কামরুল হাসান সবুজ
আপডেট
০৩-০৮-২০২০, ২৩:১৭

হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বেঁচে যাওয়া তিন নারীর সাক্ষাৎকার

হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বেঁচে যাওয়া তিন নারীর সাক্ষাৎকার
তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্র, জাপানের হিরোশিমা শহরে ‘লিটল বয়’ নামে পারমাণবিক বোমা ফেলে এবং এর তিনদিন পর নাগাসাকি শহরে ‘ফ্যাটম্যান’ নামে আরেকটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অনুমান করা হয়, ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ওই হামলার সাড়ে ৩ লাখ জনসংখ্যার হিরোশিমা শহরের প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার বাসিন্দা মারা যান।

নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ মারা যান। পরবর্তীতে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরও ২ লাখ ১৪ হাজার জন। জাপানের আসাহি শিমবুন’র হিসাব অনুযায়ী বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট নানা রোগে হিরোশিমায় ২ লাখ ৩৭ হাজার আর নাগাসাকিতে ১ লাখ ৩৫ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে। মৃতদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক।

জাপানের আত্মসমর্পণের পেছনে এই বোমাবর্ষণের ভূমিকা ও এর প্রতিক্রিয়া এবং যৌক্তিকতা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মনে করেন ওই বোমা বর্ষণের ফলে ২য় বিশ্ব যুদ্ধ অনেক মাস আগে শেষ হয়েছে। এটা না হয়ে পূর্ব-পরিকল্পিত জাপান আক্রমণ (invasion) হলে উভয়পক্ষের যে বিপুল প্রাণহানি হতো তা আর ঘটেনি। জাপানের সাধারণ জনগণ মনে করেন এই বোমা হামলার প্রয়োজন ছিল না। কেননা জাপানের বেসামরিক নেতৃত্ব যুদ্ধ থামানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছিল।

ব্রিটিশ ফটো-সাংবাদিক লি ক্যারেন স্টো, তিনি ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রত্যক্ষ করা নারীদের কাহিনী নিঁপুণ হাতে তুলে আনতে বেশ পারদর্শী। তেমনি তিন নারী যাদের স্মৃতিতে এখনও জ্বলজ্বল করছে ৭৫ বছর আগের সেই বোমা হামলার ঘটনা তাদের সাক্ষাৎকার ও ছবি তুলেছেন লি ক্যারেন স্টো। বিবিসিতে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল।

তেরুকো ইউনো:
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমায় পারমানবিক বোমা হামলার সময় ১৫ বছরের কিশোরী ছিলেন তেরুকো ইউনো। তেরুকো তখন হিরোশিমা রেডক্রস হাসপাতালের নার্সিং স্কুলের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। 

ওই বোমা হামলার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের কলেজের হাসপাতালের ডরমেটরিতে আগুন লেগে যায়। ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সেদিন রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছিল তাকে। অগ্নিশিখায় অনেক শিক্ষার্থীই সেদিন আর বাঁচেননি, বেঁচে থাকার সব স্বপ্ন-আহ্লাদকে এক মুহূর্তে কবর দিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে হয়েছিল তাদের। 

সেদিনের পর থেকে তাকে দিনরাত কাজ করতে হয়েছিল মানবতার বিজয়ে। যারা মারাত্মক জখম হয়েছিলেন তাদের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ঠিক মতো খাদ্য-পানিও পাননি সেসময়ে। 

গ্র্যাজুয়েশন শেষে তেরুকো আবার সেই হাসপাতালেই ফিরে আসেন। সেখানে তিনি আহতদের স্কিন গ্রাফট অপারেশন কাজে সাহায্যকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে তাতসুয়েকি নামে একজনকে বিয়ে করেছিলেন তেরুকো। তাতসুয়েকিও ওই পারমানবিক বোমা হামলার হাত থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন। তেরুকো যখন প্রথমবারের মতো সন্তানসম্ভাবা হন, তখন তিনি খুব উদ্বিগ্ন ছিলেন তার সন্তান কি সুস্থভাবে জন্ম গ্রহণ করবে; দুনিয়ায় এসে কি তার নাড়ীছেঁড়া ধন বেঁচে থাকবে! এমন সব নানা দুশ্চিন্তা তার মাথায় ঘুরপাক খেতো সব সময়। 

