x
শেখ হাসিনা
আপডেট
০৯-১০-২০২০, ১৬:০৫

পত্রিকা পড়ার গল্প

পত্রিকা পড়ার গল্প
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছেলেবেলার স্মৃতি থেকে কীভাবে সংবাদপত্র তার দৈনন্দিন জীবনের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হয়ে উঠেছে এবং বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রভাবে শৈশবকাল থেকেই কীভাবে তিনি অভ্যাসটি বিকাশ করেছিলেন তা নিয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছেন। নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত আকারে ইতোপূর্বে একটি টিভি চ্যানেলের বিশেষ সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছিল। নিবন্ধটি সময় নিউজের পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো-

এক
ভোরে ঘুম থেকে উঠে একে একে সকলে জড়ো হতাম মায়ের শোবার ঘরে। হাতে চায়ের পেয়ালা, বিছানার উপর ছড়ানো-ছিটানো খবরের কাগজ … একজনের পর আরেকজন, এক-একটা খবর পড়ছে আর অন্যেরা মন দিয়ে শুনছে বা মতামত দিচ্ছে। কখনও কখনও তর্কও চলছে – কাগজে কী লিখল বা কী বার্তা দিতে চাচ্ছে? যার যার চিন্তা থেকে মতামত দিয়ে যাচ্ছে। এমনিভাবে জমে উঠছে সকালের চায়ের আসর আর খবরের কাগজ পড়া।

আমাদের দিনটা এভাবেই শুরু হতো। অন্তত ঘণ্টা তিনেক এভাবেই চলতো। আব্বা প্রস্তুত হয়ে যেতেন। আমরাও স্কুলের জন্য তৈরি হতাম। আব্বার অফিস এক মিনিটও এদিক-সেদিক হওয়ার জো নেই। সময়ানুবর্তিতা তার কাছে থেকেই আমরা পেয়েছি।

সংবাদপত্র পড়া ও বিভিন্ন মতামত দেওয়া দেখে আব্বা একদিন বললেন: “বলতো? কে কোন খবরটা বেশি মন দিয়ে পড়?”

আমরা খুব হকচকিয়ে গেলাম। কেউ কোন কথা বলতে পারি না। আমি, কামাল, জামাল, রেহানা, খোকা কাকা, জেনী সকলেই সেখানে। এমন কি ছোট্ট রাসেলও আমাদের সাথে। তবে, সে পড়ে না, কাগজ কেড়ে নেওয়ার জন্য ব্যস্ত থাকে।

আমরা কিছু বলতে পারছি না দেখে আব্বা নিজেই বলে দিলেন-কে কোন খবরটা নিয়ে আমরা বেশি আগ্রহী। আমারা তো হতবাক। আব্বা এত খেয়াল করেন! মা সংবাদপত্রের ভিতরের ছোট ছোট খবরগুলি, বিশেষ করে সামাজিক বিষয়গুলি, বেশি পড়তেন। আর কোথায় কী ঘটনা ঘটছে তা-ও দেখতেন। কামাল স্পোর্টসের খবর বেশি দেখতো। জামালও মোটামুটি তাই। আমি সাহিত্যের পাতা, আর সিনেমার সংবাদ নিয়ে ব্যস্ত হতাম। এভাবে একেকজনের একেক দিকে আগ্রহ।

খুব ছোটবেলা থেকেই কাগজের প্রতি রেহানার একটা আলাদা আকর্ষণ ছিল। আব্বা ওকে কোলে নিয়ে বারান্দায় চা খেতেন আর কাগজ পড়তেন। কাগজ দেখলেই রেহানা তা নিয়ে টানাটানি শুরু করতো – নিজেই পড়বে– এমনটা তার ভাব ছিল। এর পর ধানমন্ডির বাড়িতে যখন আমরা চলে আসি, তখন আমাদের সাথে সাথে ওরও কাগজ পড়া শুরু হয়। যখন একটু বড় হলো, তখন তো তার খুটিয়ে খুটিয়ে খবর পড়ার অভ্যাস হলো। ওর দৃষ্টি থেকে কোন খবরই এড়াতো না, তা সিনেমার খবর হোক বা অন্য কিছু। আর ছোটদের পাতায় অনেক গল্প, কবিতা, কুইজ থাকতো। রেহানা সেগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তো।

এখন রেহানা লন্ডনে থাকে। সেখানে সে অনলাইনে নিয়মিত দেশের পত্রপত্রিকা পড়ে। শুধু যে পড়ে তাই না, কোথায়ও কোন মানুষের দুঃখ-কষ্টের খবর দেখতে পেলে সাথে সাথে আমাকে মেসেজ পাঠায় – অমুককে সাহায্য কর, এখানে কেন এ ঘটনা ঘটলো, ব্যবস্থা নাও…। উদাহরণ দিচ্ছি। এই তো করোনাভাইরাসের মহামারির সময়েরই ঘটনা। একজন ভিক্ষুক ভিক্ষা করে টাকা জমিয়েছিলেন ঘর বানাবেন বলে। কিন্তু করোনাভাইরাসের মহামারি শুরু হওয়ায় ঐ ভিক্ষুক তার সব জমানো টাকা দান করে দেন করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসার জন্য। খবরের কাগজে এ মহানুভবতার খবর রেহানার মনকে দারুণভাবে নাড়া দেয়। আমাকে সাথে সাথে সে বিষয়টা জানায়। আমরা তার জন্য ঘর তৈরি করে দিয়েছি। এভাবে এ পর্যন্ত অনেক মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরেছি শুধু আমার ছোট্ট বোনটির উদার মানবিক গুণাবলীর জন্য; ওর খবরের কাগজ পড়ার অভ্যাসের কারণে। সুদূর প্রবাসে থেকেও প্রতিনিয়ত সে দেশের মানুষের কথা ভাবে। পত্রিকায় পাতা থেকে খবর সংগ্রহ করে মানুষের সেবা করে।

দুই

আমার ও কামালের ছোটবেলা কেটেছে টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামের বাড়িতে। সেকালে ঢাকা থেকে টুঙ্গিপাড়ায় যেতে সময় লাগতো দুই রাত একদিন। অর্থাৎ সন্ধ্যার স্টিমারে চড়লে পরের দিন স্টিমারে কাটাতে হতো। এরপর শেষ রাতে স্টিমার পাটগাতি স্টেশনে থামতো। সেখান থেকে নৌকার দুই-আড়াই ঘণ্টার নদীপথ পেরিয়ে টুঙ্গিপাড়া গ্রামে পৌঁছানো যেতো।

কাজেই সেখানে কাগজ পৌঁছাত অনিয়মিতভাবে। তখন কাগজ বা পত্রিকা পড়া কাকে বলে তা শিখতে পারিনি। তবে, একখানা কাগজ আসতো আমাদের বাড়িতে। তা পড়ায় বড়দের যে প্রচণ্ড আগ্রহ তা দেখতাম।

ঢাকায় আমরা আসি ১৯৫৪ সালে। তখন রাজনৈতিক অনেক চড়াই-উৎড়াই চলছে। আব্বাকে তো আমরা পেতামই না। তিনি প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আবার মন্ত্রিত্বও পেলেন। তিনি এত ব্যস্ত থাকতেন যে গভীর রাতে ফিরতেন। আমরা তখন ঘুমিয়ে পড়তাম। সকালে উঠে আমি আর কামাল স্কুলে চলে যেতাম। মাঝেমধ্যে যখন দুপুরে খেতে আসতেন, তখন আব্বার দেখা পেতাম। ওই সময়টুকুই আমাদের কাছে ভীষণ মূল্যবান ছিল। আব্বার আদর-ভালবাসা অল্প সময়ের জন্য পেলেও আমাদের জন্য ছিল তা অনেক পাওয়া।

বাংলার মানুষের জন্য তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। তার জীবনের সবটুকু সময়ই যেন বাংলার দুঃখী মানুষের জন্য নিবেদিত ছিল।

এর পরই কারাগারে বন্দি তিনি। বাইরে থাকলে মানুষের ভিড়ে আমরা খুব কমই আব্বাকে কাছে পেতাম। আর কারাগারে যখন বন্দি থাকতেন তখন ১৫ দিনে মাত্র এক ঘণ্টার জন্য দেখা পেতাম। এইতো ছিল আমাদের জীবন!

