সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাণিজ্য সময়
৬ টা ১২ মিঃ, ৭ মে, ২০২১

পরিবহন বন্ধ থাকায় লোকসানে ঝুট-কাপড় ব্যবসায়ীরা

সাকির হোসেন বাদল

নীলফামারীর সৈয়দপুরের ঝুট-কাপড় গার্মেন্টস মালিক শ্রমিকের বেহাল দশা। লকডাউনে গত বছরের মতো এবারের ঈদেও ব্যবসা নেই। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় পাইকাররা না আসায় বেচাকেনা নেই। এই শিল্পকে রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চেয়েছে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী গ্রুপ।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে তৈরি হয় বড় বড় গার্মেন্টসের ফেলা দেয়া ঝুট-কাপড় দিয়ে গার্মেন্টসের রকমারি পণ্য, যা দেশীয় বাজার ছাড়াও বিদেশে রপ্তানি হয়। কিন্তু গত ১ বছর ধরে করোনার কারণে এই শিল্পে চলছে চরম দুরবস্থা। করোনা স্থবির করে দিয়েছে এই শিল্পের প্রাণচাঞ্চল্য।

অর্ধেকেরও বেশি কারখানা বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা বেকার।

শ্রমিকরা বলছেন, করোনার কারণে বেচাকেনা একেবারেই বন্ধ। ঈদ যত সামনে আসছে ততই চিন্তায় পড়ছেন তারা।

গার্মেন্টস মালিকরা বলছেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঈদের বাজারে বেচাকেনা নাই। এতে চরম ক্ষতির মুখে তারা।

তারা বলেন, বাইরের জেলা থেকে পাইকাররা আসতে পারছে না। এতে বেচাকেনা একেবারেই কমে গেছে। এবার বর্তমান পরিস্থিতিতে লাভ করা তো দূরের কথা অনেকেই বিনিয়োগের পুঁজি ফেরত পাবেন না।

তাদের দাবি, সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে, এই শিল্পটি ধ্বংস হয়ে যাবে।

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জকারী এই শিল্পকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চেয়েছে ব্যবসায়ি গ্রুপ।

নীলফামারীর সৈয়দপুরের ক্ষুদ্র গার্মেন্টস ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন আক্তার বলেন, ৮-১০ হাজার শ্রমিককে চালাতে পারছি না আমরা। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। তা না হলে সৈয়দপুরের এই ঝুট কাপড়ের ব্যবসা মুখ থুবড়ে পড়বে।

সৈয়দপুরে প্রায় ৫০০ গার্মেন্টস কারখানায় ৮ থেকে ১০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়