ওই মানুষ মারার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তেরুকো বলেন, 'আমি নরক দেখিনি। আমি জানি না নরক কেমন। তবে, মনে হয় নরক সম্ভবত এমনই হবে, ৭৫ বছরের আগে হিরোশিমায় যেমনটা ঘটেছিলো, আমরা যা দেখেছিলাম। এমন ঘটনা পৃথিবীতে আর কখনই ঘটতে দেয়া উচিত নয়।' 

তুমকো, তরুকোর মেয়ে। যে মায়ের পেটে থাকাকালীন সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার প্রত্যাশায় মাকে দুশ্চিন্তায় রাখতো সব সময়। সেই তুমকো বলেন, 'মানুষ বলতো বছরের পর বছর এখানে কোন ঘাস বা গাছ- কোন কিছুই জন্মাবে না। কিন্তু, দেখুন হিরোশিমা তার সবুজ-সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যপটে বহমান নদী নিয়ে আবার ফিরে এসেছে। যদিও ওই ঘটনার তেজস্ক্রিয়তার প্বার্শপ্রতিক্রিয়া বয়ে বেড়াতে হচ্ছে জাপানি নাগরিকদের (হিবাকুশা)। 

যখন পুরো ধংসস্তুপে পরিণত হওয়া হিরোশিমার স্মৃতি আমাদের মনকে কাঁদিয়ে তুলে তখন আমরা সমবেত হয়ে রাস্তায় দাঁড়াই। আগামী তো আমাদেরই হাতে। শান্তি তখনই সম্ভব যদি আমরা তা কল্পনা করতে পারি, মানুষকে নিয়ে ভাবতে পারি। আমরা কি করতে পারি তা বের করতে হবে এবং কল্যাণকর কাজ করতে হবে এবং আমরা যদি অক্লান্তভাবে পৃথিবী গঠনে কাজ করে যাই তাহলে পৃথিবী অবশ্যই শান্তির আস্তানা হবে। এভাবেই আগামীর পৃথিবীর কথা বলেন তুমকো।

হিরোশিমার ওই ইতিহাস সম্পর্কে তেরুকোর নাতনী কুনিকো বলেন, 'পারমাণবিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আমার নাই। আমি শুধু জানি হিরোশিমাকে কিভাবে আবার তৈরি হতে হয়েছে। আমি শুধু কল্পনাই করতে পারি। তাই প্রত্যেক হিবাকুশা (ওই বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত) যা বলেন আমি খুব মন দিয়ে তা শুনি। পারমাণবিক বোমা হামলার নানা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আমি ঘাটাঘাটি করি। 

এরপর শুকনো ঠোঁটে কুনিকো কল্পনায় ভর দিয়ে বলতে থাকেন, 'একদিন এই শহরের সবকিছু পুড়ে গিয়েছিল...মানুষ... পাখি... ফঁড়িং... ঘাস... গাছ...  সব... সবকিছু... তারপর যারা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করতে এই পোড়া নগরীতে এল, যারা তাদের মৃত স্বজনদের পেল- তারাও বেঁচে থাকলো সেদিন মরে না যাওয়ার ক্ষত নিয়ে।'

আমি শুধু হিরোশিমা-নাগাসাকির হিবাকুশাদের কাছেই আসি না যারা ইউরোনিয়াম খনিতে কাজ করেন, যারা এসব খনির আশপাশের বাসিন্দা, যারা পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়ন ও পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত এবং যারা পারমাণবিকের ক্ষতির শিকার আমি তাদেরও খুব কাছে আসার চেষ্টা করি। এভাবেই তার শহরে ৭৫ বছর আগে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানার আগ্রহ জানান কুনিকো। 

এমিকো ওকাদা:
ওকাদা তখন মাত্র ৮ বছরের শিশু। তার বোন মিইওকোসহ তার পাঁচ স্বজন হিরোশিমার ওই পারমাণবিক বোমা হামলায় মরে যান। ওই ঘটনায় এমিকো ও তার পরিবারের অনেক বেঁধে রাখা ছবি হারিয়ে গেছে। কারণ, তার বোনসহ তারাই সেদিন হারিয়ে গেছে যারা এসব সংরক্ষণ করে রাখত। 

যেন এই তো সেদিনের ঘটনা সেভাবেই বলতে শুরু করেন এমিকো, আমার বোন সেদিন সকালে ঘর থেকে বের হল... আবার আমাদের দেখা হবে... আমার ১২ বছরের ওই বোনের সামনে তখনও তার পুরো জীবন পড়েছিল। কিন্তু সে আর কখনই ফিরে এলো না। কেউ জানাতেও পারল না কি হয়েছিল তার...  