আমার মা আমাদের সব দুঃখ ভুলিয়ে দিতেন তার স্নেহ ভালবাসা দিয়ে। আর আমার দাদাদাদী ও চাচা শেখ আবু নাসের–আমাদের সব আবদার তারা মেটাতেন। যা প্রয়োজন তিনিই এনে দিতেন। আর আব্বার ফুফাতো ভাই খোকা কাকা সব সময় আমাদের সাথে থাকতেন। আমাদের স্কুলে নেওয়া, আব্বার বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সরকার যে মামলা দিত তার জন্য আইনজীবীদের বাড়ি যাওয়া– সবই মায়ের সাথে সাথে থেকে খোকা কাকা সহযোগিতা করতেন।

তবে আমার মা পড়াশেখা করতে পছন্দ করতেন। আমার দাদা বাড়িতে নানা ধরনের পত্রিকা রাখতেন। আব্বার লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে দাদার পত্রিকা কেনা ও পড়ার কথা উল্লেখ আছে। তখন থেকেই আব্বার পত্রিকা পড়ার অভ্যাস। আর আমরা তার কাছ থেকেই পত্রিকা পড়তে শিখেছি।

পত্রিকার সঙ্গে আব্বার একটা আত্মিক যোগসূত্র ছিল। আব্বা যখন কলকাতায় পড়ালেখা করছিলেন, তখনই একটা পত্রিকা প্রকাশের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। জনাব হাশেম এ পত্রিকার তত্ত্বাবধান করতেন এবং তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতেন। পত্রিকাটির প্রচারের কাজে আব্বা যুক্ত ছিলেন। ‘মিল্লাত’ ও ‘ইত্তেহাদ’ নামে ২টি পত্রিকাও প্রকাশিত হয়েছিল। সেগুলির সঙ্গেও আব্বা জড়িত ছিলেন। ১৯৫৭ সালে ‘নতুন দিন’ নামে আরেকটি পত্রিকার সঙ্গে আব্বা সম্পৃক্ত হন। কবি লুৎফর রহমান জুলফিকার ছিলেন এর সম্পাদক।

পাকিস্তান সৃষ্টির পর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর আর্থিক সহায়তায় ‘ইত্তেফাক’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া এ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। এ পত্রিকার সঙ্গেও আব্বা সংযুক্ত ছিলেন এবং কাজ করেছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর আব্বা ১৯৫৭ সালে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য তিনি মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়ে সংগঠনের কাজে মনোনিবেশ করেন। ১৯৫৮ সালে মার্শাল ল জারি করে আইয়ুব খান। আব্বা গ্রেফতার হন। ১৯৬০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান।

মুক্তি পেয়ে তিনি আলফা ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি শুরু করেন। কারণ এ সময় তার রাজনীতি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। এমনকি ঢাকার বাইরে যেতে গেলেও থানায় খবর দিয়ে যেতে হতো, গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়ে যেতে হতো। তবে আমাদের জন্য সে সময়টা আব্বাকে কাছে পাওয়ার এক বিরল সুযোগ এনে দেয়। খুব ভোরে উঠে আব্বার সাথে প্রাতঃভ্রমণে বের হতাম। আমরা তখন সেগুনবাগিচার একটি বাড়িতে থাকতাম। রমনা পার্ক তখন তৈরি হচ্ছে। ৭৬ নম্বর সেগুনবাগিচার সেই বাসা থেকে হেঁটে পার্কে যেতাম। সেখানে একটা ছোট চিড়িয়াখানা ছিল। কয়েকটা হরিণ, ময়ূর পাখিসহ কিছু জীবজন্তু ছিল তাতে।

বাসায় ফিরে এসে আব্বা চা ও খবরের কাগজ নিয়ে বসতেন। মা ও আব্বা মিলে কাগজ পড়তেন। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন।

ইত্তেফাক পত্রিকার ‘কচিকাঁচার আসর’ নামে ছোটদের একটা অংশ প্রতি সপ্তাহে বের হতো। সেখানে জালাল আহমেদ নামে একজন ‘জাপানের চিঠি’ বলে একটা লেখা লিখতেন। ধাঁধাঁর আসর ছিল। আমি ধাঁধাঁর আসরে মাঝেমধ্যে ধাঁধাঁর জবাব দিতাম। কখনও কখনও মিলাতেও পারতাম।

