সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাণিজ্য সময়
৫ টা ৫২ মিঃ, ১০ মে, ২০২১

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা চান সিরাজগঞ্জের তাঁত মালিকরা

একদিকে রং আর সুতাসহ তাঁত শিল্পের বিভিন্ন উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি, অন্যদিকে লকডাউনের কারণে হাটবাজার বন্ধ থাকায় উৎপাদিত কাপড় নিয়ে বিপাকে সিরাজগঞ্জের তাঁত মালিকরা। এতে লোকসানের মুখে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন অনেক তাঁতি। বেকার হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার শ্রমিক। তাঁত শিল্পকে লোকসানের হাত থেকে রক্ষায় প্রণোদনাসহ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি জানালেন ব্যবসায়ী নেতারা।
রিংকু কুণ্ডু

প্রতি বছর ঈদ মৌসুম সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি, শাহজাদপুর, এনায়েতপুর ও উল্লাপাড়া তাঁত পল্লীগুলো শাড়ি তৈরিতে সরগরম হয়ে ওঠে। কিন্তু এবার কঠোর লকডাউনে হাটবাজার বন্ধ থাকায় তাঁত পল্লীর সেই ব্যস্ততা নেই। মাত্র কয়েকটি তাঁত কারখানা চালু থাকলেও চলছে ধুঁকে ধুঁকে।

সেইসঙ্গে দফায় দফায় সুতা, রঙসহ তাঁত শিল্পে ব্যবহৃত সরঞ্জামের দাম বৃদ্ধিতে ক্রমাগত লোকসান গুণতে হচ্ছে তাঁত মালিকদের। তারপরও পাইকাররা না আসায় উৎপাদিত শাড়ি বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে তাঁতিরা। লোকসানের মুখে পরে অনেক মালিক বন্ধ করে দিচ্ছেন তাঁত কারখানা। এতে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ছেন।

তাঁত শ্রমিকরা জানান, আমাদের এ শিল্প বন্ধের দিকে। মহাজনরা হাটবাজারে যেতে পারছেন না। করোনার কারণে আমাদের আয়ও বন্ধ হয়ে গেছে।

বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারিভাবে কোনো সহায়তা পান না বলে অভিযোগ তাঁত মালিকদের।

তাঁত মালিকরা বলেন, তাঁত শিল্পের দিকে সরকারের কোনো নজর নেই। এভাবে চললে এ শিল্প হারিয়ে যাবে। 

সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক জিহাদ আর ইসলাম বলেন, গার্মেন্টস শিল্পের মতো জেলার তাঁত শিল্পে প্রণোদনাসহ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দরকার। এ ছাড়াও সহজ শর্তে ঋণ হোক বা প্রণোদনা হোক যেভাবে সম্ভব এই শিল্পকে রক্ষা করতে হবে।
 
জেলায় তাঁত, পাওয়ার লুম ও হ্যান্ডলুম রয়েছে প্রায় ৫ লাখ। আর এই শিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রায় ১৫ লাখ মানুষ।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়