিতে হবে। গরু বা ছাগলে যাতে গাছ নষ্ট করতে না পারে তার জন্য বাগানের চারদিকে বেড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

গাছে সার প্রয়োগ:

চারা লাগানোর আগে গর্তে সার প্রয়োগ ছাড়াও প্রতি বছর গাছে নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে। এক বছর বয়সের প্রতিটি গাছে ১০ কেজি গোবর সার ১২৫ গ্রাম ইউরিয়া ১২৫ গ্রাম ট্রিপুল সুপার ফসফেট ও ১২৫ গ্রাম মিউরেট অব পটাশ সার প্রয়োগ করতে হবে এবং প্রতি বছর সারের মাত্রা কিছু কিছু বাড়াতে হবে এভাবে একটি পূর্ণ বয়স্ক গাছের সারের মাত্রা হবে ৬০ কেজি গোবর সার, ১.৫ কেজি ইউরিয়া, ১.৫ কেজি ট্রিপল সুপার ফসফেট ও ১.৫ কেজি মিউরেট অব পটাশ। উপরোক্ত পরিমাণ সার দুভাগে ভাগ করে একভাগ জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাসে ও আরেক ভাগ আশ্বিন-কার্তিক মাসে গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করতে হবে।

আগাছা দমন:

বেদানার চাষাবাদ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া একান্ত প্রয়োজন। বেদানা গাছের গোড়ায় যেন কোন আগাছা লেগে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য নিয়মিতভাবে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।  

পানি সেচ ও নিষ্কাশন:

ফলন্ত গাছে নিয়মিত হাল্‌কা সেচ দিতে হবে। গাছের গোড়ার মাটি কখনই বেশি শুকনো বা পানি জমে থাকবে না। ছোট অবস্থায় ও সার প্রয়োগের পর মাটিতে পর্যাপ্ত রস না থাকলে অবশ্যই সেচ দিতে হবে।

ডাল ছাঁটাই:

বেদানা গাছ ঘন শাখা-প্রশাখা যুক্ত বেশ ঝোপালো গাছ তাই একে নিয়মিত ছাঁটাই করা একান্ত প্রয়োজন। বেদানা গাছের একটি কাণ্ড এবং তার সাথে ৪-৬ টি প্রধান শাখা গাছের সুঠাম কাঠামো তৈরিতে যথেষ্ট। এজন্য ছোট অবস্থায় জমি থেকে এক মিটার উপরে গাছের মাথা কেটে দিতে হয়। জমি থেকে দেড় ফুট উপরে ৪-৬ টি প্রধান শাখাকে মূল কাণ্ডের সাথে সমতা রেখে বাড়তে দিতে হয়। ছয় মাস পরে দেড় ফুট করে রেখে প্রধান শাখাগুলোকে ছেঁটে দিতে হয়। এভাবে নিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে দিলে গাছের রূপ নিতে ৩-৪ বছর সময় লাগবে। বেদানা গাছের কাণ্ড ও প্রধান শাখা থেকে উৎপন্ন ডাল এবং শিকড় থেকে উৎপাদিত সাকার নিয়মিত ছেঁটে দেয়া দরকার। কারণ এগুলো থাকলে গাছের ফলন কমে যায়। যেহেতু ডালিম গাছের পুরাতন ডাল থেকে উৎপন্ন ছোট শাখার মাথায় ফুল আসে সেহেতু নতুন শাখা বের করার জন্য ফলন্ত গাছকে মাঝে মধ্যে ছেঁটে দিতে হয়।

