মহানগর সময় ডেস্ক
আপডেট
২৭-০২-২০২১, ১৭:০৪

উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। এতে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উত্তরণে জাতিংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরা হলো- 

করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে প্রায় এক বছর পর আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। তবুও সরাসরি নয়; ভার্চুয়ালি। আজ অবশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি বাংলাদেশের একটি মহৎ এবং গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের সুসংবাদ দেওয়ার জন্য।

বাংলাদেশ গতকাল স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি।

সমগ্র জাতির জন্য এটা অত্যন্ত আনন্দের এবং গর্বের। আমাদের এই উত্তরণ এমন এক সময়ে ঘটলো, যখন আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি; আমরা মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের দ্বারপ্রান্তে।

বাংলাদেশের জন্য এ উত্তরণ এক ঐতিহাসিক ঘটনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মাত্র সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে টেনে তুলে স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে নিয়ে গিয়েছিলেন। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে তারই হাতে গড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করলো।

এ কৃতিত্ব এ দেশের আপামর জনসাধারণের। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই মাইলফলক অর্জন করতে পেরেছি। এই শুভ মুহূর্তে আমি দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশের সব নাগরিককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। জাতির পিতার কন্যা হিসেবে, জনগণের একজন নগণ্য সেবক হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি।

আমি এই অর্জনকে উৎসর্গ করছি আমাদের দেশের নতুন প্রজন্মকে। যারা আজকের বাংলাদেশকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। স্মরণ করছি জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামারুজ্জামানকে। 

শ্রদ্ধা জানাচ্ছি ৩০-লাখ শহীদ এবং ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনের প্রতি। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আমার সশ্রদ্ধ সালাম। এ ভাষা আন্দোলনের মাসে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান ভাষা শহীদদের।

আমি গভীর বেদনার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে নিহত আমার মা শেখ ফজিলাতুত্রেসা মুজিব, তিন ভাই ক্যান্টেন শেখ কামাল, লে. শেখ জামাল ও দশ বছরের শেখ রাসেল, দুই ভ্রাতৃবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, চাচা শেখ আবু নাসের-সহ সেই রাতের শহীদদের।

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, পাকিস্তান রাষ্ট্রের পূর্ববঙ্গ শুধু অবহেলিতই ছিল না, এখানকার সম্পদ নিয়ে গিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানকে সমৃদ্ধ করা হচ্ছিল। শতকরা ৫৬ ভাগ মানুষের জন্য ব্যয় করা হতো ২৫-৩০ ভাগ সম্পদ। আর পশ্চিম পাকিস্তানের ৪৪ শতাংশ জনগণের জন্য ৭০-৭৫ ভাগ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এই বৈষম্য এবং শোষণের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সোচ্চার হন। শুরু করেন রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এবং ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

কিন্তু পাকিস্তানি জান্তারা পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশের সব অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়ে যায়। রাস্তা-ঘাট নেই, রেললাইন-ব্রিজ-কালভার্ট ধ্বংসপ্রাপ্ত, সমুদ্রবন্দর-নদীবন্দর অচল, কলকারখানা বন্ধ, অফিস-আদালত ধ্বংস। একটা প্রদেশের প্রশাসনকে তিনি অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে একটা স্বাধীন দেশের উপযোগী করে একেবারে শূন্য হাতে দেশের পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেন। ভারত থেকে ফিরে আসা এক কোটি শরণার্থীসহ দেশের অভ্যন্তরে উদ্বাস্তু হয়ে পড়া প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষকে পুনর্বাসন করেন। শহীদ পরিবার, নির্যাতিত পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা, ঘরবাড়ি হারানো সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৭ শতাংশ অতিক্রম করে। বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে প্রবেশ করে।

কিন্তু পাকিস্তানি জান্তার পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশের সব অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়ে যায়। রাস্তা-ঘাট নেই, রেললাইন-ব্রিজ-কালভার্ট ধ্বংসপ্রাপ্ত, সমুদ্রবন্দর-নদীবন্দর অচল, কলকারখানা বন্ধ, অফিস-আদালত ধ্বংস। একটা প্রদেশের প্রশাসনকে তিনি অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে একটা স্বাধীন দেশের উপযোগী করে একেবারে শূন্য হাতে দেশের পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেন। ভারত থেকে ফিরে আসা এক কোটি শরণার্থীসহ দেশের অভ্যন্তরে উদ্বাস্তু হয়ে পড়া প্রায় সাড়ে তিন কাটি মানুষকে পুনর্বাসন করেন। শহীদ পরিবার, নির্যাতিত পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা, ঘরবাড়ি হারানো সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৭ শতাংশ অতিক্রম করে। বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে প্রবেশ করে।

কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রীরা তাকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ হত্যার মাধ্যমে শুধু মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেই ধ্বংস করেনি, তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করে দেয়। এর প্রমাণ আপনারা দেখেছেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর একুশ বছরে।

তখন বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতি ছিল বন্যা-খরা, দুর্যোগ, ভিক্ষুকের দেশ হিসেবে। বার্ষিক বাজেটের একটা বড় অংশ আসতো বিদেশি সাহায্য থেকে। খাদ্যের জন্য বিদেশি সাহায্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে ৭৫-পরবর্তী সরকারগুলো। গ্রামগুলো ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। গ্রামের মানুষের দিকে তাকানোর কেউ ছিল না। যোগাযোগের জন্য রাস্তা ছিল না, বিদ্যুৎ ছিল না, মানুষের হাতে কাজ ছিল না। অনাহারে, অর্ধাহারে মানুষ দিন পার করতো। সারাদিন মজুরি খেটে ২ সের চালও জুটতো না।

৬ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে ১৯৮১ সালে দেশে আসার পর আমি ব্যাপকভাবে দেশের প্রত্যন্ত এলাকা সফর করি। আমি সে সময়ই প্রতিজ্ঞা করি যদি কোনোদিন আল্লাহ আমাকে সুযোগ দেন দেশ পরিচালনার, তাহলে গ্রামোন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। গ্রামের মানুষের উন্নয়নে কিছু করবো। তখন ৭০-৮০ ভাগ মানুষ গ্রামে বাস করতো। আমার মনে হয়েছিল এদের যদি দারিদ্র্যমুক্ত করতে পারি, তাহলেই বাংলাদেশ দারিদ্র্যমুক্ত হবে।

১৯৯৬ সালে জনগণের রায় নিয়ে আমি প্রথমবার সরকার গঠন করে আমার চিন্তা-চেতনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। নতুন নতুন পরিকল্পনা, কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি প্রবর্তনের মাধ্যমে গরিব, প্রান্তিক মানুষদের সরকারি ভাতার আওতায় নিয়ে এসেছি। কৃষি উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে দেশকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলাম। মাঝখানে ৫ বছর বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় ছিল। তারা কী করেছিল আপনারা জানেন। ২০০৯ সালে দায়িত্ব নিয়ে আমরা অব্যাহতভাবে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আজকের যে অর্জন, স্বল্নোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ, তা আমাদের বিগত ১২ বছরের নিরলস পরিকল্পনা, পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টার ফসল। দেশের মানুষই এসব করেছেন। আমরা সরকারে থেকে শুধু নীতি-সহায়তা দিয়ে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছি।

মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা - এই তিনটি সূচকের ভিত্তিতে জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পর্যালোচনা করে। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের তিনটি মানদণ্ডই খুব ভালোভাবে পূরণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর অনুষ্ঠিত ত্রি-বার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ পুনরায় সব মানদণ্ড অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে পূরণের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করলো।

