সম্পূর্ণ নিউজ সময়
মহানগর সময়
১০ টা ৩৫ মিঃ, ১১ মে, ২০২১

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছ কাটা নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী

ওয়েব ডেস্ক

নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানাতেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উন্নয়নের পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উন্নয়নের পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কাটা হতে পারে আরও অর্ধশত গাছ। তবে, যত গাছ কাটা হবে তার দশগুণ বেশি রোপণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার  (১১ মে) দুপুরে মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান মন্ত্রী। এদিকে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, পাক হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণসহ স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ সব ইতিহাসের সম্মিলনে স্বাধীনতার আতুরঘর হিসেবে বিরাজমান ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুই এখানে গাছ রোপণ করে ময়দান থেকে উদ্যানে রূপ দেন। প্রতিবছর বইমেলা, নাটক ও নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কারণে লোকারণ্য থাকে এই উদ্যান অথচ লকডাউনের জনশূন্যতায় এ উদ্যানের একে একে অর্ধশতাধিক গগনচুম্বী গাছ কেটে নেওয়া হয়।

এরপর থেকেই গাছ কাটার প্রতিবাদে সরব হয় ছাত্র-পরিবেশবাদী সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল। আলোচনা-সমালোচনা হয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলন করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ঘিরে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানান মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী।

তিনি বলেন, উদ্যানে সবসাকুল্যে একশ গাছ কাটা হবে। তবে রোপণ করা হবে এর ১০ গুণ বেশি গাছ। আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়, আমরা প্রতিদিন দুই হাজার শিশুকে এখানে আনা হবে, আর এগুলো দেখানো হবে যাতে তারা ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে। ১০ গুণ বৃক্ষ লাগানো হবে। আন্তর্জাতিকমানের এ উদ্যোনকে তৈরি করা হবে।     

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানানো হয়, উদ্যানকে ঘিরে ৯টি স্থাপনা নির্মাণ করতে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়।

যার মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর সাড়ে ১৯ ফিট ভাস্কর্য, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থানে ভাস্কর্য নির্মাণ, ইন্দিরা মঞ্চ, ভূগর্ভস্থ কার পার্কিং, ওয়াটার ফাউন্টেইন, সাতটি খাবারের দোকান, ওয়াকওয়ে, মসজিদ ও ভূগর্ভস্থ ওয়াটার রিজার্ভয়ের নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২২ সালে শেষ হতে পারে এ প্রকল্পের কাজ।

নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দেখিয়ে শেখানোর উদ্দেশ্যেই উদ্যানকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, গাছ কাটার প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে ঈদের পর সভায় বসবে মন্ত্রণালয়।

এদিকে গাছ কাটা বন্ধ করতে মঙ্গলবার মৌখিকভাবে এক নির্দেশ জারি করেছে হাইকোর্ট। অ্যাটর্নি জেনারেলকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এর আগ গাছ কাটা বন্ধে হাইকোর্টে রিট করেন ছয় সংগঠন ও একজন নাগরিক।

 

 

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়