সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বিনোদনের সময়
১১ টা ২৩ মিঃ, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

যক্ষ্মায় আক্রান্ত নায়ক ফারুক

যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছেন চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ও ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। বর্তমানে তিনি সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে সুস্থ না হলে দেশে ফিরবেন না।
বিনোদন প্রতিবেদক

এমন তথ্য দিয়েছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। 

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান জানান, সিঙ্গাপুর গিয়ে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ করে চিকিৎসা নিচ্ছেন ফারুক ভাই। আগামী এক মাস তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিবেন। সুস্থ হয়ে তিনি দেশে ফিরবেন। 

জায়েদ খান বলেন, ‘ফারুক ভাইয়ের টিবি (যক্ষ্মা) রোগ ধরা পড়েছে। চিকিৎসা শুরু হয়েছে। ডাক্তার বলেছেন, তিন থেকে চার সপ্তাহ পর বোঝা যাবে তার রোগটি কোন দিকে যাচ্ছে। তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।’

আরও পড়ুন: ‘ছেলেধরা’র জন্য কলকাতা যাবেন জয়া

বেশ কিছুদিন ধরে ঠাণ্ডা-জ্বরে ভুগছিলেন চিত্রনায়ক ফারুক। গেল ১৮ আগস্ট রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিছুটা সুস্থ হলে ২৬ আগস্ট হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। ফের অসুস্থ হলে ২৯ আগস্ট তাকে আবারো একই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।  গত ১৩ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি সিঙ্গাপুরে যান।

ফারুক ১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত জলছবি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে আগমন করেন। তার বিপরীতে নায়িকা হিসেবে কবরী অভিনয় করেন। এরপর তিনি ১৯৭৩ সালে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ১৯৭৪ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘আলোর মিছিল’ দুটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্রে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন। 

১৯৭৫ সালে গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত ‘সুজন সখি’ ও ‘লাঠিয়াল’ দুটি ব্যবসাসফল ও আলোচিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। একইবছর লাঠিয়াল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত তিনটি ছায়াছবি ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘মাটির মায়া’, ও ‘নয়নমনি’। চলচ্চিত্র তিনটি বিভিন্ন বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। ১৯৭৭ সালে শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত কালজয়ী উপন্যাস ‘সারেং বৌ’ অবলম্বনে নির্মিত ‘সারেং বৌ’ ও আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্র দুটি নারীকেন্দ্রিক হলেও তার অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে। 

১৯৭৯ সালে তার অভিনীত নাগরদোলা, দিন যায় কথা থাকে, কথা দিলাম, মাটির পুতুল, সাহেব, ছোট মা, এতিম, ঘরজামাই চলচ্চিত্রগুলো ব্যবসাসফল হয়। 

১৯৮০ সালে সখী তুমি কার ছায়াছবিতে শাবানার বিপরীতে শহুরে ধনী যুবকের চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা লাভ করেন। ১৯৮৭ সালে ‘মিঞা ভাই’ চলচ্চিত্রের সাফল্যের পর তিনি চলচ্চিত্রাঙ্গনে মিঞা ভাই হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

২০১৬ সালে ফারুক চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি আজীবন সম্মাননা পান।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়