সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাংলার সময়
১৪ টা ৩৬ মিঃ, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১

সাভারে ছাত্রলীগ নেতাসহ ১৯ জনের নামে মামলা

ঢাকার আশুলিয়ায় এক ইলেক্ট্রিশিয়ান শাহজাদা খন্দকার মনাকে (৫৫) কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
মোজাফ্ফর হোসেন জয়

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়। 

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডেন্ডাবর নতুন পাড়া এলাকার মৃত নুরুল হক খন্দকারের ছেলে শাহজাদা খন্দকার মনা (৫৫) কে নিজ বাড়ির পাশে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম করে। পরে গভীর রাতে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের ভাই শাহাবুদ্দিন খন্দকার পিন্টু ও তার স্ত্রী আলেয়া বেগম। 

পরে শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) রাতে আশুলিয়া থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন নিহতের ভাই শাহাবুদ্দিন খন্দকার পিন্টু। 

মামলার আসামিরা হলেন- ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ডেন্ডাবর নতুন পাড়া এলাকার আলাউদ্দিন মিস্ত্রির ছেলে আল আমিন ওরফে বাবু মিজি (২৬), একই এলাকার জমির মোল্লার ছেলে নুরুজ্জামান (৩৫), শাহজাহানের ছেলে ও আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ টিটু (৩০), শাহজাহান সরকারের ছেলে ও আশুলিয়া থানা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নেতা সাইফুল ওরফে ছোট সাইফুল (৩৮) ও কবির হোসেনের ছেলে রনি (২৪), জয়পুরহাট জেলার সদর থানার রিপন হোসেনের ছেলে রকি (২১), নড়াইল জেলার নড়াগতি থানার খাশিয়াল গ্রামের গোলাম রসুলের ছেলে রেজাউল ইসলাম পারভেজ (১৯), মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার কচুয়া গ্রামের লিটনের ছেলে মেহেদী হাসান নাজমুল (২৫), একই জেলার সদর থানার ইসলামপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে ও যুবলীগকর্মী আরিফ (৩০) ও শিবালয় থানার তেওতা গ্রামের মৃত আক্তার হোসেনের ছেলে জুয়েল (৩০), টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার সিনন্দীন গ্রামের নান্নু মিয়ার ছেলে সুমন (২৫) ও একই জেলার দেলদুয়ার থানার নান্দুলিয়া গ্রামের মৃত আমির খানের ছেলে রাব্বী (১৯)। তবে তারা সবাই ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ডেন্ডাবর নতুন পাড়া এলাকার বর্তমান বাসিন্দা।

এ ঘটনায় গ্রেফতার চার জন হলেন- মো. জুয়েল, মো. নুরুজ্জামান, মেহেদী হাসান নাজমুল ও রেজাউল ইসলাম পারভেজ। 

আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শামিউল আলম শামিম বলেন, ‘আটক জুয়েল, নুরুজ্জামান, সুমন, মেহেদী নামে কোন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীকে আমি চিনি না। শুধু আরিফকে চিনি ভালো করে। সে যুবলীগ করে। আর টিটোরে একটা পক্ষ ফাঁসাচ্ছে। টিটু যেহেতু আমার কমিটির সাধারণ সম্পাদক। সে যদি অপরাধী হয় তাহলে শাস্তি হবে। মামলা হওয়া মানেইতো সে অপরাধী না।’

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, গতকাল রাতেই নিহতের ভাই শাহাবুদ্দিন খন্দকার পিন্টু একটি মামলা দায়ের করেছেন। অজ্ঞাত ৭ থেকে ৮ জনসহ মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে। ছাত্রলীগের এক নেতাও মামলায় আসামি। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার চারজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ দুপুরে ঢাকার মুখ্য বিচারিক আদালতে পাঠানো হবে। 

কি কারণে হত্যাকাণ্ড এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখনো তদন্ত অব্যাহত হয়েছে। পূর্ব শত্রুতা কিংবা স্থানীয় কোন কিছু নিয়ে শত্রুতার জের থাকতে পারে।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়