বিশেষ পরিচর্যা:
ডালিম গাছে সারা বছরই কিছু না কিছু ফুল আসে। তবে সব সময়ের ফুল থেকে ফল উৎপন্ন হয় না। বসন্তকালে যে ফুল হয় সেই ফুল থেকে গ্রীষ্মকালের ফল হয় যদিও এই ফলের মান খুব একটা ভালো হয় না। বর্ষার শুরুতে যে ফুল আসে এবং সেই ফুল থেকে যে ফল হয় তা কার্তিক অগ্রহায়ণ মাসে সংগ্রহের উপযুক্ত হয় এবং এ ফলের মান বেশ ভালো হয়। তাই বর্ষার শুরুতে ফুল আনার জন্য পৌষ মাস থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত গাছের বিশেষ পরিচর্যা নিতে হয়। এই সময়ে গাছে পানির সেচ দেয়া বন্ধ রাখতে হয় ফলে গাছের বৃদ্ধি বন্ধ থাকে। চৈত্র মাসে গাছে সেচ দিতে হয় এবং কোদাল দিয়ে কুপিয়ে গাছের গোড়ার মাটি আল্‌গা করে দিতে হয়। চৈত্র মাসে গাছের পাতা ঝরে যায় ও বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত গাছ ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে। বর্ষা শুরু হওয়ার আগে দু-একটা সেচ দিলে ভালো হয়। বর্ষা শুরু হওয়ার সাথে সাথে গাছের বদ্ধি ও ফুল ফল ধারণ শুরু হয় এবং কার্তিক অগ্রহায়ণ মাসে এই ফল সংগ্রহের উপযুক্ত হয়।

আন্তঃফসল চাষ:

ডালিম গাছ সাধারণত ৪-৬ বছর বয়সের আগে স্বাভাবিক ফলন দেয় না। তাই ৪-৬ বছর বয়স পর্যন্ত সময়ে ডালিম বাগানের ফাঁকা জায়গায় সহজেই অন্তর্বর্তী ফসল চাষ করা যেতে পারে। অন্তর্বর্তী ফসল হিসেবে নানা প্রকার শাকসবজি ও ডালজাতীয় ফসল যেমন ছোলা, মুগ, মসুর মাসকালাই প্রভৃতি চাষ করা যেতে পারে।

ডালিমের রোগবালাই ও পোকা ব্যবস্থাপনা:

পোকা ও তার প্রতিকার

ডালিমের প্রজাপতি বা ফলছিদ্রকারী পোকা
ডালিম ফলের মারাত্মক শত্রু হচ্ছে ডালিমের প্রজাপতি বা ফলছিদ্রকারী পোকা। এই প্রজাতির শূঁককীট ফলের ক্ষতি করে থাকে। স্ত্রী প্রজাপতি ফুলের বৃস্তৃতি ও ছোট ফলের ওপর ডিম পাড়ে। ডিম থেকে শূঁককীট বের হয়ে বর্ধনশীল ফলে ছিদ্র করে ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং ফলের বীজ ও অন্যান্য অংশ খেয়ে ফেলে। পরে মূককীটে পরিণত হওয়ার পূর্বে ফলের ত্বকে গোলাকার ছিদ্র করে ফল থেকে বের হয়ে আসে। এই পোকায় আক্রান্ত ফলে মাধ্যমিক সংক্রমণ হিসেবে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হতে পারে।

প্রতিকার
আক্রান্ত ফল গাছ থেকে পেড়ে বা মাটিতে পড়ে থাকা ফল কুড়িয়ে নষ্ট করে ফেলতে হবে।
গাছে ফলধারণের পর ফলের বৃদ্ধি শুরু হলে কাপড় বা পলিথিন বা বাটার কাগজ দিয়ে বৃদ্ধিমান ফল ব্যাগিং করে দিলে এ পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে ম্যালাথিয়ন বা কার্বরিল বা ফস্‌ফামিডন গ্রুপের কীটনাশক দিয়ে ১৫ দিন অন্তর অন্তর গাছে ও ফলে সেপ্র করতে হবে।

কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা
কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা সাধারণত পরিচর্যাবিহীন গাছে আক্রমণ করে থাকে। এই পোকার শূঁককীট রাতের বেলা কাণ্ড ও শাখার ছাল ছিদ্র করে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ভেতরের অংশ খেতে থাকে। দিনের বেলা ডালের গর্তের মধ্যে এরা লুকিয়ে থাকে ও বর্জ্য পদার্থ ত্যাগ করে। কাণ্ড বা শাখায় ছোট ছোট ছিদ্র বা বর্জ্য পদার্থ দেখে এ পোকার আক্রমণ লক্ষ করা যায়।

