সম্পূর্ণ নিউজ সময়
আন্তর্জাতিক সময়
১০ টা ৪১ মিঃ, ১৬ মে, ২০২১

গাজার হাসপাতালে রক্তাক্ত মানুষের আহাজারি

গাজার হাসপাতালে এখন কেবলই আহাজারি আর আর্তচিৎকার। চারদিকে রক্তেভেজা আহত শরীর। বোমার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে যারা আসছেন তাদের বেশিরভাগই আশঙ্কাজনক। সবারই দরকার আইসিইউ। রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম অবস্থা ডাক্তার-নার্সদের।
রবিউল ইসলাম আওলাদ

গাজার সবচে বড় হাসপাতাল আল শিফায় এখন প্রতি মুহূর্তেই যম আর মানুষের টানাটানি। আটঘণ্টারও বেশি সময় থাকছে না বিদ্যুৎ সরবরাহ।

গাজার সিফা হাসপাতাল পরিচালক ডা. আবু সেলিম জানান, এখানকার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল এটি। প্রতিদিনই নারী, পুরুষ ও শিশুদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভর্তি করা হচ্ছে। যাদের বেশিভাগই স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করতে হবে। বিশেষ করে শিশুদের অঙ্গহানি সবচেয়ে বেশি। আহতদের অর্ধেকর অবস্থাই আশঙ্কাজনক। হাসপাতালে বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ কোম্পনিগুলো সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। জ্বালানি তেলও নেই যে জেনারেটর দিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা করবো। পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। প্রতিনিদই নতুন নতুন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি আমরা।

মাত্র এক সপ্তাহ আগে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সেবা দিতে হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কক্ষসহ অন্যান্য বিভাগ খালি করা হয়। এরপরই শুরু হয় ইসরাইলি বাহিনীর নির্বিচার বোমা হামলা। অবরুদ্ধ গাজায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এমনিতেই নাজুক। তার উপর ইসরাইল দুটি হেলথ ক্লিনিক ধ্বংস করে দিয়েছে।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বহু দিন ধরেই জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখেছে ইসরাইল। মিশরের সহযোগিতায় কিছু জিনিসপত্র সরবরাহ করা হলেও ইসরাইলি হামলা শুরু সেটাও বন্ধ রয়েছে।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়