সম্পূর্ণ নিউজ সময়
মহানগর সময়
৭ টা ১৪ মিঃ, ১১ মে, ২০২১

ঢাকায় চলল দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন

আরও একধাপ এগিয়ে গেল মেট্রোরেল। মঙ্গলবার (১১ মে) ডিপো থেকে প্রথমবারের মতো রেলের ট্র্যাকে চলেছে দেশের প্রথম বিদ্যুৎচালিত ট্রেন।
মহানগর সময় ডেস্ক

ডিপো এলাকায় বগিগুলো উপস্থাপনের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মোংলা বন্দর থেকে আসার পর গত ২৩ এপ্রিল প্রকল্প এলাকার পাশের জেটি থেকে ডিপো এলাকায় স্থানান্তর শেষ হয় বগিগুলো। আগস্টেই পারফরমেন্স টেস্ট। এরপরে সমন্বিত ট্রায়েল শেষে পরীক্ষামূলক চলাচল। তবে উদ্বোধনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড-ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক গণমাধ্যমকে বলেন, মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল মে মাস থেকেই শুরু হতে পারে। আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

এদিকে মোংলা বন্দরে খালাস শুরু হয়েছে জাপানের কোবে বন্দর থেকে আসা মেট্রোরেলের দ্বিতীয় চালান। ৪৮টি প্যাকেজে করে আসা এই চালানেও মেট্রোরেলের কারের ছয়টি বগি রয়েছে। 

গত রোববার (০৯ মে) দুপুর একটায় বিদেশি পতকাবাহী ‘এম ভি ওশান গ্রেস' জাহাজ বন্দরের ৮নং জেটিতে নোঙ্গর করার পরই এই কোচের খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কাস্টমস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার দুই থেকে তিন দিন পর নদী পথে বিশেষ পদ্ধতির কার্গোতে করে এসব পণ্য যাবে ঢাকা শহরের উত্তরার দিয়াবাড়িতে।

এর আগে, চলতি বছরের গত ৩১ মার্চ কাঙ্ক্ষিত মেট্রোরেলের প্রথম চালানের ৬টি কোচ ঢাকায় পৌঁছানো হয়। সেটিও আমদানি হয় মোংলা বন্দর দিয়ে। 

রোববার দুপুরে মোংলা বন্দরে দ্বিতীয় কোচের চালান পৌঁছানোর পর বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সেটির খালাস প্রক্রিয়া শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খুলনা ট্রেডার্স নামে একটি শ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। 

বন্দরের চেয়ারম্যান আরও জানান, ২৬৭ মেট্রিক টন ওজনের এই পণ্য খালাস শেষ করতে ২৪ ঘণ্টা লাগলেও মূল গন্তব্য উত্তরার দিয়াবাড়িতে নদী পথে যাবে তিন থেকে চারদিন পর। এছাড়া ২০২২ সালের মধ্যে ২৪টি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে করে এই সমুদ্র বন্দর দিয়ে মেট্রোরেলের আরও ১৪৪টি বগি খালাস হবে বলেও জানান তিনি।

বিদেশি ওই জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিমশিপ কোম্পানি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, দেশে আমদানি হওয়া রেলওয়ের এ কারগুলো তৈরি করেছে জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম কোম্পানি লিমিটেড। আর বাংলাদেশে তা আমদানি করছে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড বা ডিএমটিসিএল। তবে মোংলা বন্দর উন্নয়নের ধারাবাহিকতার এটি একটি মাইল ফলক। এক সময়ের মৃত বন্দর এখন লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বেড়েছে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ আগমন-নির্গমণ। 

তিনি আরও বলেন, এর ফলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান  হয়েছে এবং এখানকার ব্যবসায়ীরা পেয়েছেন একটি সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব সমুদ্র বন্দর। পদ্মাসেতু, বিমানবন্দর, রেললাইন ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হলে এ বন্দরটি বিশ্ব বাণিজ্যিক বাজারে একটি ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর হবে বলেও জানান বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়