সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাংলার সময়
৯ টা ৩৭ মিঃ, ১৪ মে, ২০২১

ভাসানচরে প্রথম ঈদ তাদের

কমল দে

এক সময়ের জনমানবহীন ভাসানচরে প্রথমবার আয়োজিত হলো ঈদের জামাত। নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানিয়ে দুটি জামাতে শরিক হন সাড়ে আট হাজারের বেশি রোহিঙ্গা। আর প্রশাসনের নানা আয়োজনে ঈদের আনন্দে মাতে উঠে পুরো ভাসানচর।

ভাসানচরের বাসিন্দা সাড়ে ১৮ হাজার রোহিঙ্গাদের জন্য আজকের ঈদের দিনটি একেবারে অন্য রকম। কুতুপালংয়ের ঘিঞ্জি ক্যাম্প জীবন থেকে ভাসনচরের খোলা-মেলা পরিবেশ। যে কারণে ঈদ জামাত শুরুর অন্তত ১ ঘণ্টা আগেই ওয়্যার হাউজমুখী হয় ভাসানচরের রোহিঙ্গারা।

ঈদের নামাজ শেষে মোনাজাতে ফুটে উঠেছে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার আকুতি। সাথে ছিল মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে তাদের আশ্রয়দাতা বাংলাদেশের সমৃদ্ধি কামনা।

প্রথম ঈদের জামাতের ইমামতি করেন ইমাম মোহাম্মদ ইউনুস।

গত বছরের ৪ ডিসেম্বর থেকে উখিয়া এবং টেকনাফের রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ৬ দফায় আনা হয়েছে সাড়ে ১৮ হাজার রোহিঙ্গাকে। আর এসব রোহিঙ্গার ভাসানচরে প্রথম ঈদ হওয়ায় প্রশাসনও তৎপর ছিল আনন্দ আয়োজনে বলে জানান ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প  পরিচালক কমডোর রাশেদ সাত্তার।

 নামাজ শেষ হতেই ঈদের আনন্দে মেতে উঠে পুরো ভাসানচর। ক্লাস্টারের সামনে বসে যায় মেলার আয়োজন। সবার মুখে ছিল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

তবে সবচেয়ে বেশি আনন্দে ছিল রোহিঙ্গাদের শিশুদের মধ্যে। তাদের জন্য রয়েছে নানা ধরনের খেলার আয়োজন। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে ৫শ’র বেশি রোহিঙ্গা শিশু। খেলা শেষে পুরস্কার পেয়েছে বিজয়ী রোহিঙ্গা শিশুরা।

 

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়