সম্পূর্ণ নিউজ সময়
মহানগর সময়
০ টা ৩৪ মিঃ, ৪ জুন, ২০২০

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়লেও মিলছে না টেকসই সমাধান

প্রতি বছর সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ ও সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়লেও মিলছে না টেকসই সমাধান। প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো হঠাৎ আসা বিপদেও দারিদ্রসীমার নিচে চলে যান অনেকে। করোনার প্রভাবে অন্তত ২২ শতাংশ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হওয়ায় মোট দরিদ্রের সংখ্যা ৪০ শতাংশ ছাড়াতে পারে। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যবিত্তকেও সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে। 
মহানগর সময় ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের মতো প্রতি বছরই দেশে আঘাত হানে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এবার নতুন করে যোগ হয়েছে করোনা মহামারী। এতে শহরাঞ্চলসহ মফস্বলেও জীবিকা নিয়ে ঝুঁকিতে স্বল্প আয়ের মানুষ। চাকরি হারিয়ে অনেক মধ্যবিত্ত শঙ্কায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার প্রভাবে এবার নতুন করে দরিদ্র হতে পারে অন্তত ২০ শতাংশ মানুষ। ফলে আগের সোয়া ৩ কোটির সঙ্গে যোগ হয়ে দেশে মোট দরিদ্রের হার দাঁড়াবে ৪০ শতাংশের বেশি।

ব্র্যাক চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ২০ দশমিক ৫ শতাংশ যে দারিদ্র সীমার নিচে অফিসিয়াল ফিগার। তার সঙ্গে কিন্তু ২২ দশমিক ৫ যোগ দিলে হবে এই নতুন দরিদ্রের ফিগার। প্রায় ৪৩ শতাংশ দরিদ্রকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। 

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বরাদ্দ ৭৪ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১৪ শতাংশের বেশি। এবারের বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৭৬ হাজার কোটি টাকা করা হতে পারে। করোনার কারণে সারাদেশে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৮১ লাখ থেকে ১৬ লাখ বাড়িয়ে করা হতে পারে ৯৭ লাখ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজেটের বড় অংশই খরচ হয়ে যায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশনসহ অন্যান্য ভাতায়। এবারের বাজেটে থাকতে হবে করোনার কারণে অসহায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সুরক্ষা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা বলেন, অনানুষ্ঠানিক খাতে যারা রয়েছেন, তাদেরকে চিহ্নিত করার জন্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভেতরে আনবার জন্য বিভিন্ন সেলফ লেন পদ্ধতি চালু করা যেতে পারে।

প্রতিবছর সামাজিক নিরাপত্তাখাতে ১০ শতাংশ হারে বরাদ্দ বাড়লেও এবার ২০ শতাংশ করার জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলছেন, মধ্যবিত্তকে সুরক্ষা দিতে টেকসই নীতি নিয়ে কাজ করছে সরকার।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, কোভিডের কারণে দারিদ্রসীমা হঠাৎ করে বেড়েছে। দারিদ্রের হার আমরা ২০-এ এনেছিলাম, সেটাকে ধরে রাখতে হবে। এবছর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং একটা ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিম চালুর জন্য অর্থ-মন্ত্রণালয়ে কার্যক্রম চলছে।

একই সঙ্গে আগামীতে কর্মহীন হয়ে পড়াদের জন্য একটি বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়