প্রতিকার
গর্তের মধ্যে সরু তার ঢুকিয়ে পোকার কীড়াকে খুঁচিয়ে মারার ব্যবস্থা করতে হবে।
গর্ত থেকে এ পোকার কীড়ার বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কার করে গর্তে ইনজেকশনের সিরিঞ্জ বা তুলার সাহায্যে কেরোসিন বা পেট্রোল ঢুকিয়ে কাদা দিয়ে গর্ত বন্ধ করে দিলে পোকা মারা যাবে।

রস শোষণকারী পোকা
ছাতা পোকা, সাদা মাছি, শুল্ক বা আঁশ পোকা, থ্রিপস, জাব পোকা ও মাকড় ডালিমের রস শোষণকারী পোকা হিসেবে চিহ্নিত। এসব পোকার আক্রমণে পাতা, মুকুল, ফুল ও ছোট ফল খসে পড়ে। সাদা মাছি ও জাব পোকা পাতা ও কচি ডগার রস চুসে খায় ফলে আক্রান্ত অংশ বিবর্ণ ও বিকৃত হয়ে যায়। এছাড়া এসব পোকা দেহ থেকে এক ধরনের মধু নিঃসৃত করে যা পাতায় লেগে থাকে। পরে পাতার গায়ে এই নিঃসৃত মধুর ওপর এক প্রকার ছত্রাক জন্মায়। ফলে গাছের খাদ্য তৈরি প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়। মাকড় ও থ্রিপস পোকা পাতা, ফুলের বোঁটা, বৃতি ও দলমণ্ডলে ক্ষত করে এবং ক্ষত থেকে বের হওয়া কোষরস খায়। ফলে পাতার আগা কুঁকড়ে যায় এবং ফুল ঝরে যাওয়ায় ফলধারণ বিঘ্নিত হয়।

প্রতিকার
ছাতা পোকা ও শুল্ক পোকার কীট দমনের জন্য আক্রমণের প্রথম অবস্থায় আক্রান্ত অংশ কেটে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। এর পর প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে মনোক্রোটোফস বা ডায়াজিনন গ্রুপের কীটনাশক মিশিয়ে গাছে সেপ্র করতে হবে।

জাব পোকা বা সাদামাছি দমনের জন্য প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে ডাইমিথয়েট বা আধা মিলিলিটার হারে ফসফামিডন বা ডায়াজিনন গ্রুপের কীটনাশক মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর অন্তর গাছে দুই বার সেপ্র করতে হবে।
মাকড় দমনের জন্য প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে কেলথেন বা দুই গ্রাম হারে সালফার ছত্রাকনাশক মিশিয়ে গাছে সেপ্র করতে হবে।

রোগবালাই ও প্রতিকার

ফলের দাগ রোগ
এটি একটি ছত্রাকঘটিত রোগ। এ রেগে আক্রান্ত ফলের ওপর ছোট ও অনিয়মিত দাগ পড়ে। দাগগুলোর চারিদিকে সবুজ হলদে দাগ থাকে। পরবর্তীতে দাগগুলো লম্বা দাগে পরিণত হয় এবং ফলের খোসার নিচের বীজগুলো বাদামি বর্ণের হয়ে যায়। আক্রান্ত ফলের গুণাবলী নষ্ট হয়ে যায় এবং ফলের বাজার মূল্য কমে যায়।

প্রতিকার

রোগাক্রান্ত অংশ কেটে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম হারে মেনকোজেব বা ১ গ্রাম হারে কার্বান্ডিজম ছত্রাকনাশক গুলে ১০ দিন অন্তর অন্তর ৩-৪ বার ফলে ও গাছে ভালোভাবে সেপ্র করতে হবে।

ফল পচা রোগ

ছত্রাকঘটিত এ রোগটি সাধারণত বর্ষাকালে দেখা যায়। এ রোগের জীবাণু দ্বারা ফুল আক্রান্ত হলে ফলধারণ বিঘ্নিত হয় এবং কচি ফল ঝরে যায়। ফলের গায়ে, বিশেষ করে বোঁটায় হলদে বা কালো দাগ দেখে এ রোগের আক্রমণ বোঝা যায়। এরোগের আক্রমণে ফলের খোসা কুঁচকে যায় ও ফলের ওজন কমে যায়। আক্রান্ত ফল কাঁচা থাকে, আকার ছোট হয় ও ফলের চাকচিক্য নষ্ট হয়ে যায় এবং শেষে ফল নরম হয়ে পচে যায়।