জাতিসংঘের পর্যালোচনায় ২০১৯ সালে মাথাপিছু আয়ের মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ২২২ মার্কিন ডলার। ওই বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৮২৭ ডলার। আর বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪ ডলার। অর্থাৎ মানদণ্ডের প্রায় ১.৭ গুণ। মানবসম্পদ সূচকে নির্ধারিত মানদণ্ড ৬৬-এর বিপরীতে বাংলাদেশের অর্জন ৭৫.৪। অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকে উত্তরণের জন্য মান নির্ধারিত ছিল ৩২ বা তার কম। কিন্তু ওই সময়ে এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৭।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দারিদ্র্য, ক্ষুধা, নিরক্ষাতামুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। এক যুগ আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। আজকের বাংলাদেশ এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আর্থিক এবং অন্যান্য সূচকগুলির দিকে লক্ষ্য করুন। ২০০৮-০৯ বছরে জিডিপির আকার ছিল মাত্র ১০৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৯-২০ সালে তা ৩৩০.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। এই ১২ বছরে সরকারি ব্যয় ৪.৭ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৭ হাজার ৯৬০ কোটি থেকে ২০১৯-২০ বছরে ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। ২০০৮-০৯ বছরে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১৫.৫৭ বিলিয়ন ডলার। আর ২০১৮-১৯ বছৱে তা ৪০ দশমিক পাঁচ-চার বিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পায়।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০০৮-০৯ বছরের ৭ দশমিক চার-সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৪৪ দশমিক শূন্য-তিন বিলিয়ন ডলারে উন্নত হয়েছে। ২০০১ সালে আমাদের দেশের দারিদ্র্যর হার ছিল ৪৮.৯ শতাংশ এবং হত-দারিদ্র্যের হার ছিল ৩৪.৩ শতাংশ। ২০১৯ সালে দারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে শতকরা ২০.৫ ভাগ এবং হত-দারিদ্র্যের হার ১০.৫ শতাংশে। খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে ৩য় এবং মাছ-মাংস, ডিম, শাকসবজি উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে এবং ইলিশ উৎপাদনকারী ১১ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। ২০০৯-১০ বছরে বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ছিল মাত্র ৫,২৭১ মেগাওয়াট। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৪ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।

বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী জনসংখ্যা ৪৭ থেকে ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। মানুষের গড় আয়ু ২০০৯-১০ বছরের ৬৯ দশমিক ছয়-এক বছর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯-২০ সালে দাঁড়িয়েছে ৭২.৬ বছর। ২০০৯-১০ বছরের তুলনায় ৫-বছর বয়সী শিশুমৃত্যুর হার অর্ধেক কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি হাজারে ২৮। মাতৃমৃত্যুর হার কমে দাঁড়িয়েছে লাখে ১৬৫ জনে যা ২০০৯-১০-এ ছিল ২৮০ জন। 

বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' এর সুবিধা আজ শহর থেকে প্রান্তিক গ্রাম পর্যায়ে বিস্তৃত হয়েছে। প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট' এর সুবিধা কাজে লাগিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দেশের গৃহহীনদের ঘর প্রদান কর্মসূচির আওতায় ৮ লাখ ৯২ হাজার গৃহহীনকে ঘর প্রদান করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও ৫০ হাজার গৃহ নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৩৪৬ পরিবারকে বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। 

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি খাতে চলতি বাজেটে ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা বাজেটের ১৬ দশমিক আট-তিন শতাংশ এবং জিডিপির ৩ দশমিক শূন্য-এক শতাংশ। উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ২৫ লাখ। প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত ২ কোটি ৫৩ লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি, উপ-বৃত্তি প্রদান করা হয়। 

করোনাকালে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মী, নন-এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে-মাদ্রাসার শিক্ষক, শিল্পী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রায় আড়াই কোটি মানুষকে নগদ ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের নারীরা আজ স্বাবলম্বী। জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্সে ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০তম এবং নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে ৭ম। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২০ সাল শুধু আমাদের জন্য নয় গোটা বিশ্বের জন্য ছিল সঙ্কটময়। এ মহামারিতে যাদের মৃত্যু হয়েছে আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি। আমরা ইতোমধ্যে টিকা প্রদান শুরু করেছি। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৯৪০ জনকে প্রথম ডোজ টিকা প্রদান করা হয়েছে।

অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে এখন পর্যন্ত আমরা ১ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকার ২৩টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি, যা মোট জিডিপি’র ৪.৪৪ শতাংশ।

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ফলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ একটি প্রত্যয়ী ও মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে জায়গা করে নেবে। আমাদের এ অর্জনকে সুসংহত এবং টেকসই করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের জন্য এটি একটি বিশেষ ধাপ।

ইতোমধ্যে আমরা অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। টেকসই উয়ন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কৌশল এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলি নদীর তলদেশে টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, মহেশখালী-মাতারবাড়ি সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পসহ বেশকিছু মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এগুলোর কতগুলো এ বছর বা আগামি বছরের শুরুতে চালু হবে।