পত্রিকাগুলিতে তখন সাহিত্যের পাতা থাকতো। বারান্দায় বসে চা ও কাগজ পড়া প্রতিদিনের কাজ ছিল। আমার মা খুব খুটিয়ে খুটিয়ে কাগজ পড়তেন। দুপুরে খাবার খেয়ে মা পত্রিকা ও ডাকবাক্সের চিঠিপত্র নিয়ে বসতেন। আমাদের বাসায় নিয়মিত ‘বেগম’ পত্রিকা রাখা হতো। ন্যাশনাল ‘জিওগ্রাফি’, ‘লাইফ’ এবং ‘রিডার্স ডাইজেস্ট’ – কোনটা সাপ্তাহিক, কোনটা মাসিক আবার কোনটা বা ত্রৈমাসিক – এই পত্রিকাগুলি রাখা হতো। ‘সমকাল’ সাহিত্য পত্রিকাও বাসায় রাখা হতো। মা খুব পছন্দ করতেন। ‘বেগম’ ও ‘সমকাল’ – এ দুটোর লেখা মায়ের খুব পছন্দ ছিল।

সে সময়ে সাপ্তাহিক ‘বাংলার বাণী’ নামে একটা পত্রিকা প্রকাশ করা শুরু করলেন আব্বা। সেগুনবাগিচায় একটা জায়গা নিয়ে সেখানে একটা ট্রেড মেশিন বসানো হলো। যেখান থেকে ‘বাংলার বাণী’ প্রকাশিত হতো। মণি ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় পড়তেন। তাকেই কাগজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ১৯৬২ সালে আব্বা আবার গ্রেফতার হন। আমরা তখন ধানমন্ডির বাড়িতে চলে এসেছি। কারাগারে আব্বা যখন বন্দি থাকতেন, বাইরের খবর পাওয়ার একমাত্র উপায় থাকতো খবরের কাগজ। কিন্তু যে পত্রিকা দেওয়া হতো সেগুলি সেন্সর করে দেওয়া হতো।

বন্দি থাকাবস্থায় পত্রিকা পড়ার যে আগ্রত তা আপনারা যদি আমার আব্বার লেখা “কারাগারের রোজনামচা” পড়েন তখনই বুঝতে পারবেন। একজন বন্দির জীবনে, আর যদি সে হয় রাজবন্দি, তার জন্য পত্রিকা কত গুরুত্বপূর্ণ – তাতে প্রকাশ পেয়েছে। যদিও বাইরের খবরাখবর পেতে আব্বার খুব বেশি বেগ পেতে হতো না, কারণ জেলের ভিতরে যারা কাজ করতেন বা অন্য বন্দিরা থাকতেন, তাদের কাছ থেকেই অনায়াসে তিনি খবরগুলি পেতেন।

আমার মা যখন সাক্ষাৎ করতে যেতেন, তখন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তিনি আব্বাকে অবহিত করতেন। আর আব্বা যেসব দিক-নির্দেশনা দিতেন, সেগুলি তিনি দলের নেতাকর্মীদের কাছে পৌঁছে দিতেন। বিশেষ করে ছয়-দফা দেওয়ার পর যে আন্দোলনটা গড়ে উঠে, তার সবটুকু কৃতিত্বই আমার মায়ের। তার ছিল প্রখর স্মরণশক্তি।

বন্দি থাকাবস্থায় পত্রিকা যে কত বড় সহায়ক সাথী তা আমি নিজেও জানি। ২০০৭-০৮ সময়ে যখন বন্দি ছিলাম আমি নিজের টাকায় ৪টি পত্রিকা কিনতাম। তবে নিজের পছন্দমত কাগজ নেওয়া যেতো না। সরকার ৪টা পত্রিকার নাম দিয়েছিল, তাই নিতাম। কিছু খবর তো পাওয়া যেতো।

তিন

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের নির্মম বুলেটে আমার আব্বা, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, নির্মমভাবে নিহত হন। সেই সাথে আমার মা, তিন ভাইসহ পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়।

আমি ও আমার ছোট বোন শেখ রেহানা বিদেশে ছিলাম। সব হারিয়ে রিক্ত-নিঃস্ব হয়ে রিফুইজি হিসেবে যখন পরাশ্রয়ে জীবযাপন করি, তখনও পত্রিকা যোগাড় করেছি এবং নিয়মিত পত্রিকা পড়েছি।

