সম্পূর্ণ নিউজ সময়
ফিচার
৭ টা ৪২ মিঃ, ৮ মে, ২০২১

বাহারি চিত্রকর্মে সেজেছে জাবি ক্যাম্পাসের দেয়ালগুলো

সবুজের বুক চিরে মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে লাল ইটের উঁচুনিচু দেয়ালগুলো। ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম লগ্নে দেয়ালগুলো হারিয়েছে তার আপন রূপ, আপন সত্তা। পড়েছে মরীচিকাময় ছায়া। দীর্ঘ সময় ধরে প্রহর গুনছিল নতুন রূপে সাজবে বলে। অবশেষে জেগে উঠেছে মানব কৃত্রিমতা।  
সংগৃহীত
ওয়েব ডেস্ক

রংতুলি হাতে নিয়ে একদল তারুণ্য যোদ্ধার বেশে বেড়িয়ে পড়েছে নিজেদের কল্পনা আর ইচ্ছা শক্তির মিশ্রণ ঘটাতে। তারা দায়িত্ব নিয়েছে ক্যাম্পাসকে সাজানোর। লোকজ নকশা আর বাংলা সাহিত্যের আদলে রাঙাতে শুরু করল একের পর এক দেয়াল। ক্যাম্পাসের মূল ফটক থেকে শুরু করে প্রতিটি দণ্ডায়মান যাত্রী ছাউনির ফাঁকা দেয়ালগুলোতে জায়গা করে নিল ঘনাদা, টেনিদা আর ফেলুদার বাহারি চিত্রকর্ম। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত টিএসসির ভেতরের দেয়ালগুলোতে জায়গা হলো সং অব দ্য সি, আর মাই নেইবর তোতোরোর মতো জগৎবিখ্যাত অ্যানিমেশন মুভির বাহারি চিত্রকর্ম। মনোমুগ্ধকর চিত্রকর্মগুলো সত্যি মন কেড়েছে সবার।

অনেক তো হলো লোকজ নকশা আর বাংলা সাহিত্যের রং খেলার যুদ্ধ। ক্যাম্পাসের দেয়ালগুলো এবার নতুন কোনো প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে বেড়াচ্ছে। চিত্র শিল্পীরাও আটঘাট বেঁধেই নেমেছে রংতুলির যুদ্ধে। এবার এটিএম শামসুজ্জামান, হুমায়ূন ফরীদি, দিলদারের চিত্রকর্ম ছাপানো হলো ব্যবসায় অনুষদের নিকটবর্তী বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মারের জন্য ব্যবহৃত ভবনের দেয়ালে। 

এরা হলেন বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনের সেরা তিন কিংবদন্তি যারা দীর্ঘদিন মানুষকে বিনোদিত করেছেন। ভবনের চার দেয়াল জুড়ে ফুটে উঠেছে কিংবদন্তিদের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। চমৎকার সব দৃশ্যপটগুলো ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যকে শতগুণে বৃদ্ধি করেছে। রাতের অন্ধকারে লাল, সাদা, কালো ও হলুদ বর্ণের চিত্রকর্মগুলো যেন ঝিকিমিকি সাজে সেজে ওঠে। যা দেখতে ও উপভোগ করতে প্রতিদিনই ক্যাম্পাস সংলগ্ন পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন। কেউ বা ক্যামেরা বন্দি করে রাখছেন সেই বিশেষ মুহূর্তগুলো। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যেন পেয়েছে নতুন সৌন্দর্য নতুন প্রাণ। 

অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছে না। আর তাই তো বাড়িতে বসেই ক্যামেরা বন্দি ছবিগুলো দেখে উপভোগ করছেন এবং ভালোবাসার ক্যাম্পাস সম্পর্কে নিজেদের অনুভূতিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করছেন।

লেখক: ইমন ইসলাম, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়