এছাড়া সারা দেশে একশত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, দুই ডজনের বেশি হাইটেক পার্ক এবং আইটি ভিলেজ নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। এসব বাস্তবায়ন হলে কর্মসংস্থান তৈরিসহ আমাদের অর্থনীতিতে আরও গতি সঞ্চার হবে। বাঙালি বীরের জাতি। মাত্র নয় মাসে আমরা আমাদের স্বাধীনতার লাল সূর্যকে ছিনিয়ে এনেছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমাদের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত থাকলে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ অচিরেই একটি উন্নত-সমৃদ্ধ মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।

আসুন, দলমত নির্বিশেষে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীয় এ মাহেন্দ্রক্ষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করি। সবাইকে ধন্যবাদ।



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৭৩৬০৭৪ ৮২৮৮৪ ৬৪২৪৪৯ ১০৭৪১
বিস্তারিত
ইফতারে তরমুজ খেলে যত উপকার পরিবারকে না জানিয়েই মরদেহ ফেলে দিচ্ছে হাসপাতাল মৎস্য ঘেরে ভাসছিল গৃহবধূর মরদেহ দেশে কারফিউ চান সুবর্ণা মুস্তাফা হেফাজতের দুই নেতা ৯ দিনের রিমান্ডে প্রতিদিন ১০০ অসহায়কে ইফতারি দিচ্ছে কলাবাগান থানা ছাত্রলীগ ২১দিন পর করোনামুক্ত রিয়াজ দেশে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্ট, হেফাজত নেতা গ্রেফতার গুগল মিটে ভিডিও ব্যাকগ্রাউন্ড পাল্টাবেন যেভাবে সেচসুবিধা বাড়াতে খাল খনন করা হবে: কৃষিমন্ত্রী নচিকেতার সুরে গাইলেন টিনা রাসেল গুজরাটে মসজিদই এখন করোনা হাসপাতাল! রাবারের নৌকায় সাগর পাড়ির চেষ্টা, ১২০ জনের মৃত্যুর শঙ্কা! তাণ্ডবের ঘটনায় বিচার চেয়ে হেফাজত নেতার পদত্যাগ বিশেষ ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়লেও কাটেনি শিডিউল বিড়ম্বনা আপন ঠিকানায় স্বপ্নের মেট্রোরেলের প্রথম কোচ সেট সুস্থ মাকে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন পিঠে সিলিন্ডার বাঁধা সেই ছেলে দোকানকর্মীকে চড় মারলেন স্ত্রী, বিপাকে রাষ্ট্রদূত (ভিডিও) আজকের ইফতার ও সেহরির সময়সূচি কেমিক্যাল গুদামে আবারও আগুন: দায়িত্বে অবহেলায় আইনি ব্যবস্থার দাবি সময় সংবাদে প্রতিবেদনের পর শিশুমনি নিবাসে ঠাঁই হলো জয়নবার বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ঢাকামুখী মানুষের উপচেপড়া ভিড় পাকিস্তানের বিপক্ষে ছিটকে গেলেন আরভিন চট্টগ্রামে একদিনে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে বিশ্বকাপ উপলক্ষে কাতারে নামছে ১০ হাজার বিশেষায়িত বাস দুই গরুর সংঘর্ষের জেরে মরল মানুষ মুভমেন্ট পাস ছাড়া কি শপিংমলে যাওয়া যাবে? ব্রহ্মপুত্রের বালু লুটে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা বার্সেলোনা ওপেনে রাফায়েল নাদালের জয় ইউরোপিয়ান সুপার লিগ হলে ক্ষতির মুখে পড়বে অন্যান্য আসরগুলো রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৩ আমর্ড পুলিশ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করোনার ব্যাগভর্তি টিকা চুরি, চিঠি লিখে ফেরত দিল চোর! ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সাবমেরিন উদ্ধার করতে হবে পৃথিবীর মাত্র ৩ শতাংশ এখনো অক্ষত! সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি জিম্বাবুয়ে-পাকিস্তান ক্যান্ডি টেস্টে সুবিধাজনক অবস্থায় টাইগাররা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন দুই চ্যালেঞ্জ: ওবায়দুল কাদের সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র চেষ্টা করেও ঠেকাতে পারিনি: ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শুধু ভবন পুড়েনি, পুড়ে গেছে একটি সাজানো পরিবার কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে রেকর্ডের ছড়াছড়ি 'কাগজে-কলমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার মেনে নেবে না ইরান' করোনা রোগীদের মাঝে হলি ফ্যামিলি ছাত্রলীগের ফল বিতরণ অক্সিজেন সংকটে দিল্লির বহু হাসপাতাল অবশেষে তুরস্ককে বাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র লকডাউনেও জমজমাট ইলিশের বেচাকেনা সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নোবেল! উত্তেজনার মাঝেই ক্রিমিয়ায় বড় সামরিক মহড়া রাশিয়ার বাড়িতে কীভাবে অক্সিজেন তৈরি করা যায়, গুগলে সার্চের হিড়িক হেরেই চলেছে কলকাতা, মরগ্যানের নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনায় শেবাগ নগদে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাবে ১৫ লাখ পরিবার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেবে ভারত একটি গ্রামে টানা ২০ দিন ‘রহস্যজনক’ আগুন! কেমিকেল গুদামে আগুন: আরও ২ জনের মরদেহ উদ্ধার দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত মোদির জন্য কেউ নিঃশ্বাস নিতে পারছে না: নুসরাত শীর্ষ ধনী এলন মাস্কের যে ঘটনা এখন বিশ্বব্যাপী আলোচিত বাগেরহাটে আখক্ষেতে শিশু ধর্ষণ, দুই তরুণ গ্রেফতার চরফ্যাশনে সেপটিক ট্যাংক থেকে ২ জনের মাথার খুলি উদ্ধার রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস ঘোষণা কুয়েতে কারফিউয়ের মেয়াদ বাড়ল কাপড়ের মাস্ক নিয়ে যা বলল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আড়িয়াল বিলে ধান কাটল স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিট প্রস্তুত স্কুলগুলোতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে কানাডিয়ান জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই স্কুল খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র স্বাস্থ্যকর্মীদের খাবারের দায়িত্ব নিলেন সালমান খান অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি ইউরোপীয় কমিশনের বাংলাদেশি যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাগুরায় তালের রস পান করে ৩০ জনের ডায়রিয়া পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের প্রচারণায় কঠোর বিধিনিষেধ করোনায় লণ্ডভণ্ড ভারত, সংক্রমণ ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড অনলাইনে অভিনব প্রতারণা, ৪ কোটি টাকা ধরা খেলেন নারী দেশে হলুদ জাতের ‘গোল্ডেন ক্রাউন’ তরমুজ চাষ জ্বলন্ত বাড়ি থেকে টিয়া পাখি উদ্ধার, ফায়ার সার্ভিসের মানবিক দৃষ্টান্ত হেফাজত নেতাদের ওয়াজের ভিডিও খুঁজছে পুলিশ মাস্ক নেই, তাই মুখে লাগালেন বাবুই পাখির বাসা! আগাম বন্যার আশঙ্কায় কাঁচাপাকা ধান কাটছেন কৃষকরা খরায় ঝরে পড়ছে আমের গুটি ৭ দিনে ঢাকার বায়ুদূষণ কমেছে ৪৫ শতাংশ! চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় রাজত্ব করছে ‘জো বাইডেন’ ঘরে ডেকে ২ যুবকের নগ্ন ভিডিও করে দুই নারী ধরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ের পূর্বাভাস কেয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পূবালী ব্যাংক, নিলামে উঠছে যা যা লকডাউনে বেড়েছে ই-কুরিয়ারের চাহিদা বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে ৩টি রকেট হামলা কারারক্ষীর চাকরি হারিয়ে প্রতারণা, এমপি তন্ময় পরিচয় দিয়ে ধরা মহারাষ্ট্রে হাসপাতালে আগুন, ১৩ করোনা রোগীর মৃত্যু অক্সিজেনের অভাবে মারাত্মক হুমকির মুখে স্বাস্থ্যসেবা খাত নারায়ণগঞ্জে বাসায় বিস্ফোরণ, নারী ও শিশুসহ দগ্ধ ১১ আরমানিটোলার আগুনে পুড়ে অঙ্গার ইডেন ছাত্রী চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন ফরম্যাট নিয়ে তোপের মুখে উয়েফা জেনে নিন আজকের রাশিফল চাঁদপুরে এক কোটি মিটার কারেন্ট জাল আটক বান্দরবানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা নিহত টেকনাফে রোহিঙ্গা ডাকাতের গুলিতে যুবক নিহত একদিনে আবারও সর্বোচ্চ করোনা রোগী দেখল বিশ্ব ২৩ এপ্রিল: ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল আরমানিটোলায় কেমিকেলের আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ২ মেসির আরও একটা রেকর্ড, বার্সেলোনার বড় জয়