১৯৮০ সালে দিল্লি থেকে লন্ডন গিয়েছিলাম। রেহানার সাথে ছিলাম বেশ কিছুদিন। তখন যে পাড়ায় আমরা থাকতাম, ওই পাড়ার ৮-১০ জন ছেলেমেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিতাম। ছুটি হলে সকলকে নিয়ে আবার ঘরে পৌঁছে দিতাম। বাচ্চা প্রতি এক পাউন্ড করে মজুরি পেতাম। ওই টাকা থেকে সর্বপ্রথম যে খরচটা আমি প্রতিদিন করতাম তা হলো কর্নারশপ থেকে একটা পত্রিকা কেনা। বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছে দিয়ে ঘরে ফেরার সময় পত্রিকা, রুটি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে বাসায় ফিরতাম। তখন একটা পত্রিকা হাতে না নিলে মনে হতো সমস্ত দিনটাই যেন ‘পানসে’ হয়ে গেছে।

সব সময়ই আব্বা ও মায়ের কথা চিন্তা করি। তারা দেশ ও দেশের মানুষের কথা ভাবতে শিখিয়েছেন। মানুষের প্রতি কর্তব্যবোধ জাগ্রত করেছেন। সাধাসিধে জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে উন্নততর সুচিন্তা করতে শিখিয়েছেন। মানবপ্রেম ও দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সচেতন করেছেন। সে আদর্শ নিয়ে বড় হয়েছিলাম বলেই আজ দেশসেবার মত কঠিন দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হচ্ছি। প্রতিদিনের রাষ্ট্র পরিচালনায় মানব কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে পরিকল্পনা নিতে পারছি এবং তা বাস্তবায়ন করছি। যার সুফল বাংলাদেশের মানুষ ভোগ করছে।

সমালোচনা, আলোচনা রাজনৈতিক জীবনে থাকবেই। কিন্তু সততা-নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করলে, নিজের আত্মবিশ্বাস থেকে সিদ্ধান্ত নিলে, সে কাজের শুভ ফলটা মানুষের কাছেই পৌঁছবেই।

গণমাধ্যম সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারে। আমি সরকার গঠন করার পর সব সরকারি পত্রিকা ব্যক্তি খাতে ছেড়ে দেই।

যদিও সরকারিকরণের বিরুদ্ধে যারা ছিলেন এবং সরকারিকরণ নিয়ে যারা খুবই সমালোচনা করতেন, তারাই আবার যখন বেসরকারিকরণ করলাম, তখন তারা আমার বিরুদ্ধে সমালোচনা করতেন। আন্দোলন, অনশনও হয়েছে।

আমি মাঝেমধ্যে চিন্তা করি, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে যে কয়টা পত্রিকা ছিল তা সরকারিকরণ করে সব সাংবাদিকের চাকরি সরকারিভাবে দেওয়া হলো, বেতনও সরকারিভাবে পেতে শুরু করলেন তারা, আবার তারাই সকল সুযোগসুবিধা নিয়েও আব্বার বিরুদ্ধে সমালোচনা করা শুরু করলেন। কেন?

আবার আমি যখন সব ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দিলাম, সরকারি পত্রিকা তখন কেন বেসরকারি করছি তা নিয়ে সমালোচনা, আন্দোলন, অনশন সবই হলো। কেন? এর উত্তর কেউ দেবেন না, আমি জানি।

১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে তখন বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়েকটা পত্রিকা ছিল। সেগুলিরও নিয়ন্ত্রণ হতো বিশেষ জায়গা থেকে। সরকারি মালিকানায় রেডিও, টেলিভিশন। বেসরকারি খাতে কোন টেলিভিশন, রেডিও চ্যানেল ছিল না।

আমি উদ্যোগ নিয়ে বেসরকারি খাত উম্মুক্ত করে দিলাম। এ ক্ষেত্রে আমার দুটি লক্ষ্য ছিল – একটা হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, আরেকটা হলো আমাদের সংস্কৃতির বিকাশ– বর্তমান যুগের সাথে আধুনিক প্রযুক্তি-নির্ভর সংস্কৃতি-শিল্পের সম্মিলন ঘটানো। যাতে আধুনিকতা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়, তৃণমূলের মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারে।

২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার করেছিলাম। ডিজিটাল ডিভাইস আমাদের কর্মজীবনে বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছে। বিশেষ করে করোনাভাইরাসের মোকাবেলা করতে সহায়তা করছে। সময়োচিত পদক্ষেপ নিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার সুযোগ পাচ্ছি।

১৯৯৬ সালেই মোবাইল ফোন বেসরকারি খাতে উম্মুক্ত করে দিয়েছি। আজ সকলের হাতে মোবাইল ফোন।