প্রতিকার
এ রোগের প্রতিকার ফলের দাগ রোগের প্রতিকারের অনুরূপ।

ফল ফেটে যাওয়া

ডালিমের ফল ফেটে যাওয়া একটি মারাত্মক সমস্যা। এটি কোন ছত্রাকজনিত রোগ নয়। এটি সাধারণত পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত কারণে বা মাটিতে রসের তারতম্যের কারণে হয়ে থাকে। ফলের বৃদ্ধির সময় শুকনো আবহাওয়ায় মাটিতে রসের অভাব দেখা দিলে ফলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং ফলের ত্বক শক্ত হয়ে যায়। এরপর হঠাৎ বৃষ্টি হলে মাটিতে রসের আধিক্য ঘটে, ফলে ফলের ভেতরের অংশ দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পায় এতে ভেতরের চাপ সহ্য করতে না পেরে ফলের খোসা ফেটে যায়।

প্রতিকার
ফলধারণের পর থেকে ডালিম গাছে ঘন ঘন পানি সেচ দিতে হবে।
মাটিতে বোরনজনিত সার যেমন বোরিক এসিড গাছপ্রতি ৪০ গ্রাম হারে মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া ফলের বৃদ্ধির সময় প্রতি লিটার পানিতে পাঁচ গ্রাম হারে বোরিক এসিড এর মিশ্রণ ১০ দিন অন্তর অন্তর ফলে ও গাছে সেপ্র করতে হবে।

ডালিমের যেসব জাতে ফল ফাটা সমস্যা নেই সেসব জাত চাষাবাদ করতে হবে।

ফল সংগ্রহ:

কলমের গাছে ৩-৪ বছর থেকেই ফলন শুরু হয়। ফুল আসার পর থেকে ফল পাকা পর্যন্ত ৬ মাস সময় লাগে। পুষ্ট ফলের খোসার রঙ হলদে-বাদামি হয়ে এলেই ফল পাড়ার উপযুক্ত হয়। গাছে ফল বেশি দিন রেখে দিলে ফল ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফল ফেটে যাওয়া জাতের ওপর নির্ভরশীল। যেসব গাছে ফল ফেটে যাওয়ার প্রবণতা থাকে সেসব গাছের ফল পুষ্ট হওয়ার কিছু আগেই পেড়ে নিতে হয়। তবে অপুষ্ট ফলের স্বাদ ও গুণাগুণ খুব একটা ভালো হয় না। ডালিমের খোসা বেশ শক্ত এজন্য পাকা ফল অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায় এবং পরিবহনেও নষ্ট হয় না।

ফলন:

ডালিম গাছ চার-পাঁচ বছর বয়স থেকে ফল দিতে শুরু করে। তবে শুরুর দিকে ফলন তেমন একটা আশানুরূপ হয় না। সাধারণত ৮-১০ বছর বয়স থেকে ডালিম গাছ ভালো ফলন দিয়ে থাকে। প্রথম ফল ধরার সময় গাছপ্রতি ২০-২৫টির বেশি ফল পাওয়া যায় না। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ফলন বাড়তে থাকে। দশ বছর বয়সের গাছে গড়ে ১০০-১৫০ টি ফল ধরে। তবে ভালো পরিচর্যা নিলে গাছপ্রতি ২০০-২৫০টি ফল পাওয়া যেতে পারে। একটি ডালিম গাছ ত্রিশ বছর পর্যন্ত লাভজনক ফলন দিয়ে থাকে।

 

এসএস

 



