সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাংলার সময়
১২ টা ১৪ মিঃ, ১৪ মে, ২০২১

সাধারণ দিন আর ঈদের দিনের কোনো পার্থক্য নেই তিস্তা গ্রামে

মসজিদে এক সারিতে নামাজ পড়া ছাড়া মুসলমানদের সবচে বড় উৎসবের এই দিনের সঙ্গে অন্য দিনগুলোর খুব একটা পার্থক্য নেই তিস্তা চরের গ্রামগুলোতে। করোনার বিস্তৃতি ঠেকাতে লকডাউনের এই ঈদ অবুঝ শিশুদের মনে কিছুটা আনন্দ যোগালেও কর্মহীন মানুষের মনে পাথরচাপা দীর্ঘশ্বাস। 
রতন সরকার

স্বাভাবিক সময় সকাল সকাল ঈদগাহ-য়ে ঈদের নামাজের তোড়জোড় থাকলেও গত বছর থেকে বেশখানিকটা বেলা করেই জামাত হচ্ছে গঙ্গাচড়া উপজেলার চর-ইচলির মসজিদে।

ঈদগাহ ঘিরে এবার মেলা নেই। রঙিন কাগজের ঘুর্ণি, রঙ-বেরঙের বেলুন, প্লাস্টিকের বাঁশি-ভেঁপুর দোকান বসেনি। নেই মাটির চাকার ঝঁঝরগাড়ির শব্দ। করোনা মহামরির ঝাপটায় বিরস উৎসবের কোলাহল নেই, ফ্যাঁকাসে সব রং।

এক নারী বলেন, বাড়িঘর নেই, টাকা নেই, কোথায় যাই, কি করবো আমরা। বাড়িঘর মাঠঘাট সব গেল আর যেখানে আছি সেখানেও ঠিকমত থাকতে পারিনা একটা মনে অশান্তি। কামলা না করলে তো আমাদের পেটে ভাত জুটে না।

প্রথম লকডাউনের পর বাইরে যাওয়া শ্রমিকেরা আবারো দ্বিতীয় লকডাউনে ঘরে। গার্মেন্টসে কাজ করা দক্ষ কর্মীদের অনেকে এখন ধানকাটা শ্রমিক। এমন বিপর্যয়ে ঈদ খুব একটা রেখাপাত করেনি মানুষের প্রাণে।

এক লোক বলেন, টাকা পয়সা থাকলে ঈদ আনন্দ মত কাটাইতাম। বাড়িঘরে আনন্দ থাকত। সেটা আর এ বছর হলো না। সরকারি যে সহয়তা দেয়া হয়েছে সেটা আমি মনে করি পর্যাপ্ত নয়। কারণ করোনাকালে এটা পর্যাপ্ত না আরো একটু বেশি দিলে মনে হয় ভালো হতো।

করোনাক্রান্তিতে বেকার হয়ে পড়া বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে সরকার থেকে ৫শ টাকা করে দেয়া হয়েছে আর ভিজিএফ হিসাবে গ্রামের অনেকে পেয়েছেন সাড়ে ৪শ করে টাকা।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়