বাংলাদেশে সিনেমা শিল্পের শুরু হয়েছিল আব্বার হাত ধরে। এ শিল্পকে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন করে বাংলাদেশের মানুষের চিত্তবিনোদনের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। আবার সার্বিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনেও ভূমিকা রাখতে পারে এ শিল্প।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের কারণে আমরা এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্যে দিন যাপন করছি। আমি আশাবাদী এ কালোমেঘ শিগগিরই কেটে যাবে, উদয় হবে আলোকোজ্জ্বল নতুন সূর্যের। সকলের জীবন সফল হোক, সুন্দর হোক। সবাই সুস্থ্য থাকুন, এই কামনা করি।

লেখক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সূত্র: বাসস



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৭৫১৬৫৯ ৮৪৭৩২ ৬৬৬৯২৭ ১১২২৮
বিস্তারিত
এই কাজের মাধ্যমে করোনা থেকে বাঁচবে আপনার পরিবার আট বিভাগেই হতে পারে ঝড়বৃষ্টি থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে প্রতিরোধের কোনো বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী টাকওয়ালাদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আড়াইগুণ বেশি: গবেষণা কবিগুরুর ১৬০তম জন্মজয়ন্তী আজ রহমতগঞ্জের জালে আবাহনীর গোলবন্যা, বারিধারাকে হারাল পুলিশ রবীন্দ্রনাথের জীবনাদর্শ এবং সৃষ্টিকর্ম চিরদিন বাঙালিকে অনুপ্রাণিত করবে: প্রধানমন্ত্রী রুশ টিকাকে একে-৪৭ রাইফেলের সঙ্গে তুলনা করলেন পুতিন অফিস খুলে মাদক ব্যবসা, অস্ত্রসহ আটক ১ টি টেন টুর্নামেন্টের দিনক্ষণ চূড়ান্ত বাঙালি শিক্ষার্থীর তৈরি মাস্ক পেল গুগলের স্বীকৃতি ইসরায়েল কোনো দেশ নয়, সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি: খামেনি আইপিএলের অর্থ দিয়ে বাবার চিকিৎসা করাচ্ছেন সাকারিয়া ফের অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ হলেন মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন করোনা ঠেকাতে মালয়েশিয়ায় ব্যাপক কড়াকড়ি রোনালদোর গন্তব্য কোথায়? শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে মমতার চিঠি মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের হয়রানি বন্ধের নির্দেশ আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলো আয়োজনে আগ্রহী শ্রীলঙ্কা শনিবার থেকে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ এবার বলিউডের ৪০ হাজার কর্মীর পাশে দাঁড়ালেন সালমান খান বাদীর ওপর হামলা: গৌরীপুর পৌর মেয়রসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা জুমাতুল বিদায়ে বিক্ষোভে উত্তাল আল-আকসা ‘সুন্দরবনে মানবসৃষ্ট আগুন বন্ধ হওয়া দরকার’ চারবার সংসার ভাঙার পরও প্রেমে পড়া যায়: পূজা বেদি যেসব ফলে দ্রুত ওজন কমায় ভারত ছাড়লেন কলকাতার অধিনায়ক বাংলাদেশিদের জন্য ফ্রান্সে কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করোনা নিয়ে আলিয়ার বক্তব্যে আপ্লুত নেটিজেনরা বেনাপোলে শুক্রবার পর্যন্ত ভারতফেরত ২১৬৮ জন, পজিটিভ ১২ রাত ১২টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা চান ব্যবসায়ীরা সোনাহাট স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি ৬ দিন বন্ধ জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল চীনের টিকা ইফতার খেতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর কুমারখালীতে টাকা ছাড়াই পছন্দের ‘ঈদ পোশাক’ একা পেয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার জরিমানার টাকা তুলতেই ৩-৪ গুণ বেশি ভাড়া আদায়! ফের অনিশ্চয়তায় টোকিও অলিম্পিক শনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে ১০ মে’র মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব-উস্কানির অভিযোগে সাবেক এমপি কারাগারে ভোটের রসগোল্লা সব নিয়ে গেল বেরসিক পুলিশ গওহর খানের চার আঙুল থেঁতলে