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৭৭৭৩৯৭ ৪৭১০৩ ৭১৮২৪৯ ১২০৪৫
বিস্তারিত
সবার আগে পরিকল্পনা সাজিয়ে ফেলল মোহামেডান দুর্দান্ত অধিনায়ক হয়েও যাদের ঝুলিতে নেই আইসিসির ট্রফি! এক ম্যাচ পরই হারের মুখ দেখলো লিগ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘর্ষ: রাতে পাল্টাপাল্টি তীব্র হামলা ইসরায়েলি হামলায় গাজায় কোভিড পরীক্ষা বন্ধ ঢাকায় আসছেন ভলকান বাজকির ইসরায়েলি হামলায় পশ্চিম তীরে ২৪ ফিলিস্তিনি নিহত দুর্গম এলাকা থেকে অপহৃত ১০ বাংলাদেশি উদ্ধার বিশেষ অনুমতিতে অনুশীলন করবেন লঙ্কানরা দ. আফ্রিকায় নিরাপত্তাহীনতায় ৫ হাজার বাংলাদেশি সাংবা‌দিক রো‌জিনার মুক্তির দাবি যুক্তরাজ্যে খেলা শেষে মাঠেই ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন পগবা-দায়ালো ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লিসবনে বিক্ষোভ ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’, চলতি সপ্তাহেই আঘাত হানতে পারে সুন্দরবনে ধ্বংসস্তূপের নগরী এখন গাজা, নিহত বেড়ে ২১৭ ধর্ষণের চেষ্টা করে লোমহর্ষক ছিনতাই, দেড় কিলোমিটার ধাওয়া করে গ্রেপ্তার মোহামেডানের হয়ে অধিনায়কত্ব করবেন সাকিব বজ্রপাতে একদিনে ১৬ জন নিহত অনুশীলনে ফিরলেন সাকিব-মুস্তাফিজ এবার ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ালেন মুশফিক ভারত থেকে দেশে ফিরলেন করোনা রোগীসহ ৭২ বাংলাদেশি মানিকগঞ্জে বজ্রপাতে নিহত ২ রোজিনা ইসলামের ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে আইনমন্ত্রীর আশ্বাস কুমিল্লায় গৃহবধূরকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী পলাতক ফরিদপুরে বজ্রপাতে নারীসহ ৪ জনের মৃত্যু ইসরায়েলকে হামলা বন্ধ করতে বলল পেন্টাগন দুর্নীতির খবর প্রকাশ করায় সময় টিভির সাংবাদিক আফজালের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ‘ফেক নিউজ’ শেয়ার করলে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করবে ফেসবুক! ইসরায়েলের আয়রন ডোমের গোপন তথ্য জানে চীন! দেশে আসছে ফাইজারের টিকা কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ধর্ষণের শিকার সেই নারীর আত্মহত্যাচেষ্টা দেশের শীর্ষ তিন মোবাইল ব্র্যান্ডের একটি রিয়েলমি লকডাউনে বিয়ের আয়োজন, কনেপক্ষসহ ডেকোরেটর মালিককেও জরিমানা পুরস্কার জিতল বিটিআরসি ভারতীয়রা কেন ইসরায়েলকে সমর্থন করছে? গাজাকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেবে মিসর ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার নেবে সাউথইস্ট ব্যাংক রোজিনার মুক্তি চাইলেন কুদ্দুস বয়াতী রোজিনাকে হেনস্তার ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে যমজ দুই ভাইয়ের মৃত্যু আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরির সুযোগ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দ্রুত পেতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জনবল নেবে টিআইবি যুক্তরাজ্যের ১২৭ এলাকায় করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট জেনারেল ম্যানেজার নেবে সোনালী ব্যাংক রোজিনার প্রতি আচরণ, সাংবাদিকতার টুঁটি চেপে ধরার শামিল: টিআইবি লিবিয়ায় নৌকাডুবি: ৩৩ বাংলাদেশি উদ্ধার, নিখোঁজ ৫০ স্বেচ্ছায় কারাবরণ আবেদন নিয়ে থানায় সাংবাদিকরা আশ্রম থেকে মুক্তি, ৫ বছর পর মাকে ফিরে পেল ভাইরাল পথশিশু মারুফ রোজিনার বিরুদ্ধে মামলা, অশুভ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ: সম্পাদক পরিষদ ৬০ বিমান নিয়ে হামাসের ‘সুড়ঙ্গপথ’ ধ্বংস করল ইসরায়েল সাংবাদিক রোজিনার পক্ষে আবদুল গাফফার চৌধুরীসহ ১১ নাগরিকের বিবৃতি সাংবাদিকদের নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফ জয়ের প্রেমিকা হয়ে আসছেন অপু বিশ্বাস ইসরায়েলে হামাসের রকেট হামলা, নিহত ২ ডিসির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে যা বললেন সেই নারী কোয়ারেন্টাইনে ধর্ষণে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে বাঁচাতে দুর্বল এজাহার! বাড়ছে না আবেদন ফি, আগের নিয়মেই জাবির ভর্তি পরীক্ষা ফিলিস্তিনিদের অধিকার স্বীকৃতি না দিলে শান্তি মিলবে না: তুরস্ক বাংলা একাডেমির সভাপতি হলেন ড. রফিকুল ইসলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন সাংবাদিক নেতারা জুনে স্কুল-কলেজ খুলতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় নাটোর জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু যুদ্ধ বন্ধে কোনো আলোচনাই কাজে আসবে না: ইসরায়েল ইসরায়েলের হাইফায় গ্যাস ফিল্ডে অগ্নিকাণ্ড জীবনের কথায় ইলমার প্রথম মৌলিক গান সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের পাশে তারকারাও মাথাপিছু আয় বেড়ে বিশ্বে অনন্য নজির বাংলাদেশের রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবি মিরপুর স্টেডিয়ামেও সংবাদ সম্মেলন বয়কট, তাকিয়ে রইলেন সেই জেবুন্নেছা (ভিডিও) নেত্রকোনায় বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু ইসরায়েলের সমর্থকদের চিনে রাখছে বিশ্ব: ইরান আসিফের গিটার ভেঙে ফেলল নোবেল! ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসন: জয়-পরাজয়ের সমীকরণ জর্ডান সীমান্ত দিয়ে ইসরায়েলে ঢুকল ড্রোন ইসরায়েলি সহিংসতার দ্রুত শেষ দেখতে চাই: পুতিন নরসিংদীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৫০ লাজ ফার্মাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা টানা ৫ বছর ঘুমিয়ে কেটেছে তার! ঘরের বাতাস দূষণমুক্ত করার এয়ার পিউরিফায়ার ৪২তম বিসিএস’র ভাইভা স্থগিত দেশে করোনায় মৃত্যু কমলেও দ্বিগুণ শনাক্ত মামুনুলকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু যমুনায় গোসল করতে নেমে ৩ কলেজছাত্রীর মৃত্যু গায়ত্রী-মুসাতেই ঘুরপাক খাচ্ছে মিতু হত্যারহস্য ‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতাকে তথ্য চুরি বলা হচ্ছে, এর চেয়ে দুঃখ আর নেই’ বিশ্বব্যাংকের সহজে ব্যবসার সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি বিয়ে ইস্যুতে আলোচনায় রাশমিকা মান্দানা! চীনে বিয়েবিচ্ছেদ কমল ৭০ শতাংশ আরবীয়-তুর্কিদের প্রতারণায় রক্তাক্ত ফিলিস্তিন এবার যশোর ও নড়াইলে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার থেকে মিস ইউনিভার্স আন্দ্রেয়া মেজা চরম ভোগান্তি নিয়ে ফিরছেন মানুষ, মানছে না স্বাস্থ্যবিধি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত ‘মিস ইউনিভার্স ২০২১’ হলেন মেক্সিকোর আন্দ্রে মেজা এবার রেড ক্রিসেন্ট ভবনে ইসরায়েলি বোমা হামলা, নিহত ২ কাশিমপুর কারাগারে সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম জেমস বন্ড মুভির স্টুডিও কিনছে অ্যামাজন সাংবাদিক রোজিনাকে হেনস্তা-গ্রেফতারের প্রতিবাদ দেশজুড়ে সিলেটে ছুরিকাঘাতে চীনা নাগরিক নিহত
আরও সংবাদ...
কাবিলার মুক্তির দাবি দর্শকদের, যা বললেন নির্মাতা পরশ মনিকে ফলো করেন মামুনুল হক! অশ্লীল ভিডিওতে ঠাসা ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের ফোন, বিয়েতেও ধোঁয়াশা! সত্য প্রকাশ হওয়ায় চটেছেন নোবেল ঢাকায় লকডাউনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মিছিল-অবরোধ (ভিডিও) মুনিয়ার মৃত্যু রহস্য নিয়ে যা জানাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা মামুনুলকে ‘গাদ্দার’ বলে ক্ষোভ ঝাড়লেন সেই নারীর ছেলে (ভিডিও) মামুনুলের সঙ্গে থাকা সেই নারীর পরিচয় মিলেছে যে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে গেলেন কবরী শৌচাগারে ঢুকে পুরুষের নগ্ন ভিডিও করা মিথিলা এখন ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ সাসপেন্ড হলেন ফেসবুক লাইভে আসা সেই পুলিশ সদস্য এবার তৃতীয় বিয়ের দাবি মামুনুল হকের! শুক্রবার টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় বাংলাদেশের আকাশে রহস্যময় মিথেন গ্যাস! করোনায় দেশের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, শনাক্তেও রেকর্ড ‘তুই মেডিকেলে চান্স পাস নাই, তাই তুই পুলিশ’ (ভিডিও) মামুনুলের বিষয়ে হেফাজতের সিদ্ধান্ত জানালেন বাবুনগরী পড়াশোনার খরচ চালাতে দেহ ব্যবসায় ঝুঁকছেন শিক্ষার্থীরা! টানা দু’দিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় মামুনুল কাণ্ড: জান্নাত আরার সাবেক স্বামী শহিদুল আটক আরেফিন শুভর দেওয়া কষ্ট মৃত্যু পর্যন্ত মনে রাখবেন পরিচালক ছেলের বিয়ের দিন মা জানলেন কনে তার হারিয়ে যাওয়া মেয়ে! লকডাউনে দোকান বন্ধ করতে বলায় আনসারকর্মীকে খুন মিনা পাল থেকে কবরী হলেন যেভাবে শারীরিক সম্পর্কে জোর করায় হাত-পা বেঁধে স্বামীকে হত্যা আবারও কঠোর লকডাউনের হুঁশিয়ারি কাদেরের শামীম-সারিকার ‘সীমিত পরিসরে বিয়ে’ সর্বাত্মক লকডাউনের প্রজ্ঞাপন মামুনু‌ল হকের প‌ক্ষে স্ট্যাটাস দেয়ায় বহিষ্কার ছাত্রলীগ নেতা ৩ পুরুষাঙ্গের বিরল শিশুর জন্ম লাখ টাকার ভাড়া ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন তরুণী জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ফারুক-কবরী ছাত্রলীগ নেতা রাব্বানীকে নিয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ‘জবা’র স্ট্যাটাস ‘অসম্ভবকে’ সম্ভব করল জাপান মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেন যে স্কুলের ২২ শিক্ষার্থী ভারতফেরত ১০ করোনা রোগী পালিয়েছেন, ‘ভারতীয় ধরন’ ছড়ানোর শঙ্কা! এক বছরেই দুই রমজান! এবার কঠোর লকডাউনের ঘোষণা ফেসবুকে দেওয়া ছবিই কাল হলো মুনিয়ার! ‘বুর্জ আল খালিফা’র গায়ে কুমিল্লার মোশাররফের ছবি! (ভিডিও) অভিজাত ফ্ল্যাটে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ, যাতায়াত ছিল এক শিল্পপতির ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের নতুন খবর দিলেন নির্মাতা করোনায় দেশে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড নিয়মিত পর্নোগ্রাফি দেখতেন রফিকুল মাদানী: পুলিশ মামুনুল হককে কি গ্রেফতার করা হয়েছে? ‘হুজুর, দয়া করে আপনার লাইভ লাইভ খেলা বন্ধ করেন’ মামুনুল কাণ্ড: ‘রোমান্টিক প্রেমের’ চার অডিও ফাঁস শিল্পী মমতাজের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি ‘ভুয়া’! কেজিপ্রতি ১০০ টাকা কমেছে মুরগির দাম, ডিম ডজনে ১০ ‘শিশু বক্তা’ রফিকুলকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল র‍্যাব
আরও সংবাদ...

মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে
x