সম্পূর্ণ নিউজ সময়
স্বাস্থ্য
৭ টা ১৭ মিঃ, ১২ মে, ২০২১

টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনায় আরও সতর্ক হওয়ার তাগিদ

দ্বিতীয় ডোজ নিশ্চিত করেই চীনের উপহার হিসেবে পাওয়া সিনোফার্মের পাঁচ লাখ ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু করবে সরকার। সেক্ষেত্রে আড়াই লাখ মানুষ আসবে এ ভ্যাকসিনের আওতায়। এবারও একই পদ্ধতিতে হবে টিকার রেজিস্ট্রেশন। তবে এ দফায় ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল টেকনোলোজিস্টরা থাকবেন অগ্রাধিকারে। এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকে নিঃসন্দেহে এগিয়ে রাখলেও সামনের দিনে টিকা প্রয়োগের পরিকল্পনায় আরও সতর্ক হওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
রাশেদ লিমন

ভ্যাকসিনের শুভ সূচনা করেও এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ডোজের সংকট হতে পারে এমন ভাবনা মাথায় না রেখেই পরিকল্পনা সাজানোয় এখন দ্বিতীয় ডোজের প্রায় চৌদ্দ লাখ মানুষের টিকা পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। এরই মধ্যে বুধবার (১২ মে) ভোরে দেশে এসেছে পাঁচ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা। স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায়- সংখ্যায় কম হলেও এ টিকা নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, এবার আর পরিকল্পনায় ভুল করছেন না তারা। এ পাঁচ লাখ ডোজের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ডোজ হাতে রেখেই শুরু হবে প্রথম ডোজের প্রয়োগ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরে রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে, এ টিকা যাদের দেওয়া হবে দুইটা ডোজ আমরা তাদের দিব। তার মানে প্রথম যে পাবে তাকে আমরা দ্বিতীয় ডোজও নিশ্চিত করা হবে। আড়াই লাখের বেশি মানুষকে দেওয়া হবে না।

যেহেতু এ টিকা দিয়ে অক্সফোর্ডের প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার সুযোগ নেই তাই যারা প্রথম ডোজের রেজিস্ট্রেশন করেছেন তাদের দেওয়া হবে সিনোফার্মের টিকা। অগ্রাধিকার দেওয়া হবে চল্লিশের কম ইন্টার্ন চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের।

সময় নিউজকে ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আগে যাদের বয়স কম মানে (৪০) এর নিচে ছিল তাদের আনা হয়নি। এখন আমরা তাদেরও টিকার আওতায় আনতে চাই, কারণ তারা যেন সুরক্ষিত থাকেন।  

এমন সিদ্ধান্তকে সময় উপযোগী মানছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সামনে পরিকল্পনায় আরও সতর্ক হওয়ার তাগিদ তাদের।

বিএসএমএমইউয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান খসুর বলেন, বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াতে যারা আছেন তাদের আসলে ডায়নামিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই একটা মহামারি পরিস্থিতিতে গ্লোবাল যে নতুন ধরনের ইনোভিশনগুলো (উদ্ভাবক) আছে সেগুলোকে গ্রহণ করতে পারলে বৈজ্ঞানিকভাবে আপনি বেশি মানুষকে সুরক্ষিত করতে পারবেন।           

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমদ বলেন, আমরা চায়নিজ টিকা, রাশিয়ান টিকা ফাইজার-মডার্না এ কয়েকটা টিকার যদি সরকার অনুমোদন দিয়ে রাখে সেখানে সুবিধাটা হবে এই যে, আমরা যদি নিজেরা কিনতে চাই তাহলে কিনতে পারব। কোনো দেশ অনুদান দিচ্ছে সেই টিকাটা আমরা গ্রহণ করতে পারব।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়