গেছে নিয়ন্ত্রণহীন রকেটে ঝুঁকির শঙ্কা উড়িয়ে দিল চীন গাজীপুরে দুস্থদের মাঝে ‘ঈদ সামগ্রী’ বিতরণ জনগণের সেবাই রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য: শিক্ষামন্ত্রী সংকটাপন্ন অবস্থায় মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট পদ্মা সেতু নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন সত্য নয়: সেতুমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার দেশে ফেরা: তথ্যমন্ত্রী করোনার ভারতীয় ধরন নিয়ে সুখবর, তবে... কি‌শোরগ‌ঞ্জে বজ্রপাতে মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু পেঁয়াজের ভালো দাম পাচ্ছেন না চাষিরা খালেদা জিয়ার সর্বশেষ অবস্থা জানালেন চিকিৎসকরা ইংল্যান্ড সফরে ভারতের দল ঘোষণা হাওরে প্রায় শতভাগ বোরো ধান কাটা শেষ: কৃষিমন্ত্রী মৌলভীবাজারে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ আটক ১ ঈদে নাগরিকে শাকিব খানের ১৮ সিনেমা! সোহরাওয়ার্দীর গাছ রক্ষায় অনিন্দ্য অমাতের অভিনব প্রতিবাদ প্রধানমন্ত্রী কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুসলমানদের সঙ্গে নামাজ পড়লেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট কঙ্গনার বিরুদ্ধে কলকাতার থানায় অভিযোগ খালেদার চিকিৎসার বিষয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের ভূমিকা কী? সিনেমা হলে মিলবে করোনা ভ্যাকসিন ছুটির দিনেও খালেদা জিয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিস খোলা, নির্দেশ পেলে প্রিন্ট খালেদার বিদেশ যাওয়া নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি, দ্রুত হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী কমেডিয়ান সুনীলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায় হাসপাতালে স্পিডবোট ও ট্রলারের পাখা খুলে নিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পশ্চিমবঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে মোদিকে মমতার চিঠি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির রুটিন দায়িত্বে ড. আনোয়ার শিক্ষার্থীদের ভিসা সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ বাংলাদেশের ‘করোনাকালীন প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবসম্মত’ ৬০ লাখ মানুষের পুরনো রাউটার হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে ফেরিতে গাদাগাদি করে ভ্রমণে সংক্রমণ বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিল্পার গোটা পরিবারে করোনার থাবা করোনায় আন্ডারওয়ার্ল্ডের ‘কুখ্যাত ডনের’ মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা লকডাউন উপেক্ষা করেই ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ যেসব কারণে বিলম্বিত হতে পারে খালেদা জিয়ার বিদেশযাত্রা ধেয়ে আসছে চীনা রকেটের সেই নিয়ন্ত্রণহীন অংশ করোনায় মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদা’য় বিশেষ মোনাজাত কেন কোভিশিল্ড টিকা নেবেন কোহলিরা? রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৫ বিপণিবিতানে এত ভিড়, পা রাখার জায়গা নেই পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক সহিংসতা অব্যাহত ‘আমাকে অক্সিজেন দাও, আমি বাঁচতে চাই’ প্ল্যাকার্ডে ৬ বছরের শিশু সম্পর্কের টানাপোড়েনের পর সৌদি সফরে ইমরান খান পর্তুগালে নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ইফতার কোভিড যুদ্ধে এবার রণাঙ্গনে বিরাট-আনুশকা বাসে জমবে নিশো-মেহজাবীনের প্রেম! ‘চাকরিচ্যুতির ক্ষোভে’ ম্যানেজারকে হত্যার আসামি গ্রেফতার নিষেধাজ্ঞার পরও গ্রামে ছুটছে মানুষ নেত্রকোনায় অটোরিকশায় আগুন, চালক আহত করোনায় প্রাণ গেল ক্রিকেটারের করোনার ভারতীয় ধরনে দেশে তৃতীয় ঢেউয়ের ঝুঁকি মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় ইলিশ বিক্রির ধুম সন্ধ্যার মধ্যেই জানা যাবে খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নির্বাসনে শেখ হাসিনার দুঃসহ দিনগুলি অটোপাসে চবিতে ভর্তির আবেদন ২ লাখ ছুঁই ছুঁই, শেষ হচ্ছে শনিবার বন্দুক বের করে করে গুলি চালাল ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী, আহত ৩ ‘দানবগর্ত’ গ্রাস করছে একের পর এক ভূমি!
আরও সংবাদ...
কাবিলার মুক্তির দাবি দর্শকদের, যা বললেন নির্মাতা পরশ মনিকে ফলো করেন মামুনুল হক! অশ্লীল ভিডিওতে ঠাসা ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের ফোন, বিয়েতেও ধোঁয়াশা! সত্য প্রকাশ হওয়ায় চটেছেন নোবেল ঢাকায় লকডাউনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মিছিল-অবরোধ (ভিডিও) মুনিয়ার মৃত্যু রহস্য নিয়ে যা জানাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা মামুনুলকে ‘গাদ্দার’ বলে ক্ষোভ ঝাড়লেন সেই নারীর ছেলে (ভিডিও) মামুনুলের সঙ্গে থাকা সেই নারীর পরিচয় মিলেছে যে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে গেলেন কবরী শৌচাগারে ঢুকে পুরুষের নগ্ন ভিডিও করা মিথিলা এখন ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ সাসপেন্ড হলেন ফেসবুক লাইভে আসা সেই পুলিশ সদস্য এবার তৃতীয় বিয়ের দাবি মামুনুল হকের! শুক্রবার টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় বাংলাদেশের আকাশে রহস্যময় মিথেন গ্যাস! করোনায় দেশের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, শনাক্তেও রেকর্ড ‘তুই মেডিকেলে চান্স পাস নাই, তাই তুই পুলিশ’ (ভিডিও) মামুনুলের বিষয়ে হেফাজতের সিদ্ধান্ত জানালেন বাবুনগরী পড়াশোনার খরচ চালাতে দেহ ব্যবসায় ঝুঁকছেন শিক্ষার্থীরা! টানা দু’দিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় মামুনুল কাণ্ড: জান্নাত আরার সাবেক স্বামী শহিদুল আটক আরেফিন শুভর দেওয়া কষ্ট মৃত্যু পর্যন্ত মনে রাখবেন পরিচালক ছেলের বিয়ের দিন মা জানলেন কনে তার হারিয়ে যাওয়া মেয়ে! লকডাউনে দোকান বন্ধ করতে বলায় আনসারকর্মীকে খুন মিনা পাল থেকে কবরী হলেন যেভাবে শারীরিক সম্পর্কে জোর করায় হাত-পা বেঁধে স্বামীকে হত্যা আবারও কঠোর লকডাউনের হুঁশিয়ারি কাদেরের শামীম-সারিকার ‘সীমিত পরিসরে বিয়ে’ সর্বাত্মক লকডাউনের প্রজ্ঞাপন মামুনু‌ল হকের প‌ক্ষে স্ট্যাটাস দেয়ায় বহিষ্কার ছাত্রলীগ নেতা ৩ পুরুষাঙ্গের বিরল শিশুর জন্ম লাখ টাকার ভাড়া ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন তরুণী জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ফারুক-কবরী ছাত্রলীগ নেতা রাব্বানীকে নিয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ‘জবা’র স্ট্যাটাস ‘অসম্ভবকে’ সম্ভব করল জাপান মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেন যে স্কুলের ২২ শিক্ষার্থী ভারতফেরত ১০ করোনা রোগী পালিয়েছেন, ‘ভারতীয় ধরন’ ছড়ানোর শঙ্কা! এক বছরেই দুই রমজান! এবার কঠোর লকডাউনের ঘোষণা ফেসবুকে দেওয়া ছবিই কাল হলো মুনিয়ার! ‘বুর্জ আল খালিফা’র গায়ে কুমিল্লার মোশাররফের ছবি! (ভিডিও) অভিজাত ফ্ল্যাটে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ, যাতায়াত ছিল এক শিল্পপতির ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের নতুন খবর দিলেন নির্মাতা করোনায় দেশে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড নিয়মিত পর্নোগ্রাফি দেখতেন রফিকুল মাদানী: পুলিশ মামুনুল হককে কি গ্রেফতার করা হয়েছে? ‘হুজুর, দয়া করে আপনার লাইভ লাইভ খেলা বন্ধ করেন’ মামুনুল কাণ্ড: ‘রোমান্টিক প্রেমের’ চার অডিও ফাঁস শিল্পী মমতাজের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি ‘ভুয়া’! কেজিপ্রতি ১০০ টাকা কমেছে মুরগির দাম, ডিম ডজনে ১০ ‘শিশু বক্তা’ রফিকুলকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল র‍্যাব
আরও সংবাদ...

মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে