সম্পূর্ণ নিউজ সময়
স্বাস্থ্য
৫ টা ৪৯ মিঃ, ১১ জুলাই, ২০২০

রংপুরে করোনায় এলোমেলো টিকাদান কর্মসূচি

করোনার ঝাপটায় রংপুর অঞ্চলে এলোমেলো হয়ে গেছে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি। করোনার বিড়ম্বনা উপেক্ষা করে টিকাদান কর্মসূচি চালু থাকলেও লক্ষ্য অর্জন না হবার কথা স্বীকার করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আর এর ফলে ১০টি মারাত্মক রোগ প্রতিরোধে বাংলাদেশের অর্জন ব্যহত হবার শঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রতন সরকার

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি ইপিআই-এর মাধ্যমে মা ও শিশুমৃত্যুর হার কমানো এবং পঙ্গুত্ব রোধে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বজনীন। যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, মা ও নবজাতকের ধনুষ্টঙ্কার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, পোলিও মাইলাইটিস, হাম ও রুবেলার মতো মারাত্মক রোগ প্রতিরোধে সাফল্যের জন্য 'ভ্যাকসিন হিরো' উপাধি বাংলাদেশের ঝুলিতে। কিন্তু করোনাভীতি টানা প্রায় ৫ মাস এই কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল, ইউনিয়ন ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছাড়াও পৌর বা সিটি করপোরেশনের টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিতি এমনিতেই কম। উপরন্তু যোগ হয়েছে 'টিকা কার্ডের' সংকট।

রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামরুজ্জামান ইবনে তাজ বলেন, 'স্বাস্থ্য কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ করতো। এখনতো স্বাস্থ্যকর্মীকে বাসাতে প্রবেশে করতে মানা করে; তাই যায় না।'

অবশ্য এবছর লক্ষ্যমাত্রার ৬০ থেকে ৭০ ভাগ অর্জনের দাবি করছেন রংপুর বিভাগের সিভিল সার্জন হিরম্ব কুমার রায়।

এ অবস্থায় জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের শঙ্কা প্রকাশ করছেন জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক বেলাল আহমেদ এবং রংপুর সূর্যের হাসি ক্লিনিকের ম্যানেজার আব্দুস সালাম।

শূন্য থেকে ১৮ মাস বয়সী শিশু এবং ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী সন্তান ধারণক্ষম নারীদের শরীরে এসব ভ্যাকসিন প্রয়োগের মাধ্যমে ১০টি মারাত্মক রোগ থেকে জনগোষ্ঠীকে রক্ষায় বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের সহায়তায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়