সম্পূর্ণ নিউজ সময়
মহানগর সময়
৬ টা ৪ মিঃ, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

ধর্ষণে নয়, খাবারে বিষক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু!

ধর্ষণের কারণে নয়, খাবারে বিষক্রিয়ার ফলেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সেলিম রেজা।
মৌসুমী ইসলাম

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার যোগাযোগ করে হলে তিনি ফোনে সময় সংবাদকে এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, ওই শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি।

সেলিম রেজা বলেন, তার শরীরে জোরপূর্বক ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি। খাবারে বিষক্রিয়ার ফলে তার মৃত্যু হতে পারে। আমরা আলামত সংগ্রহ করে ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি। রিপোর্ট এলে আমরা বিস্তারিত বলতে পারব।

এদিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় দুই বন্ধুর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া তাদের রিমান্ডের আদেশ দেন। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সময় নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন হিরণ।

এর আগে রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মূল অভিযুক্ত রায়হানসহ ২ বন্ধুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী মারা যান।

পরিবারের অভিযোগ, ওই ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার বন্ধুদের সঙ্গে ওই ছাত্রী উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় যান। সেখানে অসুস্থবোধ করলে তাকে বান্ধবীর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শনিবার (৩০ জানুয়ারি) তাকে রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রোববার তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় অজ্ঞাত একজনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছে ওই ছাত্রীর পরিবার।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মৃত্যুঞ্জয় দে সজল জানান, চার বন্ধু মিলে উত্তরার একটি রেস্টুরেন্টে যায়। সেখানে তারা মদ পান করে। এর মধ্যে একটা মেয়ে অসুস্থ হয়ে চলে যায়। আর বাকিদের মধ্যে আরাফাত, রায়হান এবং আরেকটি মেয়ে উবারে করে আসে। এদের মধ্যে আরাফাত গতকাল রোববার মারা গেছে। 

রায়হান এবং ওই মেয়েটার পূর্বসম্পর্ক ছিল। একটি বাসায় নেওয়ার পর মেয়েটি অসুস্থ বোধ করলে তারা ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যায় কিন্তু তারা রোগী রাখে নাই। পরে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে সোমবার সকালে মেয়েটি মারা গেছে।

মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে।

তিনি বলেন, মামলার প্রেক্ষিতে দুজন আসামিকে আমরা গ্রেফতার করেছি। আরেকজন আসামি আরাফাত, সে মারা গেছে।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়