Close (x)
মহানগর সময় ডেস্ক
আপডেট
১৫-০৮-২০২০, ১৯:২১

করোনা বাংলাদেশে যা রেখে যাচ্ছে

করোনা বাংলাদেশে যা রেখে যাচ্ছে
গত বছরের শেষ দিকে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় চীনে। এরপর তা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। রূপ নেয় মহামারীতে। করোনাভাইরাসের সেই ভয়াল থাবা বাংলাদেশেও আছড়ে পড়ে। ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশ চরম ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও অর্থনৈতিক ছাড়া বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেনি। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা করোনা মারাত্মক প্রভাব রেখে যেতে পারে। এ বিষয়ে প্রকাশিত বিবিসির প্রতিবেদনটি সময় নিউজের পাঠকের জন্য তুলে ধরা হল :

‘বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে পাঁচ মাস কেটে গেছে। ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলে অনেকেই আশংকা করেছিলেন। কিন্তু আমেরিকা এবং ইউরোপের তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুর হার অনেক কম। অন্যদিকে সরকারি হিসাবে বলা হচ্ছে, সুস্থতার হার প্রায় ৬০ শতাংশ।

তবে যারা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন, তাদের অনেকের শরীর এবং মনের উপর নেতিবাচক নানা প্রতিক্রিয়া হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

ঢাকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের হার দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় অনেক বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে মোট শনাক্ত রোগীর প্রায় ৭০ শতাংশই ঢাকা বিভাগে।


নগরীতে কোভিড-১৯ এর জন্য নির্ধারিত একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে দুই মাস আগে বাসায় ফিরেছেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মর্তুজা আহমেদ ফারুক। কিন্তু ৬৫ বছর বয়স্ক ফারুক এখনও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি।

আরও পড়ুন : ৫ হাজার টাকায় মিলবে গণস্বাস্থ্যের প্লাজমা 

তিনি জানান ‘একটা জটিলতা দুর্বলতা ছিল, এটা সাধারণত সবারই থাকে শুনেছি। কিন্তু আমার এই দুর্বলতা দীর্ঘ সময় ধরে চলে। এরপরে দেখা যাচ্ছে যে মাথা ঘোরে। এখনও শোয়া বা বসা থেকে উঠলে এবং হাঁটলে মাথা ঘোরে। এটা কিন্তু দু'মাস হওয়ার পরও রয়ে গেছে। যদিও বিশ্রামে আছি এবং যথেষ্ট প্রোটিন খাচ্ছি, তারপরও এই জিনিসটা যাচ্ছে না। সেজন্য আমি স্বাভাবিক কাজকর্ম করার জন্য এখনও ফিট নই।’

বাংলাদেশে বয়স্কদের অনেকের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগসহ নানা ধরণের জটিল রোগ থাকে। যদিও করোনাভাইরাস মহামারীতে সমাজের এই অংশকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত তরুণ বা যুবকদেরও অনেকের শরীরে দীর্ঘ মেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

২৯ বছর বয়স্ক আজিজা বেগম শ্বাসকষ্ট নিয়ে গুরুতর অবস্থায় গত এপ্রিল মাসে চিকিৎসা নিয়েছিলেন ঢাকায় কুর্মিটোলা হাসপাতালে। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নার্স হিসাবে কাজ করেন। মে মাসের মাঝামাঝি তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে হাসপাতালের কাজে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু করোনাভাইরাসে প্রভাবে তার শরীরে জটিলতা বেড়েছে এবং মনে তৈরি হয়েছে ভয়।

তিনি বলেন, আগে থেকে আমার ডায়াবেটিস ছিল। এখন ডায়াবেটিস খুব আপডাউন করছে। আবার ইদানীং ব্লাড প্রেশারটাও ধরা পড়েছে। এখনো আবহাওয়াও একটু অন্যরকম, কখনও রোদ এবং কখনও বৃষ্টি হচ্ছে। এই সময়ে একটু গলা ব্যথা হলেই ভয় লাগে, এই বুঝি আবার কিছু হচ্ছে। ভয় লাগে, মনে একটা শঙ্কা চলে এসেছে। মানে স্বাভাবিক জীবন যাপন অনুভব করতে পারি না।

ঢাকায় একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিক মো. সাহাদাত হোসেন এবং তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে নয় দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন তিন মাস আগে।

মো. সাহাদাত হোসেনের বয়স ৩০ বছর। তিনি বলেছেন, কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হওয়ার পর এখন তিনি ভুলে যাওয়া বা স্মৃতিভ্রমের মতো সমস্যা অনুভব করছেন।

তিনি বলেন, খুবই শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করি। এবং আমি হঠাৎ হঠাৎ স্মৃতি রিকল করতে সমস্যায় পড়ছি। সেটা হচ্ছে, ধরেন আমি কাউকে ফোন করবো, যখন হয়তো আমি ফোন করতে যাই, তখন আমি কাকে ফোন করবো, সেটা ভুলে যাই। এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আগে এ ধরনের কোন সমস্যা ছিল না।

এখন বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের সংখ্যা তিন লাখ ছুঁই ছুঁই করছে। সেখানে সুস্থতার হার প্রায় ৬০ শতাংশ বলা হচ্ছে। তবে সুস্থ হওয়ার পর দীর্ঘমেয়াদের নানা প্রতিক্রিয়া বা প্রভাবের ব্যাপারে দেশে কোন গবেষণা হয়নি। অবশ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ নিয়ে আইইডিসিআর একটি জরিপ শুরু করেছে।

আরও পড়ুন : খাবার থেকে কি করোনা ছড়ায়?

যদিও দীর্ঘমেয়াদী প্রতিক্রিয়া নিয়ে এখনও গবেষণা হয়নি। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া অনেক মানুষ তাদের শরীরে নানা জটিলতা নিয়ে আবার হাসপাতালে যাচ্ছেন।

ঢাকায় মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. টিটো মিয়া তার অভিজ্ঞতা থেকে বলেছেন, মানসিক অবসাদ থেকে শুরু করে স্মৃতিভ্রমের মতো জটিল নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে সুস্থ হওয়া মানুষের শরীরে।

তিনি বলেন, প্রথমে দেখা যায় তারা মানসিক অবসাদে ভুগছেন। রোগীরা অভিযোগ করে, আনডিউ টায়ার্ডনেস। তারা বলে, তাদের কিছু ভাল লাগছে না, কিছু করতে ইচ্ছা করছে না। এরকম একটা অবস্থা থাকে। কারও কারও দেখা যায়, প্যানিক ভাবটা থাকে। হঠাৎ করে মনে হয় যে, শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর কিছু সমস্যা দেখা যায়, যার প্রভাবে আমাদের তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। যেমন কারও কারও শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাটা আরও জটিল হয়। কোভিড ভাল হয়ে যায়, জ্বর আর থাকে না। কিন্তু কারও কারও ফুসফুসে পরিবর্তন হয় এবং জটিলতা দেখা দেয়। আবার কেউ হার্ট এর সমস্যায় পড়েন। হার্ট ফেইলিওরও হয়। অনেক সময় হঠাৎ কার্ডিয়াক ডেথও হয়ে যায়। হার্টের রিদমেরও সমস্যা হয়, হার্ট বিট কখনও স্লো হয়ে যায় বা খুব বেড়ে যায়। এছাড়া অনেকের ভুলে যাওয়ার বিষয়টা বেড়ে যায়।

দক্ষিণ পশ্চিমের জেলা যশোরের ৪৫ বছর বয়স্ক শাহিনা ইয়াসমিন প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট নিয়ে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন গত জুন মাসে। মুমূর্ষু অবস্থা থেকে তিনি দেড় মাস আগে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার পুরনো রোগ ডায়াবেটিস এখন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে গেছে এবং নতুন করে দেখা দিয়েছে উচ্চ রক্তচাপ।

তিনি জানান, এখন আমার শারীরিক দুর্বলতা তো আছেই। আর মাঝে মাঝে প্রেশারের কারণে দুই কান গরম হয়ে যায়। শরীর খুব ঘেমে যায়। ডাক্তারের সাথে আলাপ করেছি। তারা কোন ঔষধ দেয়নি। খাওয়া ঠিকমতো খেতে বলেছে।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের মতো সমস্যা যাদের আছে, করোনাভাইরাসের প্রভাবে তারাই বেশি নতুন নতুন জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন বলে চিকিৎসকরা বলছেন।

মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. টিটো মিয়ার বক্তব্য হচ্ছে, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপসহ জটিল সব রোগীরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তারাই বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সুস্থ হওয়ার কয়েক মাস পরও নানা অভিযোগ নিয়ে তাদেরকে আবার চিকিৎসকের কাছে যেতে হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, যদের গুরুতর অবস্থায় দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকতে হয়, যাদের নিউমোনিয়া বা অক্সিজেন সমস্যা হয় অথবা যাদের আইসিইউতে থাকতে হয়, তারা যখন হাসপাতাল ছেড়ে যায়, তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু এই সমস্যাগুলো বেশি হয়। এরকম জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন, তাদের সংখ্যা ২০ শতাংশের কম নয়।

সরকারের রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট বা আইইডিসিআর এর এক জরিপে বলা হয়েছে, ঢাকায় আক্রান্তদের প্রায় ৮০ শতাংশেরই কোন উপসর্গ নেই। তাহলে যাদের কোন উপসর্গ নেই, তাদের ওপর কি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে না -এসব প্রশ্নও অনেকে তুলছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী তার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছেন, উপসর্গ নেই বা আছে এবং বয়সের বিবেচনা -কোনটাই খাটছে না দীর্ঘ সময়ের নেতিবাচক প্রভাবের ক্ষেত্রে।

তিনি বলেছেন, যারাই আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের বেশির ভাগেরই শরীর দুর্বলতা এবং মানসিক অবসাদসহ নানা সমস্যা হচ্ছে। করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর উপসর্গ কম, মাঝারি এবং বেশি -যাই থাকুক না কেন, তাদের সুস্থ হওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ চিকিৎসকের পরামর্শে থাকা উচিত। তাহলে প্রভাব সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া যাবে। বাংলাদেশে এই কাজটি করা হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেছেন, যদি একটি মানুষ না বুঝে যে তার শরীর এবং মনের ওপর কি প্রভাব পড়ছে, তাহলে পারিবারিক এবং কর্মজীবনে তাকে সমস্যায় পড়তে হবে। কারণ কর্মজীবনে সহকর্মীরা ভাববে সে কাজ করছে না। আর পরিবারের সদস্যরা ভাববে, লোকটা ঝিমাচ্ছে কেন? ফলে মানুষটির সমস্যা আরও জটিল হবে।

করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়ার পরও যখন এর নেতিবাচক প্রভাব থাকছে, সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় কোন পরিকল্পনা নেই বলে চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞরা বলেছেন।

তারা মনে করেন, বাংলাদেশে যেহেতু করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করানো এবং রোগীর চিকিৎসার ব্যাপারে মানুষকে আগ্রহী করতে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে। সেখানে সুস্থ হওয়ার পর নানা জটিলতা হলেও তার ফলোআপ চিকিৎসা করানোর সংখ্যাও অনেক কম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নাসরিন সুলতানা বলেছেন, তিনি নিজেও দীর্ঘ মেয়াদের নেতিবাচক প্রভাবের মুখোমুখি হয়েছেন এবং নিজে থেকেই ডাক্তারের কাছে ফলোআপ চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তিনি মনে করেন, ফলোআপ চিকিৎসার ব্যাপারেও মানুষকে সচেতন করা প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, আমি করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছিলাম ২৬ মে। জুন-জুলাই গেলো এবং এখন অগাস্ট মাস। আড়াই মাস হয়ে গেলো। এখনও ঘুম থেকে উঠলে আমার শরীর কাঁপে। আমার স্বামীর অবস্থা আমার চেয়েও খারাপ ছিল। সে সিএমএইচএর আইসিইউতেও ছিল। সে এখনও বলে যে বুকের মধ্যে একটু প্রেশার ফিল করছি। আর তাছাড়া সাইকোলজিক্যাল সমস্যা যেটা রয়েছে, এখনও প্যানিক কাজ করে মাঝে মাঝে। এখনও মাথা ঘোরে। আড়াই মাস হয়ে গেছে এখনও আমরা নরমাল ফিল করছি না। আমরা ফলোআপ চিকিৎসা নিচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, যেমন করোনার সময় বলা হয়, এই নম্বরে ফোন করো বা এই নম্বরে ফোন করো বা এই হাসপাতালে যাবে। এক্ষেত্রেও সেভাবে বলা উচিত যে যাদের ক্রিটিক্যাল অবস্থায় গিয়েছিল, তাদের এতদিন পর এই এই হাসপাতালে যেতে হবে। এটা অবশ্যই করা উচিত।

চিকিৎসকরা বলেছেন, এখন কোভিড-১৯ এর চিকিৎসার নির্ধারিত ঢাকায় সরকারি কয়েকটি হাসপাতালে সুস্থ হওয়াদের ছাড়পত্র দেয়ার সময় ফলোআপ চিকিৎসার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন : অগ্নাশয়ের ক্যান্সার গবেষণায় সাফল্য পেলেন বাঙালি বিজ্ঞানী 

ডা. টিটো মিয়া বলেছেন, এখনও আমরা করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ম্যানেজ করতেই বেশি ব্যস্ত। তারপরও আমরা এখন প্ল্যান করছি এবং কাউকে কাউকে বলে দিচ্ছি একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর আবার আমাদের পরামর্শ নিতে। আর আমরা আমাদের মুগদা হাসপাতালে একটা প্রটোকলও মেইনটেইন করার চেষ্টা চালাচ্ছি।

কিন্তু সারাদেশের সরকারি বেসরকারি সব হাসপাতালের জন্য সরকারের কোন পরিকল্পনা বা কোন প্রটোকল নেই। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিষয়টাকে এখনও কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘ মেয়াদের নেতিবাচক প্রভাব কাটানোর জন্য চিকিৎসার কোন প্রটোকল না থাকার কথা স্বীকার করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মো. খুরশিদ আলম।

তিনি বলেছেন, তারা একটি প্রটোকল তৈরি করছেন। পোস্ট কোভিড নানান রকমের সিনড্রম হয়। সেগুলো অ্যাড্রেস করার জন্য সরকারি হাসপাতালগুলোতে একটা আউটডোর সার্ভিস আগে থেকেই ছিল। যে কেউ এই সার্ভিস নিতে পারে। আর স্পেশালি যদি কেউ আগে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং ভাল হয়ে গিয়ে তারপর তার সমস্যা থাকে, সে ক্ষেত্রেও হাসপাতালগুলোর নন-কোভিড সার্ভিসে অ্যাড্রেস করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, তবে স্ট্রাকচার্ড ওয়েতে যে ফলোআপ করা- সেটা এখনও হচ্ছে না। আমরা অতি শিগগিরই এটার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। এটা ব্যাপারে একটা সুনির্দিষ্ট প্রটোকল যে কি কি সমস্যা থাকলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে, আর কি কি সমস্যা নিজেরা অপেক্ষা করলে একটা সময়ে ভাল হয়ে যাবে-এটা আমরা তৈরি করছি।

যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যত দ্রুত সম্ভব ফলোআপ চিকিৎসার ব্যবস্থাপনা বা প্রটোকল প্রয়োজন। কিন্তু কতদিনে এই চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা বা প্রটোকল দেয়া সম্ভব হতে পারে, সেটা সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারছেন না কর্তৃপক্ষ।’



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৩৬২০৪৩ ৮৮৩৪৫ ২৭৩৬৯৮ ৫২১৯
বিস্তারিত
‘করোনা প্রতিরোধে সক্ষম বাংলাদেশের ভ্যাকসিন’ মোবাইলে প্রেম, অতঃপর গলা কেটে হত্যা করোনা পরীক্ষায় সব ক্রিকেটার নেগেটিভ বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে চায় ইরান: কৃষিমন্ত্রী এক কুমড়ার ওজন ৮৩০ কেজি! রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ টাঙ্গাইলে বন্যার পানিতে ভেঙে গেল কালভার্ট, ভোগান্তিতে ৩০ গ্রামের মানুষ ‘ভারতে এতটা কোণঠাসা কখনোই ছিল না মুসলমানরা’ কুষ্টিয়ায় পচা পাউরুটি দিয়ে আইসক্রিম, একজনের কারাদণ্ড উড়ে উড়ে ডাক্তার পৌঁছে যাবেন রোগীর কাছে, গল্প নয় বাস্তব (ভিডিও) নির্জন কক্ষ থেকে ফোন করে মিন্নির কান্নাকাটি ক্রাইম পেট্রোল দেখে মা-ছেলের হত্যাকারী ফারুক গ্রেফতার রামেকে চিকিৎকদের অবহেলায় রাবি ছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ রাজশাহীতে জেএমবি’র ৩ সদস্য গ্রেফতার ‘নির্মাণশিল্পে এএসি ব্লকের ব্যবহার ছড়িয়ে দিতে হবে’ 'বৈদেশিক কর্মসংস্থানে অনগ্রসর জেলাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে' আবারও ওয়াসার এমডি হলেন তাকসিম এ খান রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে সিপিএ শুক্রবার পূর্বাচলে কাকলী প্রধানের ‘নদী নেবে!’ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে তিন ভারতীয় সেনা নিহত এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৬ আসামির ডিএনএ সংগ্রহ দেশে প্রতিদিন গড়ে ৩ জন নারী ধর্ষণের শিকার পা পিছলে খালে পড়ে মা-ছেলের মৃত্যু কক্সবাজার সৈকতে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে এসে তরুণী ধর্ষিত এরদোয়ানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আজারবাইজানের ফার্স্ট লেডির এনবিজি এয়ার কার্গো লিমিটেডের ভুয়া প্রতিষ্ঠানে অভিযান শিক্ষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাওয়ার নির্দেশনা জারি করা হয়নি : সচিব রাজশাহী বিভাগে নতুন করে ৪৯ জন করোনা আক্রান্ত ধর্ষণ মামলায় ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগ সহসভাপতি রিমান্ডে প্রকাশ পেল বাবুই-মানিকের ‘মানুষ কবে মানুষ হবে’ ট্রাম্প, সৌদি বাদশা ও যুবরাজের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ ‘বন্ধ নয়, ঠাকুরগাঁও সুগারমিলকে আধুনিকায়ন করা হবে’ রোববার থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস ক্যাশ-আউট চার্জ কেনো কমাবো না? ‘সার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কাজ করছে সরকার’ ‘কনডেম সেল’র সঙ্গে কারাগারের অন্য সেলের পার্থক্য কী? গির্জায় তরুণীকে ধর্ষণ, ক্ষুব্ধ নারী উন্নয়ন সংগঠন ‘বেআইনিভাবে নির্মিত মন্দিরে ভগবান থাকতে চাইবেন না’ ব্রিটেনে আলডি’র নিয়োগ ৪ হাজার, যুক্তরাষ্ট্রে ডিজনির ছাঁটাই ২৮ হাজার ছেলের বিয়ে, কিন্তু মন ভালো নেই ডিপজলের বিগবসে এবার সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন রাধে মা অনলাইনের দাপটে ২৫০ আউটলেট বন্ধের সিদ্ধান্ত এইচঅ্যান্ডএমের দাম বাড়ালে আমদানি উন্মুক্ত করা হবে: খাদ্যমন্ত্রী যৌন হয়রানির মামলায় অনুরাগকে জেরা পুলিশের কলেজশিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু ৪ অক্টোবর চড়া দামে সার বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ী আটক ফরিদপুরে গাফিলতিতে নষ্ট ৭ হাজার ভ্যাকসিন ফরিদপুরে পূজামণ্ডপে দশ লাখ টাকা অনুদান উইমেন্স নারী টি-২০ চ্যালেঞ্জে খেলবেন জাহানারা-সালমা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে অস্বীকার পোপের যৌতুক মামলায় জামিন পেলেন শওকত আলী ইমন কলমাকান্দায় মাদক বহনের দায়ে দুই যুবকের কারাদণ্ড শুরু হচ্ছে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন ছুটির মধ্যে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে থাকতে হবে এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলার ৬ আসামির ডিএনএ সংগ্রহ সাভারে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ রাহুল গান্ধীকে 'পেটানোর' পর গ্রেফতার করলো পুলিশ যশোরে বোমা ফাটিয়ে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটক ৫ গাঁজা সেবন করেন জেসিন্ডা, স্বীকারও করলেন ফিল্মি স্টাইলে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটক ৫ ঝুলন্ত তার অপসারণ উদ্বোধন করলেন আতিকুল দেশে করোনা আক্রান্ত বেড়েছে, কমেছে মৃত্যু বগুড়ায় ছিনতাই নাটক সাজাতে গিয়ে ধরা পড়ল হত্যাকারী ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে রকেট হামলা ‘জোর করে রাজহাঁস নিয়ে যান ওসি’ স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিতে এলজিআরডি মন্ত্রীর আহ্বান জালিয়াতি করে ৩শ’ কোটি টাকা আত্মসাৎ, স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছাড়লেন ইউএনও ওয়াহিদা আদালত অবমাননা করায় মহেশপুর থানার ওসিকে শোকজ কাশ্মীরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে ভারতীয় সেনাসদস্য নিহত ৪৯ লাখ প্রবীণ নাগরিক বয়ষ্কভাতা পাচ্ছেন: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ভিসা-আকামার মেয়াদ নিয়ে সৌদি মালিকদের কাছে জিম্মি প্রবাসীরা সিংড়ায় বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি যুদ্ধ বন্ধে যে শর্ত দিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে ছাত্রলীগ সভাপতি নতুন বিমান বন্দর হবে বাগেরহাটে সেপ্টেম্বরে বিজিবি’র অভিযানে কোটি টাকার চোরাচালান ও মাদক জব্দ শিক্ষার্থীদের অভিনব কায়দায় পাঠদান খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা অব্যাহত শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ফেরি আবারো বন্ধ সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার ধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল ভারত ‘আমায় মাফ করবেন’, ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে শাবিপ্রবি ছাত্রীর আত্মহত্যা আরো একমাস বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি জামালপুর-গোপালগেঞ্জে ধর্ষণ বিরোধী সমাবেশ পালন ভারতে করোনা আক্রান্ত ছাড়াল ৬৩ লাখ আইপিএলে প্রথম জয় পেল হায়দ্রাবাদ রাতে মাঠে নামছে ম্যানসিটি-অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ শচীন কর্তার ১১৪তম জন্মবার্ষিকী পালিত মেসি আমার অনুপ্রেরণা: সুয়ারেজ ‘অদম্য বাংলাদেশ’ গ্রন্থটি বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তার প্রসার ঘটাবে: স্পিকার আবারো লকডাউনের পথে বিশ্ব যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছেন সাকিব সুনামগঞ্জে চাল চুরির দায়ে ডিলারসহ গ্রেফতার ৪ বাসচাপায় পা হারানো রাসেলকে আরও ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ শীতলক্ষ্যার ৩ নম্বর ঘাটে বেড়েছে মাছের সরবরাহ স্বাস্থ্যসেবায় সক্ষমতা বাড়াতে এগিয়ে এলো বিকাশ সৌদি কফিলদের দিকে তাকিয়ে প্রবাসীরা অনুমোদন নেই, তবু গ্রামাঞ্চলেও গ্যাস সংযোগ পৌঁছে দিচ্ছে অদৃশ্য চক্র
আরও সংবাদ...
ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশি নাগরিকরা ভ্রমণ করতে পারবেন যে ৪১ দেশ ভারত থেকে লন্ডন যেতে বাস সার্ভিস চালু ৩০ মিনিটে এনআইডির অসুন্দর ছবি বদলে ফেলুন বাংলাদেশকে ১৬ আনাই ফাঁকি দিয়েছে ভারত! ডাচ্-বাংলা-আইবিএলসহ ৫ ব্যাংকে লেনদেন সীমিত করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমকে নোটিশ মোবাইল কিনতে শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা করে ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত বাইকার ফারহানা ‘নববধূ’ নয়, বিয়ে তিন বছর আগে, রয়েছে সন্তানও ‘দুই আর দুই পাঁচ’ বলছেন শাহেদ ডাল-আলু ভর্তা খেয়ে মাকে টাকা পাঠান সৌদি প্রবাসী কিশোর (ভিডিও) দেখা মিলল বিশ্বের সবচেয়ে বড় নীল তিমির (ভিডিও) ওয়াইফাই ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর কৌশল আল বুখারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হলেন ড. ইউনূস দু'বোনের মারামারিতে দেরিতে ছাড়ল বিমান (ভিডিও) শিক্ষার্থীদের এক হাজার করে টাকা দেবে সরকার চেয়ার ছেড়ে পালালেন জায়েদ খান! মিয়া খলিফাকে খুঁজছে মার্কিন সেনারা (ভিডিও) সুশান্তের মৃত্যু: ‘আওয়াজ আসলেই তালা ভাঙা বন্ধ করে দিও’ (ভিডিও) মসজিদের একটি এসিও বিস্ফোরিত হয়নি এক সপ্তাহ পরেই বদলে যাচ্ছে ফেসবুক, বাধ্যতামূলক নতুন ডিজাইন ঘুষের ৫০ হাজার টাকা না দেয়ায় ঝরল ১৮ প্রাণ, শঙ্কা আরো! গ্রিসের ছয়টি যুদ্ধবিমানকে তুরস্কের ধাওয়া (ভিডিও) খোঁজ মিলেছে অভিনেতা শুভর মেসি-বার্সা ইস্যুতে নাটকীয় মোড়! পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপের দেখা মিলল সমুদ্রে জয়কে সাতদিনের আলটিমেটাম, নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে মামলা এবার ভারতের প্রদেশের মালিকানা দাবি করল চীন মেয়েসহ দেশ ছাড়লেন মিথিলা গভীর রাতে বাসভবনে ঢুকে ইউএনওকে হাতুড়ি পেটা জাদুকরি পরিবর্তন ঘটে সকালে কুসুম গরম লেবু পানিতে দেশে পাঁচ রকম করোনা ভাইরাসের সন্ধান চাঁদে পড়ছে মরচে! বাংলাদেশি ভ্যাকসিন কবে আসবে জানালেন আসিফ মাহমুদ লাইভ কনসার্টে টাকা ছুঁড়লেন দর্শক, উচিৎ শিক্ষা দিলেন অরিজিৎ (ভিডিও) দেশে বিমান তৈরি শুরু হবে ২০২১ সালে (ভিডিও) তুরস্ককে চারদিকে ঘিরে ফেলছে ফ্রান্স? পছন্দের রঙ বলে দেয় ব্যক্তিত্ব কেমন আড়াইহাজারে এশিয়ার সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগ! মোবাইল কিনতে ‘ঋণ’ দিচ্ছে রবি ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তি, মুখ খুললো সৌদি শোক দিবসে তারকাদের আচরণে সমালোচনার ঝড় সময় টিভিতে তিন ক্যাটাগরিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সুশান্ত হত্যায় নাম জড়াল ভারতীয় খেলোয়াড়ের! নতুন নিয়মে ট্রেনের টিকিট-ভ্রমণ করবেন যেভাবে রিয়াকে জড়িয়ে ধরা মহেশ ভাটের ভিডিও ভাইরাল দেশে আরো একটি গাধার জন্ম সুশান্তের মৃত্যু: সন্দীপের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট প্রকাশ তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান এসি বিস্ফোরণের কারণ ও রক্ষা পেতে যা করবেন প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতির নির্দেশ
আরও সংবাদ...


মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে