সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাংলার সময়
১৩ টা ৫৬ মিঃ, ১৩ মে, ২০২১

ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ভাসানচরের রোহিঙ্গারা

কমল দে

এবার অন্যরকম ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছেন ভাসানচরের রোহিঙ্গারা। বহুল আলোচিত ভাসানচরে স্থানান্তরিত ১৮ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার ঈদ-আনন্দে গমগম পুরো এলাকা। সুপার শপসহ মার্কেটে উপচেপড়া ভিড়। সেখানে ৩টি ঈদ জামাতেরও ব্যবস্থা করেছে নৌ বাহিনী। 

বৃহস্পতিবার (১৩ মে) তখনো সকাল ৮টা বাজেনি। ভাসানচরের একমাত্র সুপার শপের দরজা খুলে কর্মচারী পণ্য সাজাতে ব্যস্ত। দেখতে দেখতে রোহিঙ্গা নারীদের উপচেপড়া ভিড় জমে যায় সেখানে। সবাই শেষ মুহূর্তে পছন্দের জিনিসটি কিনে নিতে চায়। তাই হুড়োহুড়িও একটু বেশি।

ভাসানচরের আলহেরা সুপার শপের মালিক মোহাম্মদ গাজী জানান, নোয়াখালী শহরের সুপার শপগুলোর মতই পণ্যের দাম রাখা হচ্ছে।  

গত ডিসেম্বর থেকে সরকার কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের আশ্রয়শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিয়ে আসতে শুরু করে। ৬ দফায় ভাসানচরে আসা রোহিঙ্গারা এবার এখানে প্রথমবারের মতো ঈদ পালন করবেন। সামাজিক দূরত্ব মেনেই ওয়্যারহাউজে ৩টি ঈদ জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানাকার ৩৭টি শেল্টারে ৩৭ মাঝিকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে ঈদ আয়োজনের সমস্ত প্রক্রিয়া।

ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কমডোর রাশেদ সাত্তার জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্পে আশ্রিত রোহিঙ্গা পরিবারগুলো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, খাবার-দাবার ও ঈদের নতুন পোশাক কেনা-কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে। 

কাপড়ের দোকানের মতো ভাসানচরের কাঁচাবাজারেও রোহিঙ্গাদের ভিড়। ঈদের রান্নার জিনিসপত্র কিনতে এসেছেন রোহিঙ্গা পুরুষরা।

বিগত ২০১৮ সাল থেকে এই চরকে মানব বসবাসের উপযোগী করে তুলছে নৌ বাহিনী। এখন পযন্ত এক লাখ রোহিঙ্গার আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এবার এক অন্যরকম ঈদ আনন্দে মেতে উঠেছে ভাসানচরের রোহিঙ্গারা। নিজ ভূমি মিয়ানমার বা কক্সবাজারের উখিয়ার আশ্রয় শিবিরে যে ঈদ আনন্দ পায়নি সেই আনন্দ পেতে চলেছে ভাসানচরের আশ্রিত রোহিঙ্গারা।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়