সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাংলার সময়
৫ টা ৪৮ মিঃ, ১৪ মে, ২০২১

হুমকির মুখে নোয়াখালীর পোল্ট্রি শিল্প, ব্যবসায়ীরা ঋণগ্রস্ত

রোগবালাইয়ের পাশাপাশি মুরগির বাচ্চা, খাদ্য-ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় হুমকির মুখে নোয়াখালীর পোল্ট্রি শিল্প। গত পাঁচ-ছয় মাসে বন্ধ হয়ে গেছে অন্তত এক হাজার ৩০০ মুরগির খামার। আর এতে প্রতি মাসে ক্ষতি প্রায় ২০ কোটি টাকা। ব্যবসায়ীদের বেশির ভাগই ঋণের ভারে জর্জরিত।
সাইফুল্যাহ কামরুল

দেশের মাংসের চাহিদার প্রায় ৮০ ভাগই আসে পোল্ট্রি খামার থেকে। গরিবের আমিষের জোগান দেয় এই পোল্ট্রি শিল্প। কিন্তু নোয়াখালী জেলার পোল্ট্রি শিল্প হুমকির মুখে। মুরগির বাচ্চা, খাদ্য-ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫-৬ মাসে বন্ধ হয়ে গেছে জেলার অন্তত ১৩শ’ খামার।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা জানান, আগে মুরগির লালন করতাম ২৫ হাজার; এখন করছি ২০০০-৩০০০ হাজার। খাবারের দাম বৃদ্ধি, বিভিন্ন রোগের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত।

খামারিদের অভিযোগ, একটি সিন্ডিকেট পূর্বঘোষণা ছাড়াই মুরগির বাচ্চা, খাদ্য ও ওষুধের মূল্য বাড়িয়ে দেয়। সরকারি কোনো সংস্থার তদারকি না থাকায় এই সিন্ডিকেট কয়েক মাস পরপর এসব করে যাচ্ছে।

নোয়াখালী জেলা পোল্ট্রি খামার মালিক সমিতি সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবুল বাশার বলেন, একটা নীতিমালা হওয়া উচিত। খাবারের দাম, বাচ্চার দাম ও বিক্রির দামও নির্ধারণ করে দেয়া উচিত।

খামার বন্ধ হওয়ার পরও, প্রাণিসম্পদ বিভাগের সহযোগিতায় কেউ কেউ আবার নতুন করে শুরু করেছেন।

নোয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদুল ইসলাম আকন্দ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের তালিকা করা হচ্ছে। অল্প কয়েক দিনের মধ্যে খামারিদের প্রণোদনা দেয়া হবে।

২০২০ সালের শেষের দিকে জেলার ৯ উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার পোল্ট্রি খামার ছিল। খামারগুলো থেকে প্রতি মাসে ৬০০ টন মুরগি ও এক কোটি পিস ডিম উৎপাদন হতো।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়