সম্পূর্ণ নিউজ সময়
মহানগর সময়
৮ টা ৫৬ মিঃ, ৯ মে, ২০২১

রাজধানীর বাইরেও পরিবেশবান্ধব আবাসন প্রকল্প করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ওয়েব ডেস্ক

ভবিষ্যতে পূর্বাচলের মতো আধুনিক পরিবেশবান্ধব আবাসন প্রকল্প রাজধানীর বাইরের শহরগুলোতেও বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (০৯ মে) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের মূল অধিবাসী এবং ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে প্লটের বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শত প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েও শেষ পর্যন্ত প্লটবঞ্চিত হতে হয়নি ক্ষতিগ্রস্তরা।

যাদের অনেক সম্পদ আছে তাদের আরও লাগবে কেন? প্রশ্ন করে শেখ হাসিনা বলেন, যাদের এত বিশাল বিশাল অট্টালিকা, বাড়িঘর ফ্ল্যাট সবই আছে তাদের আরও লাগবে কেন? মরলে তো সবাইকে সেই কবরেই যেতে হবে। মাত্র তিন হাত, সাড়ে তিন হাত জায়গায়। আজকে আপনাদের হাতে তুলে দিতে পারলাম, এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা। আর আপনারা বঞ্চিত থাকলেন না।   

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্ত ও মূল জমির মালিকদের প্লটের বরাদ্দপত্র হস্তান্তরের এ আয়োজনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্ত এক হাজার ৪৪০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এসব প্লট বুঝিয়ে দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমদ।

এ সময় করোনার ভারতীয় ধরন আরও ভয়ংকর উল্লেখ করে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর।

তিনি বলেন, গ্রামে ফিরে স্বজনদের সংক্রমিত করার ঝুঁকি না নিয়ে, সবার উচিত যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করা।

একে তো করোনার সংক্রমণরোধে দেশে ১৬ মে পর্যন্ত জারি আছে সর্বাত্মক লকডাউন। তার ওপর ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি। সব মিলিয়ে এক ভীতিকর পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে ঝুঁকি সাথী করে ঈদে বাড়িমুখো হওয়া মানুষ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি পর্যন্ত মোতায়েন করেছে সরকার। তবুও মহামারির ভয় তুচ্ছ করে বাড়ি ফেরার তাড়নায় উদগ্রীব কিছু মানুষ। এ অবস্থায় দেশবাসীকে সতর্ক করে স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। তিনি বলেছেন, ভয়ংকর এই ভাইরাস মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সতর্কতা প্রয়োজন।

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাবধান থাকার পরামর্শও দেন সরকারপ্রধান।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রান্তে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোশাররফ হোসেন, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লাহ খন্দকার, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী প্রমুখ।

 

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়