কামরুল হাসান সবুজ
আপডেট
০৩-০৮-২০২০, ২৩:১৭

হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বেঁচে যাওয়া তিন নারীর সাক্ষাৎকার

হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বেঁচে যাওয়া তিন নারীর সাক্ষাৎকার
তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্র, জাপানের হিরোশিমা শহরে ‘লিটল বয়’ নামে পারমাণবিক বোমা ফেলে এবং এর তিনদিন পর নাগাসাকি শহরে ‘ফ্যাটম্যান’ নামে আরেকটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অনুমান করা হয়, ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ওই হামলার সাড়ে ৩ লাখ জনসংখ্যার হিরোশিমা শহরের প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার বাসিন্দা মারা যান।

নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ মারা যান। পরবর্তীতে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরও ২ লাখ ১৪ হাজার জন। জাপানের আসাহি শিমবুন’র হিসাব অনুযায়ী বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট নানা রোগে হিরোশিমায় ২ লাখ ৩৭ হাজার আর নাগাসাকিতে ১ লাখ ৩৫ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে। মৃতদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক।

জাপানের আত্মসমর্পণের পেছনে এই বোমাবর্ষণের ভূমিকা ও এর প্রতিক্রিয়া এবং যৌক্তিকতা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মনে করেন ওই বোমা বর্ষণের ফলে ২য় বিশ্ব যুদ্ধ অনেক মাস আগে শেষ হয়েছে। এটা না হয়ে পূর্ব-পরিকল্পিত জাপান আক্রমণ (invasion) হলে উভয়পক্ষের যে বিপুল প্রাণহানি হতো তা আর ঘটেনি। জাপানের সাধারণ জনগণ মনে করেন এই বোমা হামলার প্রয়োজন ছিল না। কেননা জাপানের বেসামরিক নেতৃত্ব যুদ্ধ থামানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছিল।

ব্রিটিশ ফটো-সাংবাদিক লি ক্যারেন স্টো, তিনি ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রত্যক্ষ করা নারীদের কাহিনী নিঁপুণ হাতে তুলে আনতে বেশ পারদর্শী। তেমনি তিন নারী যাদের স্মৃতিতে এখনও জ্বলজ্বল করছে ৭৫ বছর আগের সেই বোমা হামলার ঘটনা তাদের সাক্ষাৎকার ও ছবি তুলেছেন লি ক্যারেন স্টো। বিবিসিতে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল।


তেরুকো ইউনো:
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমায় পারমানবিক বোমা হামলার সময় ১৫ বছরের কিশোরী ছিলেন তেরুকো ইউনো। তেরুকো তখন হিরোশিমা রেডক্রস হাসপাতালের নার্সং স্কুলে ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। 

ওই বোমা হামলার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের কলেজের হাসপাতালের ডরমেটরিতে আগুন লেগে যায়। ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সেদিন রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছিল তাকে। অগ্নিশিখায় অনেক শিক্ষার্থীই সেদিন আর বাঁচেননি, বেঁচে থাকার সব স্বপ্ন-আহ্লাদকে এক মুহূর্তে কবর দিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে হয়েছিল তাদের। 

সেদিনের পর থেকে তাকে দিনরাত কাজ করতে হয়েছিল মানবতার বিজয়ে। যারা মারাত্মক জখম হয়েছিলেন তাদের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ঠিক মতো খাদ্য ও পানিও পাননি সেসময়ে। 

গ্র্যাজুয়েশন শেষে তেরুকো আবার সেই হাসপাতালেই ফিরে আসেন। সেখানে তিনি আহতদের স্কিন গ্রাফট অপারেশন কাজে সাহায্যকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে তাতসুয়েকি নামে একজনকে বিয়ে করেছিলেন তেরুকো। তাতসুয়েকিও ওই পারমানবিক বোমা হামলার হাত থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন। তেরুকো যখন প্রথমবারের মতো সন্তানসম্ভাবা হন, তখন তিনি খুব উদ্বিগ্ন ছিলেন তার সন্তান কি সুস্থভাবে জন্ম গ্রহণ করবে; দুনিয়ায় এসে কি তার নাড়ীছেঁড়া ধন বেঁচে থাকবে! এমন সব নানা দুশ্চিন্তা তার মাথায় ঘুরপাক খেতো সব সময়। 

ওই মানুষ মারার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তেরুকো বলেন, 'আমি নরক দেখিনি। আমি জানি না নরক কেমন। তবে, মনে হয় নরক সম্ভবত এমনই হবে, ৭৫ বছরের আগে হিরোশিমায় যেমনটা ঘটেছিলো, আমরা যা দেখেছিলাম। এমন ঘটনা পৃথিবীতে আর কখনই ঘটতে দেয়া উচিত নয়।' 

তুমকো, তরুকোর মেয়ে। যে মায়ের পেটে থাকাকালীন সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার প্রত্যাশায় মাকে দুশ্চিন্তায় রাখতো সব সময়। সেই তুমকো বলেন, 'মানুষ বলতো বছরের পর বছর এখানে কোন ঘাস বা গাছ- কোন কিছুই জন্মাবে না। কিন্তু, দেখুন হিরোশিমা তার সবুজ-সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যপটে বহমান নদী নিয়ে ফিরে এসেছে। যদিও ওই ঘটনার তেজস্ক্রিয়তার প্বার্শপ্রতিক্রিয়া বয়ে বেড়াতে হচ্ছে জাপানি নাগরিকদের (হিবাকুশা)। 

যখন পুরো ধংসস্তুপে পরিণত হওয়া হিরোশিমার স্মৃতি আমাদের মনকে কাঁদিয়ে তুলে তখন আমরা সমবেত হয়ে রাস্তায় দাঁড়াই। আগামী তো আমাদেরই হাতে। শান্তি তখনই সম্ভব যদি আমরা তা কল্পনা করতে পারি, মানুষকে নিয়ে ভাবতে পারি, আমরা কি করতে পারি তা বের করতে হবে এবং কল্যাণকর কাজ করতে হবে এবং আমরা যদি অক্লান্তভাবে পৃথিবী গঠনে কাজ করে যাই তাহলে পৃথিবী অবশ্যই শান্তির আস্তানা হবে। এভাবেই আগামীর পৃথিবীর কথা বলেন তুমকো।

হিরোশিমার ওই ইতিহাস সম্পর্কে তেরুকোর নাতনী কুনিকো বলেন, 'পারমাণবিক বোমা যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আমার নাই। আমি শুধু জানি হিরোশিমাকে কিভাবে আবার তৈরি হতে হয়েছে। আমি শুধু কল্পনাই করতে পারি। তাই প্রত্যেক হিবাকুশা (ওই বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত) যা বলেন আমি খুব মন দিয়ে তা শুনি। পারমাণবিক বোমা হামলার নানা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আমি ঘাটাঘাটি করি। 

এরপর শুকনো ঠোঁটে কুনিকো কল্পনায় ভর দিয়ে বলতে থাকেন, 'একদিন এই শহরের সবকিছু পুড়ে গিয়েছিল...মানুষ... পাখি... ফঁড়িং... ঘাস... গাছ...  সব... সবকিছু... তারপর যারা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করতে এই পোড়া নগরীতে এল, যারা তাদের মৃত স্বজনদের পেল তারাও বেঁচে থাকলো সেদিন মরে না যাওয়ার ক্ষত নিয়ে।'

আমি শুধু হিরোশিমা-নাগাসাকির হিবাকুশাদের কাছেই আসি না যারা ইউরোনিয়াম খনিতে কাজ করেন যারা এসব খনির আশপাশের বাসিন্দা যারা পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়ন ও পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত এবং যারা পারমাণবিকের ক্ষতির শিকার আমি তাদেরও খুব কাছে আসার চেষ্টা করি। এভাবেই তার শহরে ৭৫ বছর আগে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানার আগ্রহ জানান কুনিকো। 

এমিকো ওকাদা:
ওকাদা তখন মাত্র ৮ বছরের শিশু। তার বোন মিইওকোসহ তার পাঁচ স্বজন হিরোশিমার ওই পারমাণবিক বোমা হামলায় মরে যান। ওই ঘটনায় এমিকো ও তার পরিবারের অনেক বেঁধে রাখা ছবি হারিয়ে গেছে। কারণ, তার বোনসহ তারাই সেদিন হারিয়ে গেছে যারা এসব সংরক্ষণ করে রাখত। 

যেন এই তো সেদিনের ঘটনা সেভাবেই বলতে শুরু করেন এমিকো, আমার বোন সেদিন সকালে ঘর থেকে বের হল... আবার আমাদের দেখা হবে... আমার ১২ বছরের ওই বোনের সামনে তখনও তার পুরো জীবন পড়েছিল। কিন্তু সে আর কখনই ফিরে এলো না। কেউ জানাতেও পারল না কি হয়েছিল তার...  

আমার বাবা মা তাকে কাছে পেতে পাগলের মতো খুঁজতে শুরু করল। কোথাও তার সন্ধান পেল না। তবুও তারা অনবরত বলতে শুরু করলেন কোথাও না কোথাও আমার বড় বোন জীবিতই আছেন। আমার মা তখন সন্তানসম্ভাবা ছিলেন। তার গর্ভপাত হল।  

আমাদের কোন খাবার ছিল না। রেডিয়েশন সম্পর্কে আমাদের কোন ধারণা ছিল না। তাই আমরা যা পেলাম তা কুড়িয়ে আনলাম। কারণ, তখন সেখানে কোন খাবার ছিল না। মানুষ চুরি শুরু করল। খাদ্যাভাব ছিল সবচেয়ে বড় সমস্যা। আর যেটুকু নিরাপদ পানি পাওয়া যেত তা খুবই সুস্বাদু লাগত। তারপর দেখলাম বেঁচে থাকার জন্য চরম যুদ্ধ যা সকলকে ওই ঘটনার আড়ালে নিয়ে গেল।     

সে সময় আমার মাথার চুল পড়ে যেতে শুরু করল। মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে লাগল। আমি ভীষণ রকম ক্লান্ত থাকতাম। প্রায় সব সময়ই শুয়ে থাকতাম। আমাদের কারও তখন কোন ধারণা ছিল না রেডিয়েশন আসলে কী। এর ১২ বছর আমার আল্পাস্টিক অ্যানেমিয়া ধরা পড়ে। 

প্রতিদিন যখন সূর্যাস্তের সময় আকাশ গাড় লাল রংয়ের হয়ে যায় তখন সেই দৃশ্য ওই সেদিনের লালের মতো লাগে যা হিরোশিমায় দেখেছিলাম। আমি তখন কাউকে কোন সহযোগিতা করতে পারিনি। তিনদিন তিনরাত ধরে পুড়েছিল আমাদের প্রিয় শহরটি। আমি এখনও সূর্যাস্তকে জঘন্য রকমের ঘৃণা করি। এমনকি এখনও প্রতিদিনের সূর্যাস্ত সেদিন হঠাৎ জ্বলে ওঠা আমার শহরের কথা মনে করিয়ে দেয়। অনেক হিবাকুশা সেদিন কোন গল্প-কথা বলে না। তাদের ভালো থাকার বিষয় নিয়েও কিছু বলে না। তারা পারে না তাই আমি বলি।

অনেক মানুষ শান্তির পৃথিবী নিয়ে অনেক কথা বলেন। কিন্তু আমি চাই তাদের যারা সত্যিকার অর্থে এটা নিয়ে কাজ করতে চায়। আমি চাই প্রত্যেকেই শান্তির পৃথিবী গঠনে কাজ শুরু করুক যারা চায়। আমিও আমার জন্য, আমার সন্তানের জন্য, আমার নাতি-নাতনীর জন্যও তাই করতে চাই। তারাই আমাদের ভবিষ্যত। আমি চাই তারা সেই পৃথিবীতে থাকুক যে পৃথিবী তাদের প্রতি মুহূর্তে হাসিখুশি রাখবে।    

রেইকো হাদা:
১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট সকাল ১১টা ২ মিনিটে যখন নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা চালানো হয় তখন রেইকো হাদা নয় বছরের শিশু। 

রেইকো সেদিন বাড়িতেই ছিলেন। কারণ, সেদিন সকালে নাগাসাকিতে বিমান হামলার আশঙ্কা ছিল। পরিষ্কারভাবে হামলা সতর্কতার ঘোষণা বারবার শোনার পরও তিনি তাদের বাড়ির পাশের মন্দির চলে যান। তাদের প্রতিবেশি অনেকে স্কুলে না গিয়ে ওই মন্দিরে পড়াশোনা করত। কিন্তু ৪০ মিনিট পড়ানোর পর মন্দিরের শিক্ষক ক্লাস বন্ধ করে দেন। তখন রেইকো আবার বাড়ি ফিরে আসেন। 

আমি সবেমাত্র আমার ঘরে ঢুকছিলাম; মনে হয় এক পা দিয়েওছি। ঠিক তখনই এই ঘটনা ঘটল। আমার চোখে আলোর ঝলকানি দেখলাম। সেই আলোর ঝলক ধীরে ধীরে হলুদ, খাঁকি আর কমলার মিশ্রণ হয়ে গেল। আমি কিছু ভাবতে পারতে পারছিলাম না এটা কি ঘটল। এরপর দ্রুত সব পুরোপুরি সাদা হয়ে গেল। এবং এটা হতে কোন সময় নিল না। আমার মনে হল আমরা সবাই একা হয়ে গেলাম। পর মুহূর্তেই বিকট শব্দ হল এবং আমি নিষ্প্রভ হয়ে গেলাম।

তারপর আমার মনে হল আমাদের শিক্ষকরা আমাদের শিখিয়েছিলেন বিমান হামলাকালে জরুরিভাবে বিমান আক্রমণ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে। তাই বাড়ির ভেতরে আমি আমার মাকে খুঁজলাম এবং আমরা আশ্রয় কেন্দ্রে গেলাম। আমার শরীরে একটা মাত্র আঁচড়ের দাগও নাই। সেদিন কনিপিরা পর্বত আমি ও আমাদের রক্ষা করেছিল। কিন্তু পর্বতের ওপাশের মানুষজনদের অভিজ্ঞতা ছিল একদম ভিন্ন। তারা নৃশংসতার শিকার হয়েছিল। 

অনেকে কনিপিরা পর্বত পার হয়ে উড়তে উড়তে আমাদের এলাকায় এল। তাদের চোখ বের হওয়া, মাথার চুল ছিঁড়ে গেছে, প্রায় সকলেই নগ্ন, মারাত্মকভাবে ঝলসে যাওয়া তাদের শরীরের চামড়া ঝুলে পড়েছে। আমাদের সম্প্রদায়ের আরও অনেক মহিলার সঙ্গে আমার মা পাশের একটি বাণিজ্যিক কলেজের অডিটোরিয়ামে চাদর ও তোয়ালে বিছালেন, যেন ওই মানুষগুলো শুয়ে পড়তে পারে। 

তারা পানি চাচ্ছিল। আমাকে পানি দিতে বলা হল। আমি চিপযুক্ত বাটি নিয়ে কাছাকাছি একটি নদীতে পানি আনতে গেলাম এবং নিয়ে এলাম তাদের পান করানোর জন্য। কিন্তু এক চুমুক করে পানি খাওয়ার পরই তারা অনেকে মরে গেল। একজনের পর একজন মরে যেতে লাগল তারা। 

তখন গ্রীষ্মকাল ছিল। পোকা ও ভয়াবহ গন্ধের কারণে মৃতদেহগুলো দ্রুত পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছিল। কলেজের সুইমিংপুলে মৃতদের স্তূপ করা হচ্ছিল এবং ফেলা দেয়া কাঠ-খড়কুটা দিয়ে তাদের পোড়ানো হচ্ছিল। এটা অসম্ভব ছিল যারা সেই স্তূপের মধ্যে ছিল তাদের চেনা। মানুষ যেভাবে মরে তারা সেভাবে মরেনি। আমি আশা করি আগামীকে প্রজন্ম এমন কোন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। আমরা অবশ্যই এমন পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার আর হতে দিবো না। 

হ্যাঁ এটা ঠিক, মানুষই শান্তি আনে মানুষের মাঝে। আমরা ভিন্ন দেশে বাস করি, ভিন্ন ভাষায় কথা বলি কিন্তু 'শান্তি'র জন্য আমরা সবাই এক।



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৩৫৬৭৬৭ ৮৯৭৪৩ ২৬৭০২৪ ৫০৯৩
বিস্তারিত
পাপিয়া দম্পতির অস্ত্র মামলার রায়ের দিন ঘোষণা এমসি কলেজে ধর্ষণের ঘটনায় কাউকে ছাড় নয়: কাদের আইসিসি সদর দপ্তরে করোনার হানা বেনাপোলে ফেনসিডিলসহ মাদক পাচারকারী আটক নতুন পাঁচ বিজ্ঞাপনে রুম্পা মাকে বেঁধে প্রতিবন্ধীকে গণধর্ষণ: ডাকাতির উদ্দেশ্যে বাড়িতে ঢুকেছিল ওরা ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ লাখ ছুঁই ছুঁই মাদারীপুরে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে দেড় লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই ভেন্টিলেশন সাপোর্টে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মমতার রাজ্যে খুলছে সিনেমা হল নির্যাতিতাদের পাশে দাঁড়ালেন লালমনিরহাটের এসপি নদী থেকে উঠে আসছে এক একটা কুমির, এলাকায় আতঙ্ক! এমসি কলেজে তরুণীকে গণধর্ষণ: আরেক আসামি গ্রেফতার শিল্প বর্জ্যে মৃতপ্রায় হবিগঞ্জের সুতাং নদী ২২ বছরে গুগল মহাকাশেও শক্তির প্রমাণ দেখাতে যাচ্ছে চীন গাইবান্ধায় মুষলধারে বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত মারাই গেলেন ৬ বছর কোমায় থাকা যশবন্ত সিং তিন দিন বন্ধ পাটুরিয়ার ১ নম্বর ফেরি ঘাট ডেসটিনির এমডির জামিন আবেদন আপিল বিভাগে খারিজ ফেসবুকের ফাঁদে ফেলে নগ্ন ছবি নিয়ে ১৫০ নারীকে ব্ল্যাকমেল বাংলাদেশ বিমানের ৬ রুটের ফ্লাইট বাতিল সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার বন্ধে বাফুফের লিগ্যাল নোটিশ বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে রক্ষা বাঁধ ভাঙনের কবলে, আতঙ্কে এলাকাবাসী পাসপোর্ট-টিকিট ছাড়াই ঘুরে আসুন বিশ্ব! এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে গণধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেফতার দেশের যে সব অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা মেসির মন খারাপ সৌদি অনুমোদিত ১৮ এজেন্সির তালিকা করণের বাড়ির পার্টিতে নেশায় বুঁদ বলিউডের বড় তারকারা, ভিডিও ফাঁস! মাদক কেড়ে নিল দীপিকার ফোন ৮০ দেশে সফটওয়্যার রফতানি করছে বাংলাদেশ কুমিল্লায় শরতের বর্ষণে জনজীবনে ছন্দপতন ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দ. আফ্রিকা চার ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রামসহ চার রেলপথ সচল করোনার তাণ্ডবে মৃত্যু ১০ লাখের কাছাকাছি টিভিতে আজকের খেলা প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় ‘হাওরের বিস্ময়’ সবুজ মালটায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে ঢাকার যেসব এলাকায় রোববার না যাওয়াই ভালো এই দিনে ভূমিকম্পে এক লাখ লোক মারা যান চীনে দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ কর্ণফুলী সৈকতে তৈরি হচ্ছে অপরিকল্পিত হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট আগস্টে চীনের শিল্পখাতের মুনাফা বেড়েছে ১৯ শতাংশ ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি, খেতে-হাঁটতে পারছেন না’ অবকাঠামোগত দুর্বলতায় পিছিয়ে যাচ্ছে পর্যটন খাত বারবার অসুস্থতার অজুহাতে সম্রাটের বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হুমকিতে দেশের সব নদ-নদী দেয়াল চাপা পড়ে দুই সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কন্যার মনে কষ্টের দিনে স্ত্রীর কাজে হতভম্ব মেষ জয় দিয়ে মৌসুম শুরু ইন্টার মিলানের রামোসের পেনাল্টিতে রিয়ালের কষ্টার্জিত জয় ৩ গোলে পিছিয়ে থেকেও হার এড়ালো চেলসি প্রথম জয় পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স হিন্দু ভাইয়ের মুখাগ্নি করলেন মুসলিম বোন জলবায়ু রক্ষায় 'ফ্রাইডে ফর ফিউচার' করোনার রেশ কাটাতে খেলাধুলায় ঝুঁকছেন আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশিরা সিংহের লেজ নিয়ে নাড়াচাড়া করবেন না: ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি আশুগঞ্জে ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীর হাত পা বাধা রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার নির্বাচনী ডামাডোল, প্রান্তিক পর্যায়ে প্রচারণা শেষে ঢাকায় মতবিনিময় ফুটবল বিশ্বকাপে ৫০টি দেশ খেলানো হবে প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হওয়ায় তরুণের আত্মহত্যা শেষ হলো শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক অনলাইন দাবা প্রতিযোগিতা রাদ-৫০০ মিসাইল প্রদর্শন করলো ইরান মেয়াদোত্তীর্ণ আকামাধারীরা কুয়েতে প্রবেশ করতে পারবেন না সুপার সানডেতে লেস্টার সিটির প্রতিপক্ষ ম্যানসিটি সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমন গ্রেফতার ৪ নয় ৩ বছরে ইতালিয়ান পাসপোর্ট! ৩৮০ কোটি টাকা জিততে কোর্টে নামছেন টেনিস তারকারা কক্সবাজারের ৮ থানায় নতুন ওসি নিয়োগ শুটিংয়ের ফাঁকে মাদক সেবন করতেন সুশান্ত: দাবি সারা-শ্রদ্ধার পাবনা-৪ আসনে আ. লীগের প্রার্থী বিজয়ী কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা টিম হোটেল ছাড়ছেন ক্রিকেটাররা ভাসুরের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা কোদাল দিয়ে চুল কেটে দিলো কিশোরকে, রাতভর নির্যাতন! (ভিডিও) দেশে শুরু হচ্ছে ক্রিকেট আমির খানের দেহরক্ষী ছিলেন ‘আদালতে’র কেডি পাঠক বদলে যাচ্ছে উইকিপিডিয়া ঝিনাইদহে সহস্রাধিক ইয়াবাসহ ২ নারী আটক নোয়াখালীতে ভুয়া এনএসআই কর্মকর্তা আটক জামানত ছাড়াই পাবেন ৫০ হাজার টাকা ঋণ! ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু করোনা ভ্যাকসিনকে বৈশ্বিক সম্পদ বিবেচনা করা প্রয়োজন: শেখ হাসিনা ফরিদপুর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুম গ্রেফতার ভারতের ভ্যাকসিন সমগ্র মানবজাতির জন্য: মোদি আইএস কে অর্থ সরবরাহ করেছিল ডয়েচ ব্যাংক? বিভিন্ন অপরাধে ২৮টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ২০১৯ সালে বাংলাদেশে ৮ হাজার কোটি সিগারেট বিক্রি! ৮ অক্টোবর থেকে ইতালির সঙ্গে বিমান চলাচল করোনায় মৃত্যুঝুঁকি কমায় ভিটামিন ডি, দাবি গবেষকদের নাটকীয় জয় পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মেসিকে পাল্টা জবাব দিলেন কোম্যান জিহাদি বইসহ ওলামা মাশায়েখের দুই সদস্য আটক এমসি কলেজে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধে চালু হয়েছিল ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ টিকেট দেড়শ’, অপেক্ষায় কয়েক হাজার সৌদি যাত্রী! ফতুল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ২০ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা ৩২ সৌদি প্রবাসীকে রেখেই উড়ল উড়োজাহাজ! কুমিল্লায় ৪ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
আরও সংবাদ...
ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশি নাগরিকরা ভ্রমণ করতে পারবেন যে ৪১ দেশ ভারত থেকে লন্ডন যেতে বাস সার্ভিস চালু ৩০ মিনিটে এনআইডির অসুন্দর ছবি বদলে ফেলুন বাংলাদেশকে ১৬ আনাই ফাঁকি দিয়েছে ভারত! ডাচ্-বাংলা-আইবিএলসহ ৫ ব্যাংকে লেনদেন সীমিত করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমকে নোটিশ মোবাইল কিনতে শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা করে ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত বাইকার ফারহানা ‘নববধূ’ নয়, বিয়ে তিন বছর আগে, রয়েছে সন্তানও ‘দুই আর দুই পাঁচ’ বলছেন শাহেদ ডাল-আলু ভর্তা খেয়ে মাকে টাকা পাঠান সৌদি প্রবাসী কিশোর (ভিডিও) দেখা মিলল বিশ্বের সবচেয়ে বড় নীল তিমির (ভিডিও) ওয়াইফাই ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর কৌশল আল বুখারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হলেন ড. ইউনূস দু'বোনের মারামারিতে দেরিতে ছাড়ল বিমান (ভিডিও) শিক্ষার্থীদের এক হাজার করে টাকা দেবে সরকার চেয়ার ছেড়ে পালালেন জায়েদ খান! মিয়া খলিফাকে খুঁজছে মার্কিন সেনারা (ভিডিও) সুশান্তের মৃত্যু: ‘আওয়াজ আসলেই তালা ভাঙা বন্ধ করে দিও’ (ভিডিও) মসজিদের একটি এসিও বিস্ফোরিত হয়নি এক সপ্তাহ পরেই বদলে যাচ্ছে ফেসবুক, বাধ্যতামূলক নতুন ডিজাইন ঘুষের ৫০ হাজার টাকা না দেয়ায় ঝরল ১৮ প্রাণ, শঙ্কা আরো! গ্রিসের ছয়টি যুদ্ধবিমানকে তুরস্কের ধাওয়া (ভিডিও) খোঁজ মিলেছে অভিনেতা শুভর মেসি-বার্সা ইস্যুতে নাটকীয় মোড়! পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপের দেখা মিলল সমুদ্রে জয়কে সাতদিনের আলটিমেটাম, নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে মামলা এবার ভারতের প্রদেশের মালিকানা দাবি করল চীন মেয়েসহ দেশ ছাড়লেন মিথিলা গভীর রাতে বাসভবনে ঢুকে ইউএনওকে হাতুড়ি পেটা জাদুকরি পরিবর্তন ঘটে সকালে কুসুম গরম লেবু পানিতে দেশে পাঁচ রকম করোনা ভাইরাসের সন্ধান চাঁদে পড়ছে মরচে! বাংলাদেশি ভ্যাকসিন কবে আসবে জানালেন আসিফ মাহমুদ লাইভ কনসার্টে টাকা ছুঁড়লেন দর্শক, উচিৎ শিক্ষা দিলেন অরিজিৎ (ভিডিও) দেশে বিমান তৈরি শুরু হবে ২০২১ সালে (ভিডিও) তুরস্ককে চারদিকে ঘিরে ফেলছে ফ্রান্স? পছন্দের রঙ বলে দেয় ব্যক্তিত্ব কেমন আড়াইহাজারে এশিয়ার সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগ! মোবাইল কিনতে ‘ঋণ’ দিচ্ছে রবি ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তি, মুখ খুললো সৌদি শোক দিবসে তারকাদের আচরণে সমালোচনার ঝড় সময় টিভিতে তিন ক্যাটাগরিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সুশান্ত হত্যায় নাম জড়াল ভারতীয় খেলোয়াড়ের! নতুন নিয়মে ট্রেনের টিকিট-ভ্রমণ করবেন যেভাবে রিয়াকে জড়িয়ে ধরা মহেশ ভাটের ভিডিও ভাইরাল দেশে আরো একটি গাধার জন্ম সুশান্তের মৃত্যু: সন্দীপের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট প্রকাশ তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান এসি বিস্ফোরণের কারণ ও রক্ষা পেতে যা করবেন প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতির নির্দেশ
আরও সংবাদ...


মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে