সম্পূর্ণ নিউজ সময়
খেলার সময়
১৮ টা ২৬ মিঃ, ২১ অক্টোবর, ২০২০

নাটকীয় ম্যাচে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় তামিমদের

সম্ভাবনা জাগিয়েও ফাইনালে ওঠা হলো না তামিম একাদশের। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের লো স্কোরিং ম্যাচে তামিমদের বিপক্ষে ৭ রানের জয় পেয়েছে নাজমুল শান্ত একাদশ। 
Somoy News
খেলার সময় ডেস্ক

বৃষ্টিবিঘ্নিত ৪১ ওভারের ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে শান্ত'র দল। জবাবে ডিএল মেথডে ১৬৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২ বল বাকি থাকতে ১৫৭ রানে গুটিয়ে যায় তামিম একাদশ। ৪ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরা তাসকিন আহমেদ।

লকডাউনের গ্যাঁড়াকলে ব্যাটিংয়ের সূত্রটাই যেনো গুলে খেয়েছেন উইলোবাজরা। অথচ অঙ্কে পাকা ছাত্রের মতোই সাদা বলে রঙিন দ্যুতি ছড়াচ্ছেন পেসাররা। আগুনে গতির প্রদর্শনে লো-স্কোরিং ম্যাচটাকে তাই দারুণ উপভোগ্য করে তুললেন তাসকিন।

আগের ম্যাচ তিনটার মতো এদিনও টপ অর্ডার নড়বড়ে, সবার আগে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করা দলটা। দলীয় রান দুই অংকে না পৌঁছাতেই ব্যক্তিগত ৭ রানে সাজঘরে সৌম্য। সাইফুদ্দিনের গতি আর মুভমেন্টের কাছে পরাস্ত হয়ে ধরা পড়েছেন আকবর আলীর হাতে। 

১০ রান করেই বিদায় নেন আরেক ওপেনার ইমন। অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশংসা এলেও আরেকবার হতাশ করেছে শান্ত'র ব্যাট। কাপ্তানের ৫-এ ২৫ রানেই গায়েব টপঅর্ডারের ৩ ব্যাটসম্যান।

স্রোতের বিপরীতে এদিনও দলকে টেনে নিচ্ছিলেন মুশফিক-আফিফ জুটি। ৯০ রানের পার্টনারশিপে সামাল দেন প্রাথমিক বিপর্যয়। আসরে নিজের ২য় ফিফটি তুলে পরের বলেই নিজের নামের সঙ্গে বেমানান একটা শটে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। 

হৃদয়ের সঙ্গে নতুন করে বোঝা পড়ার চেষ্টাটা স্পষ্ট ছিলো আফিফের ব্যাটে, তবে ব্যক্তিগত চল্লিশেই স্পিনার মাহাদির বলে স্কুপ করতে গিয়ে ভুলটা করেছেন এই তরুণ অলরাউন্ডার।

এরপর আর ইরফান-হৃদয়দের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেননি ফিজ-সাইফুদ্দিনরা। ১২৯ থেকে ১৬৫, ৩৫ রানের মধ্যে ৫টা উইকেট ভাগাভাগি করে নেন দুই পেসার৷

ম্যাচে ২৬ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন সাইফুদ্দিন। ৩ টি উইকেট নেন মুস্তাফিজ।

জবাব দিতে নেমে এদিনও ব্যর্থ তামিম একাদশের ওপেনার এনামুল হক বিজয়। ব্যক্তিগত ৭ ও দলীয় ১০ রানে তাসকিনের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

তরুণ ব্যাটসম্যান অঙ্কনকে নিয়ে শুরুর বিপদ সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। দু'জনে গড়েন ৬৮ রানের জুটি। ২২ রান করে রানআউটের ফাঁদে পড়েন অঙ্কন।

ইয়াসির রাব্বি টেকেননি বেশিক্ষণ। তার সংগ্রহ মাত্র ৬ রান।

ফিফটি তুলে নিয়ে ৫৭ রান করে আউট হন তামিম ইকবাল। তার বিদায়ের পর আবারো বিপদে পড়ে দল।

মোসাদ্দেক সৈকত, শেখ মেহেদি, আকবর আলীরা পারেননি হাল ধরতে। ২৯ রান করা মিথুন প্রয়োজনের সময়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন। 

শেষদিকে সাইফুদ্দিনের ব্যাটে চড়ে জয়ের স্বপ্ন দেখলেও, শেষ ওভারে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন এই তরুণ অলরাউন্ডার। ফলে জয় থেকে ৭ রান দূরে থাকতেই অলআউট হয়ে যায় তামিম একাদশ। ৩৬ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে শান্ত একাদশ লড়বে মাহমুদুল্লাহ বাহিনীর বিপক্ষে।

 

© ২০২১ সময় মিডিয়া লিমিটেড
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়