আরও সংবাদ...
কাবিলার মুক্তির দাবি দর্শকদের, যা বললেন নির্মাতা পরশ মনিকে ফলো করেন মামুনুল হক! লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান অশ্লীল ভিডিওতে ঠাসা ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের ফোন, বিয়েতেও ধোঁয়াশা! ঢাকায় লকডাউনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মিছিল-অবরোধ (ভিডিও) হেফাজত নেতা মামুনুল হক ‘নারীসহ’ অবরুদ্ধ (ভিডিও) মামুনুলকে ‘গাদ্দার’ বলে ক্ষোভ ঝাড়লেন সেই নারীর ছেলে (ভিডিও) মামুনুলের সঙ্গে থাকা সেই নারীর পরিচয় মিলেছে যে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে গেলেন কবরী শৌচাগারে ঢুকে পুরুষের নগ্ন ভিডিও করা মিথিলা এখন ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ এক বাংলাদেশিকে নাগরিকত্ব দিলেন কিম জং উন সাসপেন্ড হলেন ফেসবুক লাইভে আসা সেই পুলিশ সদস্য মুক্ত হয়ে যা বললেন মামুনুল হক (ভিডিও) জনপ্রিয় ৫ ভিপিএন বিরল ঘটনা, ৫ বছর বয়সে সন্তান জন্ম! রিসোর্টের রেজিস্টারে যা লিখেছিলেন মামুনুল হক সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা ‘বন্ধুর সাবেক স্ত্রীকে বিবাহ করেছি’ লাইভে মামুনুল হক (ভিডিও) দেশের মোবাইল গ্রাহকদের জন্য দুঃসংবাদ এবার তৃতীয় বিয়ের দাবি মামুনুল হকের! বাংলাদেশ নিয়ে ফেসবুকের বিবৃতি শুক্রবার টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় বাংলাদেশের আকাশে রহস্যময় মিথেন গ্যাস! করোনায় দেশের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, শনাক্তেও রেকর্ড মামুনুলের বিষয়ে হেফাজতের সিদ্ধান্ত জানালেন বাবুনগরী ‘তুই মেডিকেলে চান্স পাস নাই, তাই তুই পুলিশ’ (ভিডিও) বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ২০০ প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা পড়াশোনার খরচ চালাতে দেহ ব্যবসায় ঝুঁকছেন শিক্ষার্থীরা! মুক্তির পর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন মামুনুল হক লকডাউনের পথে দেশ! টানা দু’দিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় বাবুনগরীর দুর্নীতির তথ্য ফাঁস, ভিডিও ভাইরাল মামুনুল কাণ্ড: জান্নাত আরার সাবেক স্বামী শহিদুল আটক অভিনেতা শামীমের সন্ধান মিলল আরেফিন শুভর দেওয়া কষ্ট মৃত্যু পর্যন্ত মনে রাখবেন পরিচালক অডিও ফাঁস, বাসে আগুন ধরানোর নির্দেশ দেন নিপুণ রায় ছেলের বিয়ের দিন মা জানলেন কনে তার হারিয়ে যাওয়া মেয়ে! ওমর সানী-মৌসুমীর ছেলের বিয়ে সম্পন্ন লকডাউনে দোকান বন্ধ করতে বলায় আনসারকর্মীকে খুন মিনা পাল থেকে কবরী হলেন যেভাবে শারীরিক সম্পর্কে জোর করায় হাত-পা বেঁধে স্বামীকে হত্যা সর্বাত্মক লকডাউনের প্রজ্ঞাপন মামুনু‌ল হকের প‌ক্ষে স্ট্যাটাস দেয়ায় বহিষ্কার ছাত্রলীগ নেতা ‘ওই মহিলা আমার স্ত্রী নয়, শহীদুল ইসলাম ভাইয়ের স্ত্রী’ মামুনুল হকের বিষয়ে একের পর এক অডিও ফাঁস ৩ পুরুষাঙ্গের বিরল শিশুর জন্ম ৩৪ পয়সায় কথা বলুন যেকোন নম্বরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ফারুক-কবরী ছাত্রলীগ নেতা রাব্বানীকে নিয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ‘জবা’র স্ট্যাটাস ‘অসম্ভবকে’ সম্ভব করল জাপান
আরও সংবাদ...

মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে