কামরুল হাসান সবুজ
আপডেট
০৩-০৮-২০২০, ২৩:১৭

হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বেঁচে যাওয়া তিন নারীর সাক্ষাৎকার

হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বেঁচে যাওয়া তিন নারীর সাক্ষাৎকার
তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্র, জাপানের হিরোশিমা শহরে ‘লিটল বয়’ নামে পারমাণবিক বোমা ফেলে এবং এর তিনদিন পর নাগাসাকি শহরে ‘ফ্যাটম্যান’ নামে আরেকটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অনুমান করা হয়, ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ওই হামলার সাড়ে ৩ লাখ জনসংখ্যার হিরোশিমা শহরের প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার বাসিন্দা মারা যান।

নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ মারা যান। পরবর্তীতে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরও ২ লাখ ১৪ হাজার জন। জাপানের আসাহি শিমবুন’র হিসাব অনুযায়ী বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট নানা রোগে হিরোশিমায় ২ লাখ ৩৭ হাজার আর নাগাসাকিতে ১ লাখ ৩৫ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে। মৃতদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক।

জাপানের আত্মসমর্পণের পেছনে এই বোমাবর্ষণের ভূমিকা ও এর প্রতিক্রিয়া এবং যৌক্তিকতা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মনে করেন ওই বোমা বর্ষণের ফলে ২য় বিশ্ব যুদ্ধ অনেক মাস আগে শেষ হয়েছে। এটা না হয়ে পূর্ব-পরিকল্পিত জাপান আক্রমণ (invasion) হলে উভয়পক্ষের যে বিপুল প্রাণহানি হতো তা আর ঘটেনি। জাপানের সাধারণ জনগণ মনে করেন এই বোমা হামলার প্রয়োজন ছিল না। কেননা জাপানের বেসামরিক নেতৃত্ব যুদ্ধ থামানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছিল।

ব্রিটিশ ফটো-সাংবাদিক লি ক্যারেন স্টো, তিনি ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রত্যক্ষ করা নারীদের কাহিনী নিঁপুণ হাতে তুলে আনতে বেশ পারদর্শী। তেমনি তিন নারী যাদের স্মৃতিতে এখনও জ্বলজ্বল করছে ৭৫ বছর আগের সেই বোমা হামলার ঘটনা তাদের সাক্ষাৎকার ও ছবি তুলেছেন লি ক্যারেন স্টো। বিবিসিতে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল।

তেরুকো ইউনো:
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমায় পারমানবিক বোমা হামলার সময় ১৫ বছরের কিশোরী ছিলেন তেরুকো ইউনো। তেরুকো তখন হিরোশিমা রেডক্রস হাসপাতালের নার্সিং স্কুলের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। 

ওই বোমা হামলার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের কলেজের হাসপাতালের ডরমেটরিতে আগুন লেগে যায়। ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সেদিন রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছিল তাকে। অগ্নিশিখায় অনেক শিক্ষার্থীই সেদিন আর বাঁচেননি, বেঁচে থাকার সব স্বপ্ন-আহ্লাদকে এক মুহূর্তে কবর দিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে হয়েছিল তাদের। 

সেদিনের পর থেকে তাকে দিনরাত কাজ করতে হয়েছিল মানবতার বিজয়ে। যারা মারাত্মক জখম হয়েছিলেন তাদের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ঠিক মতো খাদ্য-পানিও পাননি সেসময়ে। 

গ্র্যাজুয়েশন শেষে তেরুকো আবার সেই হাসপাতালেই ফিরে আসেন। সেখানে তিনি আহতদের স্কিন গ্রাফট অপারেশন কাজে সাহায্যকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে তাতসুয়েকি নামে একজনকে বিয়ে করেছিলেন তেরুকো। তাতসুয়েকিও ওই পারমানবিক বোমা হামলার হাত থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন। তেরুকো যখন প্রথমবারের মতো সন্তানসম্ভাবা হন, তখন তিনি খুব উদ্বিগ্ন ছিলেন তার সন্তান কি সুস্থভাবে জন্ম গ্রহণ করবে; দুনিয়ায় এসে কি তার নাড়ীছেঁড়া ধন বেঁচে থাকবে! এমন সব নানা দুশ্চিন্তা তার মাথায় ঘুরপাক খেতো সব সময়। 

ওই মানুষ মারার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তেরুকো বলেন, 'আমি নরক দেখিনি। আমি জানি না নরক কেমন। তবে, মনে হয় নরক সম্ভবত এমনই হবে, ৭৫ বছরের আগে হিরোশিমায় যেমনটা ঘটেছিলো, আমরা যা দেখেছিলাম। এমন ঘটনা পৃথিবীতে আর কখনই ঘটতে দেয়া উচিত নয়।' 

তুমকো, তরুকোর মেয়ে। যে মায়ের পেটে থাকাকালীন সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার প্রত্যাশায় মাকে দুশ্চিন্তায় রাখতো সব সময়। সেই তুমকো বলেন, 'মানুষ বলতো বছরের পর বছর এখানে কোন ঘাস বা গাছ- কোন কিছুই জন্মাবে না। কিন্তু, দেখুন হিরোশিমা তার সবুজ-সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যপটে বহমান নদী নিয়ে আবার ফিরে এসেছে। যদিও ওই ঘটনার তেজস্ক্রিয়তার প্বার্শপ্রতিক্রিয়া বয়ে বেড়াতে হচ্ছে জাপানি নাগরিকদের (হিবাকুশা)। 

যখন পুরো ধংসস্তুপে পরিণত হওয়া হিরোশিমার স্মৃতি আমাদের মনকে কাঁদিয়ে তুলে তখন আমরা সমবেত হয়ে রাস্তায় দাঁড়াই। আগামী তো আমাদেরই হাতে। শান্তি তখনই সম্ভব যদি আমরা তা কল্পনা করতে পারি, মানুষকে নিয়ে ভাবতে পারি। আমরা কি করতে পারি তা বের করতে হবে এবং কল্যাণকর কাজ করতে হবে এবং আমরা যদি অক্লান্তভাবে পৃথিবী গঠনে কাজ করে যাই তাহলে পৃথিবী অবশ্যই শান্তির আস্তানা হবে। এভাবেই আগামীর পৃথিবীর কথা বলেন তুমকো।

হিরোশিমার ওই ইতিহাস সম্পর্কে তেরুকোর নাতনী কুনিকো বলেন, 'পারমাণবিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আমার নাই। আমি শুধু জানি হিরোশিমাকে কিভাবে আবার তৈরি হতে হয়েছে। আমি শুধু কল্পনাই করতে পারি। তাই প্রত্যেক হিবাকুশা (ওই বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত) যা বলেন আমি খুব মন দিয়ে তা শুনি। পারমাণবিক বোমা হামলার নানা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আমি ঘাটাঘাটি করি। 

এরপর শুকনো ঠোঁটে কুনিকো কল্পনায় ভর দিয়ে বলতে থাকেন, 'একদিন এই শহরের সবকিছু পুড়ে গিয়েছিল...মানুষ... পাখি... ফঁড়িং... ঘাস... গাছ...  সব... সবকিছু... তারপর যারা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করতে এই পোড়া নগরীতে এল, যারা তাদের মৃত স্বজনদের পেল- তারাও বেঁচে থাকলো সেদিন মরে না যাওয়ার ক্ষত নিয়ে।'

আমি শুধু হিরোশিমা-নাগাসাকির হিবাকুশাদের কাছেই আসি না যারা ইউরোনিয়াম খনিতে কাজ করেন, যারা এসব খনির আশপাশের বাসিন্দা, যারা পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়ন ও পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত এবং যারা পারমাণবিকের ক্ষতির শিকার আমি তাদেরও খুব কাছে আসার চেষ্টা করি। এভাবেই তার শহরে ৭৫ বছর আগে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানার আগ্রহ জানান কুনিকো। 

এমিকো ওকাদা:
ওকাদা তখন মাত্র ৮ বছরের শিশু। তার বোন মিইওকোসহ তার পাঁচ স্বজন হিরোশিমার ওই পারমাণবিক বোমা হামলায় মরে যান। ওই ঘটনায় এমিকো ও তার পরিবারের অনেক বেঁধে রাখা ছবি হারিয়ে গেছে। কারণ, তার বোনসহ তারাই সেদিন হারিয়ে গেছে যারা এসব সংরক্ষণ করে রাখত। 

যেন এই তো সেদিনের ঘটনা সেভাবেই বলতে শুরু করেন এমিকো, আমার বোন সেদিন সকালে ঘর থেকে বের হল... আবার আমাদের দেখা হবে... আমার ১২ বছরের ওই বোনের সামনে তখনও তার পুরো জীবন পড়েছিল। কিন্তু সে আর কখনই ফিরে এলো না। কেউ জানাতেও পারল না কি হয়েছিল তার...  

আমার বাবা-মা তাকে কাছে পেতে পাগলের মতো খুঁজতে শুরু করলেন। কোথাও তার সন্ধান পেলেন না। তবুও তারা অনবরত বলতে শুরু করলেন কোথাও না কোথাও আমার বড় বোন জীবিতই আছে। আমার মা তখন সন্তানসম্ভাবা ছিলেন। তার গর্ভপাত হল।  

আমাদের কোন খাবার ছিল না। রেডিয়েশন সম্পর্কে আমাদের কোন ধারণা ছিল না। তাই আমরা যা পেলাম তা কুড়িয়ে আনলাম। কারণ, তখন সেখানে কোন খাবার ছিল না। মানুষ চুরি শুরু করল। খাদ্যাভাব ছিল সবচেয়ে বড় সমস্যা। আর যেটুকু নিরাপদ পানি পাওয়া যেত তা খুবই সুস্বাদু লাগত। তারপর দেখলাম বেঁচে থাকার জন্য চরম যুদ্ধ যা সকলকে ওই ঘটনার আড়ালে নিয়ে গেল।     

সে সময় আমার মাথার চুল পড়ে যেতে শুরু করল। মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে লাগল। আমি ভীষণ রকম ক্লান্ত থাকতাম। প্রায় সব সময়ই শুয়ে থাকতাম। আমাদের কারও তখন কোন ধারণা ছিল না রেডিয়েশন আসলে কী। এর ১২ বছর আমার আল্পাস্টিক অ্যানেমিয়া ধরা পড়ে। 

প্রতিদিন যখন সূর্যাস্তের সময় আকাশ গাড় লাল রংয়ের হয়ে যায় তখন সেই দৃশ্য ওই সেদিনের আগুনে লালের মতো লাগে যা হিরোশিমায় দেখেছিলাম। আমি তখন কাউকে কোন সহযোগিতা করতে পারিনি। তিনদিন তিনরাত ধরে পুড়েছিল আমাদের প্রিয় শহরটি। আমি এখনও সূর্যাস্তকে জঘন্য রকমের ঘৃণা করি। এমনকি এখনও প্রতিদিনের সূর্যাস্ত সেদিন হঠাৎ জ্বলে ওঠা আমার শহরের কথা মনে করিয়ে দেয়। অনেক হিবাকুশা সেদিনের কোন গল্প-কথা বলে না। তাদের ভালো থাকার বিষয় নিয়েও কিছু বলে না। তারা পারে না তাই আমি বলি।

অনেক মানুষ শান্তির পৃথিবী নিয়ে অনেক কথা বলেন। কিন্তু আমি চাই তাদের যারা সত্যিকার অর্থে এটা নিয়ে কাজ করতে চায়। আমি চাই প্রত্যেকেই শান্তির পৃথিবী গঠনে কাজ শুরু করুক। আমিও আমার জন্য, আমার সন্তানের জন্য, আমার নাতি-নাতনীর জন্যও তাই করতে চাই। তারাই আমাদের ভবিষ্যত। আমি চাই তারা সেই পৃথিবীতে থাকুক যে পৃথিবী তাদের প্রতি মুহূর্তে হাসিখুশি রাখবে।    

রেইকো হাদা:
১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট সকাল ১১টা ২ মিনিটে যখন নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা চালানো হয় তখন রেইকো হাদা নয় বছরের শিশু। 

রেইকো সেদিন বাড়িতেই ছিলেন। কারণ, সেদিন সকালে নাগাসাকিতে বিমান হামলার আশঙ্কা ছিল। পরিষ্কারভাবে হামলা সতর্কতার ঘোষণা বারবার শোনার পরও তিনি তাদের বাড়ির পাশের মন্দির চলে যান। তাদের প্রতিবেশি অনেকে স্কুলে না গিয়ে ওই মন্দিরে পড়াশোনা করত। কিন্তু ৪০ মিনিট পড়ানোর পর মন্দিরের শিক্ষক ক্লাস বন্ধ করে দেন। তখন রেইকো আবার বাড়ি ফিরে আসেন। 

আমি সবেমাত্র আমার ঘরে ঢুকছিলাম; মনে হয় এক পা দিয়েওছি। ঠিক তখনই এই ঘটনা ঘটল। আমার চোখে আলোর ঝলকানি দেখলাম। সেই আলোর ঝলক ধীরে ধীরে হলুদ, খাঁকি আর কমলার মিশ্রণ হয়ে গেল। আমি কিছু ভাবতে পারতে পারছিলাম না এটা আসলে কি ঘটল। এরপর দ্রুত সব পুরোপুরি সাদা হয়ে গেল। এবং এটা হতে তেমন কোন সময় নিল না। আমার মনে হল আমরা সবাই একা হয়ে গেলাম। পর মুহূর্তেই বিকট শব্দ হল এবং আমি নিষ্প্রভ হয়ে গেলাম।

তারপর আমার মনে হল আমাদের শিক্ষকরা আমাদের শিখিয়েছিলেন বিমান হামলাকালে জরুরিভাবে বিমান আক্রমণ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে। তাই বাড়ির ভেতরে আমি আমার মাকে খুঁজলাম এবং আমরা আশ্রয় কেন্দ্রে গেলাম। আমার শরীরে একটা মাত্র আঁচড়ের দাগও নাই। সেদিন আমাদের কনিপিরা পর্বত আমি ও আমাদের রক্ষা করেছিল। কিন্তু পর্বতের ওপাশের মানুষজনদের অভিজ্ঞতা ছিল একদম ভিন্ন। তারা সেদিন এক মুহূর্তেই নৃশংসতার শিকার হয়েছিল। 

অনেকে কনিপিরা পর্বত পার হয়ে উড়তে উড়তে আমাদের এলাকায় চলে আসতে লাগল। তাদের কারও চোখ বের হওয়া, কারও মাথার চুল ছিঁড়ে গেছে, প্রায় সকলেই নগ্ন, মারাত্মকভাবে ঝলসে যাওয়া তাদের শরীরের চামড়া ঝুলে পড়েছে। আমাদের সম্প্রদায়ের আরও অনেক মহিলার সঙ্গে আমার মা পাশের একটি বাণিজ্যিক কলেজের অডিটোরিয়ামে চাদর ও তোয়ালে বিছালেন, যেন ওই মানুষগুলো সেখানে শুয়ে পড়তে পারে। 

তারা পানি চাচ্ছিল। আমাকে পানি দিতে বলা হল। আমি চিপযুক্ত বাটি নিয়ে কাছাকাছি একটি নদীতে পানি আনতে গেলাম এবং নিয়ে এলাম তাদের পান করানোর জন্য। কিন্তু এক চুমুক করে পানি খাওয়ার পরই তারা অনেকে মরে গেল। একজনের পর একজন মরে যেতে লাগল তারা। 

তখন গ্রীষ্মকাল ছিল। পোকা ও ভয়াবহ গন্ধের কারণে মৃতদেহগুলো দ্রুত পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছিল। কলেজের সুইমিংপুলে মৃতদের স্তূপ করা হচ্ছিল এবং ফেলা দেয়া কাঠ-খড়কুটা দিয়ে তাদের পোড়ানো হচ্ছিল। এটা অসম্ভব ছিল যারা সেই স্তূপের মধ্যে ছিল তাদের চেনা। মানুষ যেভাবে মরে তারা সেভাবে মরেনি। আমি আশা করি আগামী প্রজন্ম এমন কোন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। আমরা অবশ্যই এমন পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার আর হতে দিব না। 

হ্যাঁ এটা ঠিক, মানুষই শান্তি আনে মানুষের মাঝে। আমরা ভিন্ন দেশে বাস করি, ভিন্ন ভাষায় কথা বলি কিন্তু 'শান্তি'র জন্য আমরা সবাই এক। এভাবেই নিজের সেসময়ের অভিজ্ঞতার কথা শেষ করেন রেইকো হাদা।



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৫৫১১৭৫ ৪০২০২ ৫০২৪৯৭ ৮৪৭৬
বিস্তারিত
আরও বাড়ল করোনায় আক্রান্ত, কমল মৃত্যু সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৩ পরামর্শ শাহীন আলমের শেষ ইচ্ছা পূরণ করলেন ছেলে ফেসবুক আইডি হ্যাক, তরুণীর আশালীন ছবি তৈরি করে ছড়ানোর হুমকি আরও বড় হবে ঢাকা শিশু হাসপাতাল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২০০ বিক্ষোভকারীকে মুক্তি দিল মিয়ানমার সরকার ছেলের বিয়ের গুঞ্জনে যা বললেন ওমর সানী ছোট ভাইকে হত্যার পর বড় ভাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হঠাৎ ফেসবুকে সমস্যা ফেলনা খাবারে প্রসাধনী-পোশাক তৈরি! গাজীপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা পিএসএলের পর এবার বন্ধ হলো পিসিবি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির নকল কেন দেয়া হবে না, রুল জারি ফেনী নদীতে বাংলাদেশ-ভারতের মৈত্রী সেতু উদ্বোধন বিষাক্ত বাতাসে অসুস্থ চট্টগ্রাম হরিণ দিয়ে ভূরিভোজ, ফাঁড়ির ইনচার্জ বরখাস্ত তরঙ্গ অনুপাতে গ্রাহক সেবায় এগিয়ে বাংলালিংক! হঠাৎ অসুস্থ রণবীর নারী বিশ্বকাপে দল বাড়াচ্ছে আইসিসি দুদকের জালে এসআইয়ের কোটিপতি স্ত্রী বছরের প্রথম শিলাবৃষ্টি নেত্রকোনায় সাবেক মেয়র মান্নানের সাজা বাড়ানো নিয়ে রুল দুদক মহাপরিচালকের মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোক সিরিজ শুরুর আগেই ছিটকে গেলেন উইলিয়ামসন শেষ হচ্ছে টাইগারদের কোয়ারেন্টিন পর্ব ‘এখনো সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান’ দীঘির বিরুদ্ধে মামলার হুমকি! দ্বিতীয় পর্বের লড়াইয়ে মুখোমুখি বরুশিয়া ডর্টমুন্ড-সেভিয়া যেভাবে টাকা ফেরত পাবেন শিক্ষার্থীরা বিয়ের আশ্বাসে লঞ্চে নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর সর্বনাশ হাজী সেলিমের মামলার রায় পড়া শুরু দুদক মহাপরিচালক মফিজুর আর নেই সিরিমাভো বন্দরনাইকা: বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ওআইসি মহাসচিবের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক পাত্র দেখানোর কথা বলে বাড়িতে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ভারতে জম্মু-কাশ্মির থেকে ১৬০ রোহিঙ্গা আটক বিজিবির অভিযানে ২ ইয়াবা কারবারি নিহত দেশ থেকে শাড়ি নিচ্ছেন আয়ারল্যান্ডে বাংলাদেশি নারীরা ইতালিতে কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে ফিলিপিন্সের নারী, পিছিয়ে বাংলাদেশিরা নারীকে ছুড়ে ফেলা সেই চালক-হেলপার গ্রেফতার হজে যেতে করোনার টিকা লাগবে: সৌদি আরব পাওলিকে শুঁটকি দিলেন বাংলাদেশের রিমন অবশেষে বনানী কবরস্থানেই সমাহিত শাহীন আলম ডিনামাইট বিস্ফোরণে গিনিতে নিহত বেড়ে ৯৮ কলকাতার সরকারি বহুতল ভবনে আগুনে নিহত বেড়ে ৯ ঝিনাইদহে ক্ষুরা রোগে অর্ধশত গরুর মৃত্যু রাষ্ট্রায়ত্ত ৮ ব্যাংকে ২৪৭৮ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ৩০ মার্চ খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ ৬৬৬ দিন পৃথিবীর বাইরে ছিলেন এই নারী চট্টগ্রাম ওয়াসায় চলতি মাসেই যুক্ত হচ্ছে আরও ১৪ কোটি লিটার পানি ৫ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ প্রাণহানি মশারি-স্প্রে-কয়েল জ্বালিয়েও কমছে না মশার উপদ্রব ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ গাইডলাইন বাস্তবায়নের সময় বাড়ল’ ‘প্রতি মাসেই দিতে হবে রেমিট্যান্সের বিপরীতে নগদ সহায়তার তথ্য’ মঙ্গলবারের বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতি কবরস্থানে নায়ক শাহীনের লাশ নিয়ে অসহায় ছেলের অপেক্ষা আগামী নির্বাচনে ক্ষমতা হারাতে পারেন নেতানিয়াহু বাঙালি তরুণের চন্দ্রস্পর্শ! দেশে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস সেই আয়লান কুর্দির বাবার সঙ্গে পোপের সাক্ষাৎ তুলার প্রেমে সফলতার দিনে সিংহের প্রেমে অশান্তি মৃত্যুর পর আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের কী হবে? ৯ মার্চ: ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল মঙ্গলবার ঢাকার যেসব স্থানে যাবেন না আবারও ফিরলেন ফেদেরার, ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে জোকোভিচ ব্যক্তিগত প্রচার নয় সরকারের উন্নয়ন কাজের প্রচার চান জেলা প্রশাসক ইশরাত নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে আহত ৭ রোনালদো-য়্যুভেন্তাস ছাড়াছাড়ি! অপরাজেয় থমাস টাচেলের চেলসি! আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ভেন্যু পরিবর্তন যে কারণে অভিনয় ছেড়েছিলেন চিত্রনায়ক শাহীন আলম মিয়ানমারে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে আরও ২ জনের মৃত্যু নারী দিবসে ৯ নারী পেলেন 'শ্রেষ্ঠ আত্মনির্ভরশীল নারী পুরস্কার' বিদেশি গণমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সূর্যমুখী ফুলের চাষ ফোন থেকে দ্রুত সরিয়ে নিন ভয়ংকর এই অ্যাপগুলো সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সাংবাদিক মোশারফ রুমী আর নেই নিলাম শেষ: সবচেয়ে বেশি তরঙ্গ কিনল গ্রামীণফোন ওয়েবসাইট জটিলতায় বন্ধ ঢাবির অনলাইন ভর্তি আবেদন বঙ্গোপসাগরে মিলল ৩৭ কেজির কালা পোয়া, প্রায় ৩ লাখে বিক্রি ছাগল চুরির ঘটনায় জড়িত নন, দাবী সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কলকাতায় রেল দফতরের অফিসে আগুন, ৭ জনের মৃত্যু শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গা শিশু হত্যা: গ্রেফতার ২ কারাগারের দেয়াল টপকেই পালান হত্যা মামলার আসামি রুবেল চিত্রনায়ক শাহীন আলম আর নেই ‘যত পারেন মাওলানা সঙ্গে আনেন, আমি প্রস্তুত’ পাচার হওয়া তরুণীকে হস্তান্তর করল ভারত ৪৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পালানো প্রবাসী ফিরেই গ্রেফতার ভাতিজিতে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ঝলসে দেওয়া হলো চাচাকে বাঁশ বাগানে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা: গ্রেফতার বেলাল রিমান্ডে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসে অভিভাবকহীন শিশু, বলতে পারেনি নামও সমালোচনা নয়, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সোচ্চার হওয়ার তাগিদ সারা দেশে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের সভা চায় কসোভো বরিশালে টপ টেনের শো রুমে হামলার ঘটনায় মামলা জামিন হয়নি, কারাগারেই থাকছেন সাবরিনা আসামিদের নিয়ে ওসির ‘আনন্দ উদযাপন’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূ ধর্ষণ-হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ২ টেকনাফে ২ ‘রোহিঙ্গা অপহরণকারী’ গ্রেফতার
আরও সংবাদ...
ঢাকার রাস্তায় নামছে ‘বাঘ’ তামিমা সম্পর্কে যা জানা গেল! তামিমার চার বিয়ে তিন স্বামী! পপিকে বিয়ে করতে চাওয়া যুবকের পরিচয় বিরল রোগে আক্রান্ত নবজাতক, গবেষণায় শিশুকে দান করবেন দম্পতি খেলতে গিয়ে হরিণকে ‘বন্ধু’ বানিয়ে বাসায় নিয়ে এলো শিশু! প্রেমিকার অপেক্ষায় ৪০ বছর ধরে ঢাবি হলের বারান্দায় সরু (ভিডিও) ঢাকায় ৫০ টাকায় গরুর মাংস! তামিমার তিন নম্বর স্বামী নাসির হোসেন! রহিমার প্রেমের টানে কেশবপুরে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার চাঁদপুরের বাস দুর্ঘটনার ভিডিও ভাইরাল টিকা নিলে বিশেষ অঙ্গ ছোট হওয়ার খবর কতটা সত্য? আলোচনায় ব্যাচেলর পয়েন্টের ‘নোয়াখালীর শিমুল’ এই লেখকের প্রতি কপি বইয়ের দাম ৩ লাখ টাকা মহানবীর (সা.) ১৪০০ বছর আগের যে বাণী সত্য প্রমাণ পেল বিজ্ঞান পর্ন সাইট খুললে তথ্য যাবে পুলিশের কাছে! ছিলেন নাইটগার্ড, ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে হয়ে গেলেন মেয়র আল জাজিরার প্রতিবেদন: পেছনে কারা? সুইডেনে পড়তে গিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশিরা জনপ্রিয় টিকটক তারকা রফির মরদেহ উদ্ধার শাহরিয়ার নাফিসের বিদায়ে স্ত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস আল জাজিরার সামি, আপাদমস্তক অপরাধে মোড়া এক চরিত্র! এখনই খুলছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফেব্রুয়ারি-মার্চ দেখে এপ্রিলে সিদ্ধান্ত নাসিরের প্রেমিকার তালিকায় অভিনেতা সিদ্দিকের সাবেক স্ত্রী! বিয়ে করলেন নাসির ভ্যাকসিন নিলে সাড়ে ৮ হাজার টাকা পুরস্কার! যে কারণে স্বামী-সন্তান ছেড়ে নাসিরকে বিয়ে করেছে তামিমা সুইমিং পুলে সৃজিত-মিথিলার রোমান্স টিকা দেওয়ার দ্বিতীয় দিনে কমল মৃত্যু ও আক্রান্ত ভাইয়ের পা ধরে মাফ চেয়েও রক্ষা পেলেন না নিজাম বছরের ভাইরাল দুই জুটি (ফটো অ্যালবাম) এবার ট্রলকারীদের জবাব দিলেন নায়ক রিয়াজ আল জাজিরার সংবাদ ভিত্তিহীন দাবি, সরকারের প্রত্যাখ্যান মধ্যবয়সী নারীদের টার্গেট করে শারীরিক সম্পর্ক করে বরিশালের বেলাল কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ সাকিব! বিতর্কের মধ্যেই নাসির-তামিমার জমকালো বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান পার্লারে গিয়ে মুখ পুড়ল সুন্দরী নারীর! (ভিডিও) সুখবর পেতে পারেন ৪৩তম বিসিএস আবেদনকারীরা ৪০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের মালিক ছিলেন মুসা! (ভিডিও) আল-জাজিরায় সাক্ষাৎকারের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন মুন্না এসএসসির প্রকাশিত সিলেবাস বাতিল ছানাদের বাঁচাতে লড়াই করে বিষধর সাপ রুখে দিল মা মুরগি! (ভিডিও) স্বামীকে রেখে বিয়ে: আইন কী বলে? ২৩ বছরে ১১ শিশুর মা, নিতে চান ১০০ সন্তান! শিক্ষিকাকে বিয়ে করলেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা দেবরের লাগাতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা প্রবাসীর স্ত্রী, অবশেষে বাড়ি ছাড়া টিকা নিয়ে ৪২৬ জনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ডিভোর্স ছাড়াই স্বামী-সন্তান ফেলে নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা! একাধিক সিনেমা থেকে বাদ দীঘি! সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে খেলবেন না: সেনাপ্রধান
আরও সংবাদ...

মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে