সম্পূর্ণ নিউজ সময়
স্বাস্থ্য
৯ টা ৩০ মিঃ, ৯ মে, ২০২১

করোনার সঙ্গে ভয়ংকর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস, কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

একদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে ধুঁকছে ভারত। অন্যদিকে নতুন করে আতঙ্ক বাড়িয়েছে ছত্রাক সংক্রমণ বা ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’। যার পোশাকি নাম মিউকোরমাইকোসিস। মূলত ভারতের গুজরাট, দিল্লি ও মহারাষ্ট্রে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। 
স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক

ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ইতোমধ্যে দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে একাধিক করোনা আক্রান্ত রোগীর শরীরে সেই সংক্রমণের হদিস মিলেছে। আর আনন্দবাজার পত্রিকার খবর অনুসারে, এখন পর্যন্ত আহমেদাবাদের বিজে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এই রোগে সংক্রমিত ৬৭ জনের সন্ধান পাওয়া গেছে। শেষ ২০ দিনের মধ্যে এই সংক্রমণ ঘটেছে। এদের মধ্যে ৪৫ জনের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

কিন্তু কী এই ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ বা মিউকোরমাইকোসিস? জেনে নিন এই রোগের উপসর্গ এবং প্রতিরোধের উপায়।

‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ বা মিউকোরমাইকোসিস কী?

অত্যন্ত গুরুতর এবং বিরল ছত্রাক সংক্রমণ। যা করোনাভাইরাসের কারণে আরও মারাত্মক হয়েছে। সেই সংক্রমণের ফলে একাধিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, মিউকোরমাইকোসিসের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশের মতো। 

সেই সংক্রমণের ফলে সাইনাস বা ফুসফুসে বেশি প্রভাব পড়ে (শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীর প্রবেশ করলে)। আবার শরীরের কোনো কাটা, পুড়ে যাওয়া জায়গা বা ত্বকে অন্যান্য কোনো আঘাত দিয়ে ছত্রাক প্রবেশ করলে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনাভাইরাস আক্রান্তদের এমনিতেই শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তার ফলে ছত্রাক সংক্রমণে শিকার হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তবে স্বস্তির বিষয় যে মানুষ থেকে মানুষের দেহে সেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে না। একইসঙ্গে মানুষ এবং প্রাণীর মধ্যে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ ছড়ায় না বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

উপসর্গ:

অসাড় মুখ, নাকের একদিক বন্ধ, চোখে ফোলা বা ব্যথা। কাশি, জ্বর, মাথাব্যাথার মতো উপসর্গও দেখা দিতে পারে। প্রাথমিকভাবে ত্বকের যেখানে আঘাত আছে, সেখানে সংক্রমণ হতে পারে। তারপর তা দ্রুত শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে যেতে পারে। গায়ে ফোসকা, ত্বকে লালভাব-ফোলাভাবের মতো উপসর্গ নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিরোধের উপায়:

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, অসাড় মুখ, নাকের একদিক বন্ধ, চোখে ফোলা বা ব্যথার মতো উপসর্গগুলো দেখা দিলেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো যত দ্রুত সম্ভব অ্যান্টি-ফাঙ্গাস থেরাপি শুরু করতে হবে। মাটি বা শ্যাওলা নিয়ে ঘাঁটাঘাটির সময় জুতো, লম্বা প্যান্ট পরতে হবে। সাবান এবং পানি দিয়ে ত্বকের আঘাত পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়