সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাণিজ্য সময়
৯ টা ১ মিঃ, ১৮ মে, ২০২০

করোনা: এক দশকে গাড়ি আমদানির সংখ্যা সর্বনিম্ন

লকডাউন আর সাধারণ ছুটির কবলে এক দশকে গাড়ি আমদানির সংখ্যা সর্বনিম্ন। আর এতেই শেষ তিন মাসে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত সরকার। বকেয়া বন্দর ভাড়াও প্রতিদিনই বাড়ছে মোংলা আর চট্টগ্রামে।
জুবায়ের ফয়সাল

সংকট মোকাবিলায়, ভাড়া মওকুফের মাধ্যমে গাড়ি ছাড় করার সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা।

করোনা সংকটে টানা সাধারণ ছুটি শুরুর আগেও সুবাতাস ছিল না দেশের গাড়ি ব্যবসায়, ফলে অন্য অনেক খাতের মতো বিপাকে পড়েছেন গাড়ি আমদানিকারকরাও। যার আঁচ লাগছে সরকারি কোষাগারে।

মূলত প্রতিবছর বাজেটের আগে হিড়িক পড়ে গাড়ি আমদানির, ফলে অর্থবছরের শেষ তিন মাসে এ খাত থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পায় সরকার। প্রধান দুই বন্দরের আয়েও যা ফেলে ইতিবাচক প্রভাব। এবার চিত্র একদমই আলাদা। মার্চের প্রথম সপ্তাহের পর কোনো গাড়ি বের হয়নি বন্দর থেকে।

আর এ কারণেই করোনা পরবর্তী সংকট মোকাবিলায় শুল্ক মওকুফ, ইয়োলো বুক পদ্ধতি বাদ দিয়ে গাড়ি আমদানির সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা।

সাম্পান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইমামুল হাসান বলেন, 'এককালীন শুল্ক বা অবচয় মওকুফ করে আমাদের গাড়িগুলো যদি বের করে দেয়। তাহলে একবারে ১০০-১২০০ কোটি টাকা শুল্ক পেতে পারে সরকার।'

বারভিডা’র সাবেক সভাপতি হাবিবুল্লাহ ডন বলেন, 'মার্চের প্রথম দিকেও আমরা শিপমেন্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু সেটা মার্চের শেষের দিকে বন্দরে এসেছে। এগুলো একটা গাড়িও আমরা বের করতে পারিনি।'

যদিও এই মুহূর্তে অটোমোবাইল খাতের জন্য আলাদা কোনো সুবিধা প্রদানের পক্ষে নন অর্থনীতিবিদরা।

অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, 'রিকন্ডিশন গাড়ি মোটর সাইকেলের জন্য কোনো প্রণোদনার দরকার নেই।'

ফেব্রুয়ারিতে আড়াই'শ আর মার্চে মাত্র ৭শ ১৫ টি গাড়ি নিয়ে দুটি জাহাজ ভিড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে। অথচ গত বছর একই সময়ে গাড়ি এসেছিল দেড় হাজারের বেশি। দুই বন্দর আর চারশো শোরুমে অবিক্রিত অবস্থায় রয়েছে সাড়ে ১২ হাজার গাড়ি।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়