আমার বাবা-মা তাকে কাছে পেতে পাগলের মতো খুঁজতে শুরু করলেন। কোথাও তার সন্ধান পেলেন না। তবুও তারা অনবরত বলতে শুরু করলেন কোথাও না কোথাও আমার বড় বোন জীবিতই আছে। আমার মা তখন সন্তানসম্ভাবা ছিলেন। তার গর্ভপাত হল।  

আমাদের কোন খাবার ছিল না। রেডিয়েশন সম্পর্কে আমাদের কোন ধারণা ছিল না। তাই আমরা যা পেলাম তা কুড়িয়ে আনলাম। কারণ, তখন সেখানে কোন খাবার ছিল না। মানুষ চুরি শুরু করল। খাদ্যাভাব ছিল সবচেয়ে বড় সমস্যা। আর যেটুকু নিরাপদ পানি পাওয়া যেত তা খুবই সুস্বাদু লাগত। তারপর দেখলাম বেঁচে থাকার জন্য চরম যুদ্ধ যা সকলকে ওই ঘটনার আড়ালে নিয়ে গেল।     

সে সময় আমার মাথার চুল পড়ে যেতে শুরু করল। মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে লাগল। আমি ভীষণ রকম ক্লান্ত থাকতাম। প্রায় সব সময়ই শুয়ে থাকতাম। আমাদের কারও তখন কোন ধারণা ছিল না রেডিয়েশন আসলে কী। এর ১২ বছর আমার আল্পাস্টিক অ্যানেমিয়া ধরা পড়ে। 

প্রতিদিন যখন সূর্যাস্তের সময় আকাশ গাড় লাল রংয়ের হয়ে যায় তখন সেই দৃশ্য ওই সেদিনের আগুনে লালের মতো লাগে যা হিরোশিমায় দেখেছিলাম। আমি তখন কাউকে কোন সহযোগিতা করতে পারিনি। তিনদিন তিনরাত ধরে পুড়েছিল আমাদের প্রিয় শহরটি। আমি এখনও সূর্যাস্তকে জঘন্য রকমের ঘৃণা করি। এমনকি এখনও প্রতিদিনের সূর্যাস্ত সেদিন হঠাৎ জ্বলে ওঠা আমার শহরের কথা মনে করিয়ে দেয়। অনেক হিবাকুশা সেদিনের কোন গল্প-কথা বলে না। তাদের ভালো থাকার বিষয় নিয়েও কিছু বলে না। তারা পারে না তাই আমি বলি।

অনেক মানুষ শান্তির পৃথিবী নিয়ে অনেক কথা বলেন। কিন্তু আমি চাই তাদের যারা সত্যিকার অর্থে এটা নিয়ে কাজ করতে চায়। আমি চাই প্রত্যেকেই শান্তির পৃথিবী গঠনে কাজ শুরু করুক। আমিও আমার জন্য, আমার সন্তানের জন্য, আমার নাতি-নাতনীর জন্যও তাই করতে চাই। তারাই আমাদের ভবিষ্যত। আমি চাই তারা সেই পৃথিবীতে থাকুক যে পৃথিবী তাদের প্রতি মুহূর্তে হাসিখুশি রাখবে।    

রেইকো হাদা:
১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট সকাল ১১টা ২ মিনিটে যখন নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা চালানো হয় তখন রেইকো হাদা নয় বছরের শিশু। 

রেইকো সেদিন বাড়িতেই ছিলেন। কারণ, সেদিন সকালে নাগাসাকিতে বিমান হামলার আশঙ্কা ছিল। পরিষ্কারভাবে হামলা সতর্কতার ঘোষণা বারবার শোনার পরও তিনি তাদের বাড়ির পাশের মন্দির চলে যান। তাদের প্রতিবেশি অনেকে স্কুলে না গিয়ে ওই মন্দিরে পড়াশোনা করত। কিন্তু ৪০ মিনিট পড়ানোর পর মন্দিরের শিক্ষক ক্লাস বন্ধ করে দেন। তখন রেইকো আবার বাড়ি ফিরে আসেন। 

আমি সবেমাত্র আমার ঘরে ঢুকছিলাম; মনে হয় এক পা দিয়েওছি। ঠিক তখনই এই ঘটনা ঘটল। আমার চোখে আলোর ঝলকানি দেখলাম। সেই আলোর ঝলক ধীরে ধীরে হলুদ, খাঁকি আর কমলার মিশ্রণ হয়ে গেল। আমি কিছু ভাবতে পারতে পারছিলাম না এটা আসলে কি ঘটল। এরপর দ্রুত সব পুরোপুরি সাদা হয়ে গেল। এবং এটা হতে তেমন কোন সময় নিল না। আমার মনে হল আমরা সবাই একা হয়ে গেলাম। পর মুহূর্তেই বিকট শব্দ হল এবং আমি নিষ্প্রভ হয়ে গেলাম।

তারপর আমার মনে হল আমাদের শিক্ষকরা আমাদের শিখিয়েছিলেন বিমান হামলাকালে জরুরিভাবে বিমান আক্রমণ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে। তাই বাড়ির ভেতরে আমি আমার মাকে খুঁজলাম এবং আমরা আশ্রয় কেন্দ্রে গেলাম। আমার শরীরে একটা মাত্র আঁচড়ের দাগও নাই। সেদিন আমাদের কনিপিরা পর্বত আমি ও আমাদের রক্ষা করেছিল। কিন্তু পর্বতের ওপাশের মানুষজনদের অভিজ্ঞতা ছিল একদম ভিন্ন। তারা সেদিন এক মুহূর্তেই নৃশংসতার শিকার হয়েছিল। 

অনেকে কনিপিরা পর্বত পার হয়ে উড়তে উড়তে আমাদের এলাকায় চলে আসতে লাগল। তাদের কারও চোখ বের হওয়া, কারও মাথার চুল ছিঁড়ে গেছে, প্রায় সকলেই নগ্ন, মারাত্মকভাবে ঝলসে যাওয়া তাদের শরীরের চামড়া ঝুলে পড়েছে। আমাদের সম্প্রদায়ের আরও অনেক মহিলার সঙ্গে আমার মা পাশের একটি বাণিজ্যিক কলেজের অডিটোরিয়ামে চাদর ও তোয়ালে বিছালেন, যেন ওই মানুষগুলো সেখানে শুয়ে পড়তে পারে। 

তারা পানি চাচ্ছিল। আমাকে পানি দিতে বলা হল। আমি চিপযুক্ত বাটি নিয়ে কাছাকাছি একটি নদীতে পানি আনতে গেলাম এবং নিয়ে এলাম তাদের পান করানোর জন্য। কিন্তু এক চুমুক করে পানি খাওয়ার পরই তারা অনেকে মরে গেল। একজনের পর একজন মরে যেতে লাগল তারা। 

তখন গ্রীষ্মকাল ছিল। পোকা ও ভয়াবহ গন্ধের কারণে মৃতদেহগুলো দ্রুত পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছিল। কলেজের সুইমিংপুলে মৃতদের স্তূপ করা হচ্ছিল এবং ফেলা দেয়া কাঠ-খড়কুটা দিয়ে তাদের পোড়ানো হচ্ছিল। এটা অসম্ভব ছিল যারা সেই স্তূপের মধ্যে ছিল তাদের চেনা। মানুষ যেভাবে মরে তারা সেভাবে মরেনি। আমি আশা করি আগামী প্রজন্ম এমন কোন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। আমরা অবশ্যই এমন পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার আর হতে দিব না। 

হ্যাঁ এটা ঠিক, মানুষই শান্তি আনে মানুষের মাঝে। আমরা ভিন্ন দেশে বাস করি, ভিন্ন ভাষায় কথা বলি কিন্তু 'শান্তি'র জন্য আমরা সবাই এক। এভাবেই নিজের সেসময়ের অভিজ্ঞতার কথা শেষ করেন রেইকো হাদা।



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৪৫৬৪৩৮ ৭৮৪৬১ ৩৭১৪৫৩ ৬৫২৪
বিস্তারিত
সুনামগঞ্জে দাওয়াতি কুস্তি খেলা অনুষ্ঠিত জাতীয় ফুটবল দলের খেলা দেখতে প্রবাসীদের ঢল ম্যারাডোনার মৃত্যুতে শোকে ভাসছে ব্রাজিলিয়ানরা মুজিববর্ষ সাইক্লিং এক্সপেডিশন দল চট্টগ্রাম সেনানিবাসে হিলিতে মাদকসহ আটক ৩ ‘নেইমার ইউরোপের সেরা ৩০-এরও বাইরে’ খাবারে অরুচি হলে সতর্কতা জরুরি ৪ জনকে নিয়োগ দেবে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ম্যারাডোনা-মেসি তুলনা এবং বাস্তবতা ম্যারাডোনার নামে হচ্ছে স্টেডিয়াম দেশে করোনার টিকা আগে পাবে কারা স্ত্রীর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলেন স্বামী ঘরের ছেলে ম্যারাডোনার মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান ইতালি সর্বাধিক দেখার রেকর্ড ‘দ্য কুইনস গ্যাম্বিট’ অতুল প্রসাদের স্মৃতিচিহ্ন রক্ষায় গাজীপুরে ‘জাদুঘর’ নির্মাণের উদ্যোগ ম্যারাডোনাকে সমাহিতের স্থান ও তারিখ মুশফিকের ঢাকাকে উড়িয়ে দিল মিঠুনের চট্টগ্রাম শিশুরাও পাবে জাতীয় পরিচয়পত্র! টাঙ্গাইলে বলাৎকারের অভিযোগে ২ মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার ভৈরবে গ্যাস সিলিন্ডারে মাদক পাচার, গ্রেফতার ১ ম্যারাডোনার মৃত্যুশোকে অসুস্থ, আর্জেন্টিনার কোচ হাসপাতালে সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৩ প্রবাসী নিহত মারা যাওয়ার আগে যা করছিলেন ম্যারাডোনা রাজবাড়ীতে প্রেমের সম্পর্কের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ বিজয়ীদের পুরস্কার দিল দারাজ বিএম কলেজের নতুন অধ্যক্ষ জিয়াউল হক শীতে ত্বক সজীব রাখতে যা খাবেন ‘করোনায় প্রবৃদ্ধি অর্জনে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ’ নড়াইলে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন’ ‘মৃত্যুর আগে ম্যারাডোনাকে চিকিৎসা না দিয়ে ১২ ঘণ্টা ফেলে রাখা হয়’ ‘প্রতি উপজেলা থেকে হাজার শ্রমিক যাবে বিদেশে’ এখনও ম্যারাডোনাকে ক্ষমা করছেন না সেই গোলরক্ষক ৮ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার পরকীয়া করায় স্বামীকে খাঁচায় বেঁধে নদীতে ফেলে দিলেন স্ত্রী! মৌলভীবাজারে মাস্ক সপ্তাহ উদ্বোধন বিপর্যস্ত বিশ্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধরে রেখেছে: প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর ৩৯তম স্প্যান বসছে শুক্রবার চুয়াডাঙ্গায় পৃথক মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন যৌতুক মামলায় প্রবাসী স্বামীর সশ্রম কারাদণ্ড ম্যারাডোনাকে শ্রদ্ধায় মিরপুরে ক্রিকেটারদের এক মিনিট নীরবতা নাটোরে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা গাছের ‘হাতে খুন’ ১৭৪ গাছ! ধলেশ্বরীতে ইটভাটার ৩৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ জমি পাবেন নদীভাঙনে জমি হারানোরা ওয়াইসির দলে ভাঙন ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তে যা জানা গেল ‘দরিদ্রদের জন্য নির্মাণ হবে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট’ বন্ধুদের ১০০ কোটি টাকা উপহার দিয়েছিলেন তিনি গোপালগঞ্জে অনুমোদনহীন ক্লিনিক, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নিজের শেষকৃত্য নিয়ে ম্যারাডোনার ইচ্ছা ভেঙে ফেলা হচ্ছে কমলাপুর রেলস্টেশন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাস্ক না পরায় ২৮ জনকে জরিমানা ভুয়া অনলাইনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী খুলনাকে উড়িয়ে দিল রাজশাহী ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় কম্পিউটার ক্লাবের অনলাইন প্রতিযোগিতা ইসরায়েলকে এখনো স্বীকৃতি দেয়নি যেসব দেশ টাঙ্গাইলে মানহীন ওষুধ উৎপাদন, জেল-জরিমানা রাজধানীর শাহজাহানপুরে যুবক খুন বহিষ্কার হচ্ছেন আফগানিস্তানে গণহত্যায় জড়িত সেনারা নোবেল শান্তি পুরস্কারে মনোনয়ন পেলেন তারা! ‘প্রকৃতপক্ষে বঙ্গবন্ধুর বীর বাঙালি হতে হবে’ নওগাঁর আড়তে কমেছে সব ধরনের মাছের দাম বিশ্বে কট্টরবাদীদের হামলায় হতাহত বেড়েছে ৭০০ শতাংশ ভ্যাকসিনের অর্ধেক টাকা ছাড় দিয়েছে মন্ত্রণালয় শীত বাড়ছে উত্তরাঞ্চলে শাহরুখ কন্যার চমক করোনার মধ্যেই ডেঙ্গুতে আক্রান্তের রেকর্ড মাফিয়ার সঙ্গে সঙ্গিনী নিয়ে জেলে পার্টি করেন ম্যারাডোনা! ১০ নম্বর জার্সি কে পাবেন? কুমিল্লায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা পরিণীতি চোপড়ার এই হাল! রাজধানীর জিনোম হাসপাতালে তালা গোপন গণকবরে ১১৩ মরদেহ! জেলে যেতে পারেন কপিল শর্মা! অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সুখবর দিল সরকার ইরানকে সহায়তার অভিযোগে চীন-রাশিয়ার ৫ প্রতিষ্ঠানকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা যে পরিবারের ৮৪ জন ছিলেন নগরপিতা করোনায় মার্চ থেকে পারিবারিক আয় কমেছে ৪ হাজার টাকা: বাণিজ্যমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে রিটার্ন দাখিলে আশাতীত সাফল্য বাংলাদেশ রুট করে পাচার হচ্ছে সাপের বিষ আনসার আল-ইসলামের তিন সদস্য গ্রেফতার হাবিপ্রবিতে প্রো-ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন হবিগঞ্জে জব ফেয়ার, চাকরি পাচ্ছেন ৪ শতাধিক ব্যক্তি প্রবাসীদের সুখবর দিল কুয়েত যেভাবে ৫ মিনিটেই অনলাইনে পাবেন জমির আরএস খতিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে নিহত ১ থ্যাংকস গিভিং ডে: একটি টার্কির প্রাণ ভিক্ষা দিলেন ট্রাম্প নেশার টাকা না পেয়ে সন্তানকে হত্যা, বাবা আটক মাদারীপুরে ক্রেন থেকে পড়ে ৩ শ্রমিক আহত নিভার আঘাতে তামিলনাড়ুতে ৩ জনের মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আবারও ঝড় তুললেন প্রিয়া প্রকাশ কাঁদছে ম্যারাডোনার দ্বিতীয় ঘর ইতালি ভারতে বন্‌ধে ভাঙচুর-লাঠিপেটা, প্রভাব পশ্চিমবঙ্গেও ম্যারাডোনা স্মরণে মোদি-রাহুল গান্ধীর টুইট ম্যারাডোনার প্রয়াণে শোকাহত জার্মানরাও বাগেরহাটে ছয়দিনেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষণ মামলার আসামি ম্যারাডোনার রেখে যাওয়া সম্পদ এত কম! ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দুদকের
আরও সংবাদ...
বাংলাদেশিদের দেড় ঘণ্টার হামলায় ধরাশয়ী ফ্রান্সের সেই ওয়েবসাইট হেলিকপ্টারে বিয়ে করতে গেলেন রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকৌশলী ফ্রান্সে হামলা চলছে, দেখুন লাইভ ভিডিও ২০২১ সালে যেসব জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে ভোটে জিতেই স্ত্রী-কন্যাকে হারান বাইডেন রামপালের কাজ বুঝিয়ে দেয়ার আগেই দেউলিয়া ভারতীয় কোম্পানি চুপিসারেই মৌলানাকে বিয়ে করলেন অভিনেত্রী সানা! (ভিডিও) গুগল ম্যাপে ধরা পড়ল বাংলাদেশি সেই জাহাজ ‘ভালোবাসার কথা বলতে না পারা মানুষটাই জীবন সঙ্গিনী’ ধর্ষণের শিকার তরুণীকে বিয়ে করলেন ‘ছোটবেলার প্রেমিক’ টয়লেটের পানি দিয়ে ফুচকার টক বানানোর সময় বিক্রেতা ধরা ৩০০ টাকা নিয়ে শহরে এসে কোটি টাকার মালিক! নতুন চুল গজানোর ঘরোয়া উপায় শুধু ধর্ষণ নয়, কাটাছেঁড়া মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি তুলতো মুন্না ফ্রান্সে কিছুক্ষণের মধ্যেই বড় হামলার ঘোষণা নায়িকা শ্রাব‌ন্তী‌কে কুপ্রস্তাব: রিমান্ডে যা বললেন সেই যুবক সেলফি তুলতে চাওয়ায় ভক্তের ফোন ছুড়ে মারলেন সাকিব অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক ক্রিকেটার সজিবের আত্মহত্যা মুসলমানদের অনুভূতি বুঝতে পেরেছি: ম্যাক্রোঁ মেয়র লিটনের মেয়ে, ছাত্রলীগ নেত্রী অর্ণার বিয়ে মাছেও করোনাভাইরাস! বন্ধ হচ্ছে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট নবম-দশম শ্রেণিতে কোনো বিভাগ থাকছে না: শিক্ষামন্ত্রী তৃতীয় স্বামীর সঙ্গেও থাকছেন না শ্রাবন্তী! এক দিনেই মুকেশ হারালেন ৬০ হাজার কোটি টাকা! মার্কিন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশে কত দূর? উচ্চশিক্ষার জন্য রাজধানীতে এসে লাশ হলেন মুন্না যে ৭ মানসিক ব্যাধি মানুষকে যৌন অপরাধী বানায় মুসলিমদের বড় সুখবর দিলেন বাইডেন চট্টগ্রামে বিরল শিশুর জন্ম সাকিবকে হুমকির ঘটনায় কঙ্গনার বিস্ফোরক মন্তব্য কাজলের প্রতিরাতে খরচ ৩৩ লাখ টাকা! অভিনেত্রী লীনা মারা গেছেন দেড় লাখ টাকার শাড়ি, ৯০০ বছর ধরে বুনছে এক পরিবার! অক্সফোর্ডের মুনজেরিন ঢাবিতেও প্রথম শ্রেণিতে প্রথম বাইডেনের ‘ভক্ত’ হয়ে গেছেন ফখরুল ‘সবকিছু শেষ হওয়ার পথে’ : বাইডেনের উপদেষ্টা অপুকে নিয়ে উড়াল দিলেন নিরব! নোটিশ প্রত্যাহার করে জনস্বাস্থ্য পরিচালকের দুঃখ প্রকাশ র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমকে বদলি ছেলের পোস্টে ফের আলোচনায় শ্রাবন্তী জীবিত গরুর অণ্ডকোষ-ভুঁড়ি খেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কিশোর! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ল ‘আইসিইউ’তে ৯ তারকা! মিথিলাকে মণ্ডপে নিয়ে বিপাকে সৃজিত হাসপাতালের কর্মচারীদের মারধরে এএসপির মৃত্যু, ভিডিও প্রকাশ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার ভারতী সিং সোনায় মোড়ানো আড়াই হাজার বছর আগের ১০০ কফিন উদ্ধার বাইডেনের সমর্থনে ৭ লাখ মানুষ হত্যা কানাডায় পাহাড় কিনলেন অক্ষয় কুমার
আরও সংবাদ...


মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে
X